নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা

চিনির দাম হঠাৎ করে প্রতি কেজি ৩০ টাকা বাড়িয়ে ১০০ টাকা করার কয়েক ঘণ্টার মাথায় আবারও পূর্বের অবস্থানে ফিরে গেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। গতকাল বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে টিসিবি চিনির দাম প্রতি কেজি ৭০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ টাকার ঘোষণা দিয়েছিল। আজ বৃহস্পতিবার সকালে টিসিবির মুখপাত্র মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিনির দাম বাড়ানোর বিষয়ে টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান গতকাল বুধবার রাতে আজকের পত্রিকাকে বলেছিলেন, ‘৩০ থেকে ৩২ শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে টিসিবি চিনি বিক্রি করে আসছিল। বর্তমানে বাজারমূল্য বেশি থাকায় ভর্তুকির পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে আনা হয়েছে। বাজারের সঙ্গে মূল্য বেশি পরিমাণ ব্যবধান থাকলে অপব্যবহারের একটা সুযোগ থাকে। এ কারণে বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।’
সরকার দেশের ১ কোটি হতদরিদ্র পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে তেল, ডাল, চাল, চিনি, পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্য সরবরাহ করে আসছে। গত রমজানে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৬০ টাকা।
একজন ফ্যামিলি কার্ডধারী ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক কেজি চিনি ও এক কেজি খেজুর কিনতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম রাখা হবে ১০০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৭০, মসুর ডাল ৬০, খেজুর ১৫০ ও চাল ৩০ টাকায় বিক্রি করবে টিসিবি।
টিসিবি বলছে, সিটি করপোরেশন, জেলা-উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্ধারিত তারিখ ও সময় অনুযায়ী পরিবেশকেরা এই কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এ সময় নিজ নিজ এলাকার পরিবেশকদের দোকান বা নির্ধারিত জায়গা থেকে পণ্য নিতে পারবেন পরিবার কার্ডধারীরা।
জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে দ্বিতীয় পর্বের বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের তিব্বত মোড়ের পূর্ব কলোনি বাজারসংলগ্ন পলিটেকনিক মাঠে এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান হবে।

চিনির দাম হঠাৎ করে প্রতি কেজি ৩০ টাকা বাড়িয়ে ১০০ টাকা করার কয়েক ঘণ্টার মাথায় আবারও পূর্বের অবস্থানে ফিরে গেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। গতকাল বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে টিসিবি চিনির দাম প্রতি কেজি ৭০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ টাকার ঘোষণা দিয়েছিল। আজ বৃহস্পতিবার সকালে টিসিবির মুখপাত্র মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিনির দাম বাড়ানোর বিষয়ে টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান গতকাল বুধবার রাতে আজকের পত্রিকাকে বলেছিলেন, ‘৩০ থেকে ৩২ শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে টিসিবি চিনি বিক্রি করে আসছিল। বর্তমানে বাজারমূল্য বেশি থাকায় ভর্তুকির পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে আনা হয়েছে। বাজারের সঙ্গে মূল্য বেশি পরিমাণ ব্যবধান থাকলে অপব্যবহারের একটা সুযোগ থাকে। এ কারণে বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।’
সরকার দেশের ১ কোটি হতদরিদ্র পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে তেল, ডাল, চাল, চিনি, পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্য সরবরাহ করে আসছে। গত রমজানে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৬০ টাকা।
একজন ফ্যামিলি কার্ডধারী ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক কেজি চিনি ও এক কেজি খেজুর কিনতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম রাখা হবে ১০০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৭০, মসুর ডাল ৬০, খেজুর ১৫০ ও চাল ৩০ টাকায় বিক্রি করবে টিসিবি।
টিসিবি বলছে, সিটি করপোরেশন, জেলা-উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্ধারিত তারিখ ও সময় অনুযায়ী পরিবেশকেরা এই কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এ সময় নিজ নিজ এলাকার পরিবেশকদের দোকান বা নির্ধারিত জায়গা থেকে পণ্য নিতে পারবেন পরিবার কার্ডধারীরা।
জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে দ্বিতীয় পর্বের বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের তিব্বত মোড়ের পূর্ব কলোনি বাজারসংলগ্ন পলিটেকনিক মাঠে এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান হবে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
১৪ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
১৪ ঘণ্টা আগে