
ভারত-রাশিয়ার মধ্যে রুপি-রুবলে লেনদেন হচ্ছে অনেক দিন ধরেই। এবার সেই লেনদেনের ফায়দা তুলছে রাশিয়া। দেশটি তাদের কাছে জমা থাকা রুপি দিয়ে ভারতীয় কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে এমন সব ইলেকট্রনিক পণ্য কিনছে, যেগুলোর ওপর পশ্চিমা বিশ্ব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ ছাড়া রাশিয়া সক্রিয়ভাবে ভারতে ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনসুবিধা স্থাপনের সম্ভাবনার দিকে নজর দিচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য এসব ইলেকট্রনিক পণ্য রাশিয়া পশ্চিমা বিশ্বের কোনো কোম্পানির কাছ থেকে কিনতে পারে না। এ কারণে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর পশ্চিমা বিশ্ব এসব পণ্য কেনার ক্ষেত্রে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
রাশিয়ার কাছে ভারতীয় মুদ্রা রুপির বিশাল রিজার্ভ আছে। কিন্তু এই মুদ্রা কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে রীতিমতো সংগ্রাম করছিল মস্কো। কারণ, রাশিয়ার প্রয়োজনীয় অনেক পণ্য ভারত উৎপাদন করে না। গত দুই বছরে এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। কারণ, রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ তেল কিনেছে ভারত, যার মূল্য অনেকাংশেই পরিশোধ করা হয়েছে রুপিতে।
রাশিয়ার বৃহত্তম ঋণদাতা স্পার ব্যাংকের ডেপুটি সিইও আনাতোলি পপভ বলেছেন, ‘রাশিয়ায় ভারতীয় রপ্তানি বাড়ার ফলে রুপির উদ্বৃত্ত হওয়ার সমস্যাটির সমাধান হয়েছে। সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে, এখন আর কোনো রুপির উদ্বৃত্ত নেই।’ একটি ভারতীয় সূত্র গত মাসে রয়টার্সকে জানিয়েছিল, রাশিয়ার রুপির উদ্বৃত্ত ‘কয়েক মিলিয়ন ডলার’ এ নেমে এসেছে।
তবে পপভ বলছেন, ‘দুই দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য আনতে হলে ভারতকে এখনো রাশিয়ায় তার রপ্তানি ১০ গুণ বাড়াতে হবে। ২০২২ সাল থেকে ভারতীয় বাজারে রুশ ব্যবসার আগ্রহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছিল। কারণ, এই বাজার পশ্চিমের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।’ স্পারব্যাংক জানিয়েছে, রুবল-রুপিতে লেনদেন সুচারুভাবে চলছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব লেনদেন সম্পূর্ণ হতে মাত্র কয়েক ঘণ্টা সময় নেয়।
দীর্ঘদিনের মিত্র রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্ক ওয়াশিংটনে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মার্কিন ডেপুটি ট্রেজারি সেক্রেটারি ওয়ালি অ্যাডেয়েমো দুই মাস আগে ভারতের তিনটি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক সংস্থাকে সতর্ক করে লিখেছিলেন যে, ‘যেকোনো বিদেশি (ভারতীয়) আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যারা রাশিয়ার সামরিক শিল্পের সঙ্গে ব্যবসা করে, তাদের নিষেধাজ্ঞায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে।’
তবে এসব উদ্বেগ উপেক্ষা করে ভারত রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মস্কো ও কিয়েভ সফর করেছেন এবং উভয় পক্ষের প্রতি শান্তিচুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভারত নিষেধাজ্ঞায় বিধ্বস্ত রাশিয়ার ‘অর্থনৈতিক জীবন রক্ষাকারী’ হিসেবেও কাজ করছে। দেশটি রাশিয়ার অশোধিত তেলের শীর্ষ ক্রেতা হয়ে উঠেছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস মূলত রাশিয়ার রেডিও-ইলেকট্রিক বিভাগের একটি ফাঁস হওয়া চিঠির আলোকে এই প্রতিবেদন করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের ক্ষেত্রে বিদেশি পণ্যের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
সেই চিঠি অনুসারে ভাদিম পয়েদার নেতৃত্বে একটি রুশ কোম্পানি ভারত থেকে সামরিক-বেসামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় এমন ইলেকট্রনিক পণ্য কেনার চেষ্টা করছে। সংস্থাটি এমন একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করেছে, যা রাশিয়াকে তার কাছে থাকা রুপি ব্যয় করে ভারত থেকে প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক পণ্য কিনতে সহায়তা করবে। এসব ইলেকট্রনিক পণ্য টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট সার্ভার ও অন্যান্য জটিল ইলেকট্রনিক যন্ত্র উৎপাদনে ব্যবহার করা হবে।

ভারত-রাশিয়ার মধ্যে রুপি-রুবলে লেনদেন হচ্ছে অনেক দিন ধরেই। এবার সেই লেনদেনের ফায়দা তুলছে রাশিয়া। দেশটি তাদের কাছে জমা থাকা রুপি দিয়ে ভারতীয় কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে এমন সব ইলেকট্রনিক পণ্য কিনছে, যেগুলোর ওপর পশ্চিমা বিশ্ব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ ছাড়া রাশিয়া সক্রিয়ভাবে ভারতে ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনসুবিধা স্থাপনের সম্ভাবনার দিকে নজর দিচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য এসব ইলেকট্রনিক পণ্য রাশিয়া পশ্চিমা বিশ্বের কোনো কোম্পানির কাছ থেকে কিনতে পারে না। এ কারণে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর পশ্চিমা বিশ্ব এসব পণ্য কেনার ক্ষেত্রে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
রাশিয়ার কাছে ভারতীয় মুদ্রা রুপির বিশাল রিজার্ভ আছে। কিন্তু এই মুদ্রা কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে রীতিমতো সংগ্রাম করছিল মস্কো। কারণ, রাশিয়ার প্রয়োজনীয় অনেক পণ্য ভারত উৎপাদন করে না। গত দুই বছরে এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। কারণ, রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ তেল কিনেছে ভারত, যার মূল্য অনেকাংশেই পরিশোধ করা হয়েছে রুপিতে।
রাশিয়ার বৃহত্তম ঋণদাতা স্পার ব্যাংকের ডেপুটি সিইও আনাতোলি পপভ বলেছেন, ‘রাশিয়ায় ভারতীয় রপ্তানি বাড়ার ফলে রুপির উদ্বৃত্ত হওয়ার সমস্যাটির সমাধান হয়েছে। সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে, এখন আর কোনো রুপির উদ্বৃত্ত নেই।’ একটি ভারতীয় সূত্র গত মাসে রয়টার্সকে জানিয়েছিল, রাশিয়ার রুপির উদ্বৃত্ত ‘কয়েক মিলিয়ন ডলার’ এ নেমে এসেছে।
তবে পপভ বলছেন, ‘দুই দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য আনতে হলে ভারতকে এখনো রাশিয়ায় তার রপ্তানি ১০ গুণ বাড়াতে হবে। ২০২২ সাল থেকে ভারতীয় বাজারে রুশ ব্যবসার আগ্রহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছিল। কারণ, এই বাজার পশ্চিমের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।’ স্পারব্যাংক জানিয়েছে, রুবল-রুপিতে লেনদেন সুচারুভাবে চলছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব লেনদেন সম্পূর্ণ হতে মাত্র কয়েক ঘণ্টা সময় নেয়।
দীর্ঘদিনের মিত্র রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্ক ওয়াশিংটনে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মার্কিন ডেপুটি ট্রেজারি সেক্রেটারি ওয়ালি অ্যাডেয়েমো দুই মাস আগে ভারতের তিনটি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক সংস্থাকে সতর্ক করে লিখেছিলেন যে, ‘যেকোনো বিদেশি (ভারতীয়) আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যারা রাশিয়ার সামরিক শিল্পের সঙ্গে ব্যবসা করে, তাদের নিষেধাজ্ঞায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে।’
তবে এসব উদ্বেগ উপেক্ষা করে ভারত রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মস্কো ও কিয়েভ সফর করেছেন এবং উভয় পক্ষের প্রতি শান্তিচুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভারত নিষেধাজ্ঞায় বিধ্বস্ত রাশিয়ার ‘অর্থনৈতিক জীবন রক্ষাকারী’ হিসেবেও কাজ করছে। দেশটি রাশিয়ার অশোধিত তেলের শীর্ষ ক্রেতা হয়ে উঠেছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস মূলত রাশিয়ার রেডিও-ইলেকট্রিক বিভাগের একটি ফাঁস হওয়া চিঠির আলোকে এই প্রতিবেদন করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের ক্ষেত্রে বিদেশি পণ্যের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
সেই চিঠি অনুসারে ভাদিম পয়েদার নেতৃত্বে একটি রুশ কোম্পানি ভারত থেকে সামরিক-বেসামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় এমন ইলেকট্রনিক পণ্য কেনার চেষ্টা করছে। সংস্থাটি এমন একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করেছে, যা রাশিয়াকে তার কাছে থাকা রুপি ব্যয় করে ভারত থেকে প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক পণ্য কিনতে সহায়তা করবে। এসব ইলেকট্রনিক পণ্য টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট সার্ভার ও অন্যান্য জটিল ইলেকট্রনিক যন্ত্র উৎপাদনে ব্যবহার করা হবে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্যচিত্র এখন শুধু দুর্বল তকমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এদের ব্যবসার ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ টিকে থাকা নিয়েই তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। কোম্পানির সঙ্গে সরকারি ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) মেয়াদ শেষ ও নতুন চুক্তির অনিশ্চয়তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ
৯ ঘণ্টা আগে
ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় নতুন রেকর্ড স্পর্শ করলেও বিশ্ববাজারে ধাক্কা খেয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা, মার্কিন শুল্ক, ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন ব্যয় এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর চাপ বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয় ১৪ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি আয়ের সার্বিক
৯ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেপ্তারের মতো নাটকীয় ঘটনার মধ্যেও তেল উৎপাদনে কোনো পরিবর্তন আনছে না ওপেক প্লাস জোট। গতকাল রোববারের বৈঠকে উৎপাদনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছেন জোটের একাধিক প্রতিন
৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় এবং এ লক্ষ্যে দলের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ রোববার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১২ ঘণ্টা আগে