আজকের পত্রিকা ডেস্ক

পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানা বা গ্রিন ফ্যাক্টরি হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ‘লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন’ (লিড) সনদ পেয়েছে দেশের আরও দুই পোশাক কারখানা। নতুন যোগ হওয়া কারখানা দুটি হলো—কুমিল্লার আমির শার্টস লিমিটেড ও সাভারের কন্টিনেন্টাল গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্টিজ প্রাইভেট লিমিটেড। এ দুটি নিয়ে দেশে সবুজ কারখানার মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৩২টিতে।
আজ সোমবার তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
শিল্পকারখানার ভবন নির্মাণ থেকে পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত সব পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সর্বোচ্চ মানের কারখানাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ‘ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’ (ইউএসজিবিসি) এ সনদ দেয়। বাণিজ্যিক ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাড়িসহ অন্যান্য স্থাপনার ক্ষেত্রেও এ সনদ ব্যবহার হয়।
নতুন সনদ পাওয়া কারখানাগুটি যথাক্রমে ৬৬ ও ৭৭ পয়েন্ট পেয়ে গোল্ড রেটিং পেয়েছে।
তথ্যমতে, বাংলাদেশে ২৩২টি সবুজ কারখানার মধ্যে ৯২টি প্ল্যাটিনাম পেয়েছ। এ ছাড়া গোল্ড রেটিং ১২৬টি ও ১০টি সিলভার। আর চারটি সার্টিফায়েড।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্প্রতি আরও দুটি কারখানা লিড সার্টিফেকটের তুলিকায় যুক্ত হওয়ার ফলে দেশের পরিবেশবান্ধব পদ্ধতির প্রতি প্রতিশ্রুতি আরও জোরদার হয়েছে। এই নতুন সার্টিফিকেশনগুলো কেবল উৎপাদন খাতে টেকসই পদ্ধতির ক্রমবর্ধমান সচেতনতা এবং গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রতিফলিত করে না, বরং বাংলাদেশের জন্য একটি সবুজ এবং আরও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যতের দিকেও এগিয়ে যাওয়ায় অবদান রাখেবে।
জানা যায়, মোট ১১০ এর মধ্যে যেসব কোম্পানি ৮০ বা তার চেয়ে বেশি নম্বর পায় তাঁরা প্লাটিনাম সনদ লাভ করে। কোনো কারখানা ৬০ থেকে ৭৯ নম্বর পেলে গোল্ড সনদ পায়, ৫০ থেকে ৫৯ পেলে পায় সিলভার সনদ আর ৪০ থেকে ৪৯ পেলে পায় সার্টিফায়েড সনদ। দেশের সবুজ সনদ পাওয়া ৬২ কারখানা রয়েছে বিশ্বের ১০০ সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া কারখানার মধ্যে।
বিশ্বের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব স্থাপনার সনদ দিয়ে থাকে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি)। এরা এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিজাইন ‘এলইইডি’ বা ‘লিড’ নামে পরিবেশবান্ধব স্থাপনার সনদ দিয়ে থাকে। তৈরি পোশাক খাতের বিদেশি ক্রেতারা কোনো কারখানা থেকে পণ্য কেনার সময় এলইইডির গ্রিন ফ্যাক্টরির সার্টিফিকেটকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে থাকেন।

পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানা বা গ্রিন ফ্যাক্টরি হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ‘লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন’ (লিড) সনদ পেয়েছে দেশের আরও দুই পোশাক কারখানা। নতুন যোগ হওয়া কারখানা দুটি হলো—কুমিল্লার আমির শার্টস লিমিটেড ও সাভারের কন্টিনেন্টাল গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্টিজ প্রাইভেট লিমিটেড। এ দুটি নিয়ে দেশে সবুজ কারখানার মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৩২টিতে।
আজ সোমবার তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
শিল্পকারখানার ভবন নির্মাণ থেকে পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত সব পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সর্বোচ্চ মানের কারখানাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ‘ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’ (ইউএসজিবিসি) এ সনদ দেয়। বাণিজ্যিক ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাড়িসহ অন্যান্য স্থাপনার ক্ষেত্রেও এ সনদ ব্যবহার হয়।
নতুন সনদ পাওয়া কারখানাগুটি যথাক্রমে ৬৬ ও ৭৭ পয়েন্ট পেয়ে গোল্ড রেটিং পেয়েছে।
তথ্যমতে, বাংলাদেশে ২৩২টি সবুজ কারখানার মধ্যে ৯২টি প্ল্যাটিনাম পেয়েছ। এ ছাড়া গোল্ড রেটিং ১২৬টি ও ১০টি সিলভার। আর চারটি সার্টিফায়েড।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্প্রতি আরও দুটি কারখানা লিড সার্টিফেকটের তুলিকায় যুক্ত হওয়ার ফলে দেশের পরিবেশবান্ধব পদ্ধতির প্রতি প্রতিশ্রুতি আরও জোরদার হয়েছে। এই নতুন সার্টিফিকেশনগুলো কেবল উৎপাদন খাতে টেকসই পদ্ধতির ক্রমবর্ধমান সচেতনতা এবং গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রতিফলিত করে না, বরং বাংলাদেশের জন্য একটি সবুজ এবং আরও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যতের দিকেও এগিয়ে যাওয়ায় অবদান রাখেবে।
জানা যায়, মোট ১১০ এর মধ্যে যেসব কোম্পানি ৮০ বা তার চেয়ে বেশি নম্বর পায় তাঁরা প্লাটিনাম সনদ লাভ করে। কোনো কারখানা ৬০ থেকে ৭৯ নম্বর পেলে গোল্ড সনদ পায়, ৫০ থেকে ৫৯ পেলে পায় সিলভার সনদ আর ৪০ থেকে ৪৯ পেলে পায় সার্টিফায়েড সনদ। দেশের সবুজ সনদ পাওয়া ৬২ কারখানা রয়েছে বিশ্বের ১০০ সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া কারখানার মধ্যে।
বিশ্বের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব স্থাপনার সনদ দিয়ে থাকে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি)। এরা এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিজাইন ‘এলইইডি’ বা ‘লিড’ নামে পরিবেশবান্ধব স্থাপনার সনদ দিয়ে থাকে। তৈরি পোশাক খাতের বিদেশি ক্রেতারা কোনো কারখানা থেকে পণ্য কেনার সময় এলইইডির গ্রিন ফ্যাক্টরির সার্টিফিকেটকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে থাকেন।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৩ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৩ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
৭ ঘণ্টা আগে