নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শিল্প প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে শিল্প সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত মন্তব্যগুলোকে বিভ্রান্তি বলছে পেট্রোবাংলা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ‘প্রকৃত পরিস্থিতি’ ব্যাখ্যা করেছে সংস্থাটি। তারা জানিয়েছে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর শিল্পে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সরকার এ বিষয়ে তৎপর রয়েছে।
আজ সোমবার পেট্রোবাংলার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি-এপ্রিল মেয়াদে শিল্পে গ্যাস সরবরাহের গড় পরিমাণ ছিল দৈনিক ৮২৩ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে চলতি বছর (জানুয়ারি-এপ্রিল) একই সময়ে ৯৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ বেশি।
বিবৃতিতে জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ক্যাপটিভ (বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত) এবং শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে:

পেট্রোবাংলা আরও জানায়, শিল্পে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত বছরের তুলনায় ৬টি অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো আমদানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই এলএনজির আমদানি মূল্য প্রতি ঘনমিটার প্রায় ৬৫ টাকা। তবে শিল্প ও ক্যাপটিভ শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য গ্যাসের মূল্য যথাক্রমে ৩০ টাকা ও ৩১ দশমিক ৫০ টাকা। এর অর্থ হলো, অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহের জন্য সরকারকে প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ৩৫ টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।
অতিরিক্ত এলএনজি আমদানি এবং শ্রেণিভিত্তিক বণ্টন পরিবর্তনের ফলে আগামী ২৮ মে থেকে দৈনিক আরও ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ করা হবে। সরকার শিল্পে গ্যাস সরবরাহের বিষয়ে অত্যন্ত তৎপর এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
গতকাল রোববার গুলশানের একটি ক্লাবে সাত ব্যবসায়ী সংগঠন যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে। ‘শিল্প খাতে জ্বালানি, বিশেষ করে গ্যাস সংকটে টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পে উৎপাদন বিপর্যয়’ শীর্ষক এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এফবিসিসিআই, বিটিএমএ, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিসিআই, আইসিসিবি ও বিপিজিএমইএ।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, গ্যাসসংকট যেন ধুঁকতে থাকা শিল্প খাতের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিচ্ছে। ১৯৭১ সালে খুঁজে খুঁজে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল, আর ২০২৫ সালে হত্যা করা হচ্ছে শিল্পোদ্যোক্তাদের।
এ স ময় বিসিআই সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘গ্যাস নেই, উৎপাদন নেই, অথচ তিন মাস সুদ না দিলেই খেলাপি ঘোষণার হুমকি দিচ্ছে ব্যাংক। একই সঙ্গে সরকার বলছে, বেতন না দিলে গাড়ি-বাড়ি বিক্রি করতে হবে। এ পরিস্থিতিতে শিল্প কীভাবে চলবে?’

শিল্প প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে শিল্প সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত মন্তব্যগুলোকে বিভ্রান্তি বলছে পেট্রোবাংলা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ‘প্রকৃত পরিস্থিতি’ ব্যাখ্যা করেছে সংস্থাটি। তারা জানিয়েছে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর শিল্পে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সরকার এ বিষয়ে তৎপর রয়েছে।
আজ সোমবার পেট্রোবাংলার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি-এপ্রিল মেয়াদে শিল্পে গ্যাস সরবরাহের গড় পরিমাণ ছিল দৈনিক ৮২৩ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে চলতি বছর (জানুয়ারি-এপ্রিল) একই সময়ে ৯৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ বেশি।
বিবৃতিতে জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ক্যাপটিভ (বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত) এবং শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে:

পেট্রোবাংলা আরও জানায়, শিল্পে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত বছরের তুলনায় ৬টি অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো আমদানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই এলএনজির আমদানি মূল্য প্রতি ঘনমিটার প্রায় ৬৫ টাকা। তবে শিল্প ও ক্যাপটিভ শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য গ্যাসের মূল্য যথাক্রমে ৩০ টাকা ও ৩১ দশমিক ৫০ টাকা। এর অর্থ হলো, অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহের জন্য সরকারকে প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ৩৫ টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।
অতিরিক্ত এলএনজি আমদানি এবং শ্রেণিভিত্তিক বণ্টন পরিবর্তনের ফলে আগামী ২৮ মে থেকে দৈনিক আরও ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ করা হবে। সরকার শিল্পে গ্যাস সরবরাহের বিষয়ে অত্যন্ত তৎপর এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
গতকাল রোববার গুলশানের একটি ক্লাবে সাত ব্যবসায়ী সংগঠন যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে। ‘শিল্প খাতে জ্বালানি, বিশেষ করে গ্যাস সংকটে টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পে উৎপাদন বিপর্যয়’ শীর্ষক এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এফবিসিসিআই, বিটিএমএ, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিসিআই, আইসিসিবি ও বিপিজিএমইএ।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, গ্যাসসংকট যেন ধুঁকতে থাকা শিল্প খাতের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিচ্ছে। ১৯৭১ সালে খুঁজে খুঁজে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল, আর ২০২৫ সালে হত্যা করা হচ্ছে শিল্পোদ্যোক্তাদের।
এ স ময় বিসিআই সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘গ্যাস নেই, উৎপাদন নেই, অথচ তিন মাস সুদ না দিলেই খেলাপি ঘোষণার হুমকি দিচ্ছে ব্যাংক। একই সঙ্গে সরকার বলছে, বেতন না দিলে গাড়ি-বাড়ি বিক্রি করতে হবে। এ পরিস্থিতিতে শিল্প কীভাবে চলবে?’

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে