পুঁজিবাজারে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে ‘ঋণাত্মক মূলধন’ এবং অবাস্তবায়িত ক্ষতির বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
তবে সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আরও আটটি প্রতিষ্ঠানের জন্য শর্ত সাপেক্ষে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। আজ মঙ্গলবার বিএসইসির ৯৮৫ তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থার চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।
সভা শেষে বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম জানান, আটটি প্রতিষ্ঠানের জমা দেওয়া অ্যাকশন প্ল্যান পর্যালোচনা করে নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লসের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঝুঁকি-উপাত্ত সমন্বয়, আর্থিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং নিয়ম মানার অগ্রগতি কমিশনকে নিয়মিত জানাতে হবে।
বাড়তি সময় পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড, ওয়ান সিকিউরিটিজ লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বিডি সানলাইফ সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আইএফআইসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, অ্যাপেক্স ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড, অ্যাবাসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং সোনালী ইনভেস্টমেন্ট পিএলসি।
বাজারে দীর্ঘমেয়াদি মন্দা, তারল্যসংকট ও মার্জিন ঋণসহ নানা কারণে অনেক মধ্যস্থতাকারীর ইক্যুইটি ঘাটতি তৈরি হয়। প্রভিশন সংরক্ষণে সময় না বাড়ালে এসব প্রতিষ্ঠান তহবিল ব্যবস্থাপনায় আরও সংকটে পড়তে পারত।
এর আগে ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ৯৮৪ তম কমিশন সভায় আরও ২৮টি প্রতিষ্ঠানকে একই শর্তে সময় বাড়ানো হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে মোট কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠান এখন ধাপে ধাপে নেগেটিভ ইক্যুইটি ও লোকসান সমন্বয়ে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। বিএসইসি আশা করছে, এভাবে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা বাড়বে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য খালাসের জটিলতা নিরসনে অস্থায়ী ও স্থায়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অস্থায়ী ওয়্যারহাউসের জন্য সাতটি এবং স্থায়ী ওয়্যারহাউসের জন্য চারটি সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওষুধসহ তাপমাত্রা সংবেদনশীল পণ্য দ্রুত আমদানি-রপ্তানির জন্য
৯ ঘণ্টা আগে
কৃষি ও পল্লি খাতে অর্থের প্রবাহ বাড়াতে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত অর্থবছরে এই লক্ষ্য ছিল ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা। ফলে এক বছরে লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে ২১ হাজার কোটি টাকা বা ৫৩ দশমিক ৮ শতাংশ।
৯ ঘণ্টা আগে
‘দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কৃষি ও পল্লী খাতের জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এর আওতায় কৃষি ও পল্লি অর্থনীতির উৎপাদনমুখী ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে যোগ্য কৃষক, উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের অর্থায়নের সুযোগ বাড়বে। এর ফলে কৃষি উৎপাদনের প্রয়োজনীয়...
১৩ ঘণ্টা আগে
কাঁচা মরিচ ও টমেটো আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভায় কাঁচা মরিচ ও টমেটো আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে