নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ইন্টারটেক বাংলাদেশ এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার উত্তরা বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অংশ নেন ইন্টারটেক দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অজয় কাপুর এবং বিজিএমইএর সভাপতি (সিনিয়র সহসভাপতি) ইনামুল হক খান। বৈঠকের মূল আলোচনায় ছিল পোশাক শিল্পে টেকসই উন্নয়ন, সাপ্লাই চেইনে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার।
বৈঠকে বিজিএমইএ এর পরিচালক নাফিস-উদ-দৌলা, পরিচালক জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম ও কো-অর্ডিনেটর শেখ সুচিতা জাহান স্নেহা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ইন্টারটেকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আশীষ গুপ্ত, কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নেয়ামুল হাসান এবং হেড অফ সেলস, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিআরএম আলিজা সুলতানা।
বিজিএমইএ সভাপতি ইনামুল হক খান পোশাক শিল্পের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করতে ইন্টারটেকের অ্যাসিউরেন্স, টেস্টিং, ইন্সপেকশন ও সার্টিফিকেশন পরিষেবাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) প্রযুক্তি ব্যবহার, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়াতে বিজিএমইএ ইন্টারটেকের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে।
অজয় কাপুর বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প বিশ্ববাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। আমরা বিজিএমইএর সাথে অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা।
বৈঠকে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র অনুসন্ধান এবং সাপ্লাই চেইনে স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একসাথে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ইন্টারটেক বাংলাদেশ এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার উত্তরা বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অংশ নেন ইন্টারটেক দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অজয় কাপুর এবং বিজিএমইএর সভাপতি (সিনিয়র সহসভাপতি) ইনামুল হক খান। বৈঠকের মূল আলোচনায় ছিল পোশাক শিল্পে টেকসই উন্নয়ন, সাপ্লাই চেইনে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার।
বৈঠকে বিজিএমইএ এর পরিচালক নাফিস-উদ-দৌলা, পরিচালক জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম ও কো-অর্ডিনেটর শেখ সুচিতা জাহান স্নেহা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ইন্টারটেকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আশীষ গুপ্ত, কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নেয়ামুল হাসান এবং হেড অফ সেলস, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিআরএম আলিজা সুলতানা।
বিজিএমইএ সভাপতি ইনামুল হক খান পোশাক শিল্পের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করতে ইন্টারটেকের অ্যাসিউরেন্স, টেস্টিং, ইন্সপেকশন ও সার্টিফিকেশন পরিষেবাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) প্রযুক্তি ব্যবহার, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়াতে বিজিএমইএ ইন্টারটেকের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে।
অজয় কাপুর বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প বিশ্ববাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। আমরা বিজিএমইএর সাথে অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা।
বৈঠকে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র অনুসন্ধান এবং সাপ্লাই চেইনে স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একসাথে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
৫ মিনিট আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৮ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৮ ঘণ্টা আগে