
গতকাল বিকেলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ ১৭৩ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছিল। এখন এটি বেড়ে প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুট হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এখনো দিনে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি রয়েছে। এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলে সেই ঘাটতি পূরণ হতে পারে।

মহেশখালীর ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি টার্মিনালের যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের পর জাতীয় গ্রিডে আবারও সরবরাহ শুরু হয়েছে। এতে প্রাথমিকভাবে দৈনিক প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী তিন দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরতে পারে...

এলএনজি সরবরাহ বৃদ্ধির পর জাতীয় সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ বেড়ে ২৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট অতিক্রম করেছে বলে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছে। দেশের দৈনিক চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থা সচল হওয়ার পরেও আরও এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সংকট থেকে যাচ্ছে।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় সারা দেশে পাইপলাইনের গ্যাসের চাপ কমতে পারে বলে সতর্ক করেছে পেট্রোবাংলা। আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে এমন সর্তকতা জারি করা হয়।