
মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার দর কমে সর্বকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) আগামী বছর সুদের হার কিছুটা কমানোর ইঙ্গিত দেওয়ার পর এশিয়ার মুদ্রাগুলো চাপে পড়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মূল্য কমে দাঁড়ায় ৮৫ দশমিক শূন্য ৮ রুপি। তবে দিন শেষে ৮৫ দশমিক শূন্য ৭ রুপিতে স্থিতিশীল হয়; যা আগের দিনের তুলনায় শূন্য দশমিক ১ শতাংশ কম। আগের দিন, অর্থাৎ বুধবার যা কমে দাঁড়িয়েছিল ৮৪ দশমিক ৯৫। দিনের মাঝামাঝি যা ৮৪ দশমিক ৯৬ রুপিতে উঠে গিয়েছিল। তার আগের দিন মঙ্গলবার ৮৪ দশমিক ৯০ রুপিতে বন্ধ হয়েছিল। গতকাল ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সম্ভাব্য ডলার বিক্রির হস্তক্ষেপ রুপির পতনকে সীমিত রাখতে সাহায্য করেছে। অন্যদিকে এশিয়ার অন্যান্য দেশের মুদ্রা ১ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
একটি বেসরকারি ব্যাংকের ট্রেডার জানিয়েছেন, ডলারের চাহিদা ছিল ব্যাপক, বিশেষ করে বিদেশি ব্যাংকগুলোর; যা ভারতীয় শেয়ারবাজার থেকে পুঁজির বহির্গমনের ইঙ্গিত দেয়। ভারতের শীর্ষ স্টক সূচক বিএসই সেনসেক্স ও নিফটি ৫০ উভয়ই প্রায় ১ শতাংশ কমেছে; যা টানা চতুর্থ দিনের পতন।
গতকাল বুধবার ফেডারেল রিজার্ভ তাদের মূল সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়েছে। তবে ২০২৫ সালের মধ্যে সুদের হার কমানোর পূর্বাভাস চারটি থেকে কমিয়ে দুটি করেছে এবং মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে।
অপর দিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নভেম্বরে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা রুপির দর হু হু করে কমছে। ভারতীয় শেয়ারবাজার থেকেও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বড় একটি অংশ। অবিলম্বে পরিস্থিতির বদল না হলে তা আরও খারাপের দিকে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার দর কমে সর্বকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) আগামী বছর সুদের হার কিছুটা কমানোর ইঙ্গিত দেওয়ার পর এশিয়ার মুদ্রাগুলো চাপে পড়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মূল্য কমে দাঁড়ায় ৮৫ দশমিক শূন্য ৮ রুপি। তবে দিন শেষে ৮৫ দশমিক শূন্য ৭ রুপিতে স্থিতিশীল হয়; যা আগের দিনের তুলনায় শূন্য দশমিক ১ শতাংশ কম। আগের দিন, অর্থাৎ বুধবার যা কমে দাঁড়িয়েছিল ৮৪ দশমিক ৯৫। দিনের মাঝামাঝি যা ৮৪ দশমিক ৯৬ রুপিতে উঠে গিয়েছিল। তার আগের দিন মঙ্গলবার ৮৪ দশমিক ৯০ রুপিতে বন্ধ হয়েছিল। গতকাল ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সম্ভাব্য ডলার বিক্রির হস্তক্ষেপ রুপির পতনকে সীমিত রাখতে সাহায্য করেছে। অন্যদিকে এশিয়ার অন্যান্য দেশের মুদ্রা ১ দশমিক ২ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
একটি বেসরকারি ব্যাংকের ট্রেডার জানিয়েছেন, ডলারের চাহিদা ছিল ব্যাপক, বিশেষ করে বিদেশি ব্যাংকগুলোর; যা ভারতীয় শেয়ারবাজার থেকে পুঁজির বহির্গমনের ইঙ্গিত দেয়। ভারতের শীর্ষ স্টক সূচক বিএসই সেনসেক্স ও নিফটি ৫০ উভয়ই প্রায় ১ শতাংশ কমেছে; যা টানা চতুর্থ দিনের পতন।
গতকাল বুধবার ফেডারেল রিজার্ভ তাদের মূল সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়েছে। তবে ২০২৫ সালের মধ্যে সুদের হার কমানোর পূর্বাভাস চারটি থেকে কমিয়ে দুটি করেছে এবং মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে।
অপর দিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নভেম্বরে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা রুপির দর হু হু করে কমছে। ভারতীয় শেয়ারবাজার থেকেও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বড় একটি অংশ। অবিলম্বে পরিস্থিতির বদল না হলে তা আরও খারাপের দিকে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
১০ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
১ দিন আগে