নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রকোপ আরও বেড়েছে। এক মাস আগে যেখানে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের শতভাগই ছিলেন ডেলটা ধরনের, বর্তমানে ভর্তি ৬৫ ভাগ রোগী নতুন ধরন ওমিক্রনের শিকার। বাকি ৩৫ ভাগ ডেলটার।
তবে ভর্তি ও বহির্বিভাগে সেবা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত ছিলেন ৮৮ ভাগ। এক মাস আগেও যা ছিল ২০ শতাংশ। আর শুধু বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেওয়াদের মধ্যে ওমিক্রন পাওয়া গেছে ৮২ ভাগের। আক্রান্তদের মধ্যে নারী ও পুরুষ প্রায় সমান। একই সঙ্গে এবারও দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন এমন ব্যক্তিও রয়েছেন। গত ৯ জানুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশের ৯৩৭ জন করোনা রোগীর জিনোম সিকোয়েন্স করে এমন তথ্য পেয়েছেন রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) গবেষকেরা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার তথ্য তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ। গবেষণার নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়টির জেনেটিকস অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. লায়লা আঞ্জুমান বানু।
এই গবেষণার উদ্দেশ্য, ১৮টি জিনোমের গঠন উন্মোচন ও পরিবর্তনের ধরন এবং বৈশ্বিক কোভিড-১৯ ভাইরাসের জিনোমের সঙ্গে এর সম্পর্ক বের করা, ভাইরাসের বিবর্তনীয় সম্পর্ক, রোগের উপসর্গ, প্রখরতা, অবস্থানের মেয়াদকাল এবং বাংলাদেশি কোভিড-১৯ জিনোম ডেটাবেইস তৈরি করা।
গবেষণায় ৯ মাস থেকে শুরু করে ৯০ বছর বয়সী পর্যন্ত রোগীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ৩০ থেকে ২৯ বছর বয়সের রোগীদের সংখ্যা বেশি। শিশুদের মধ্যেও করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পুরুষের মধ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত ছিল ৪৯ শতাংশ ও নারী ৫১ শতাংশ।
এ সময় বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, যাঁদের ক্যানসার, উচ্চরক্তচাপ, শ্বাসতন্ত্রের রোগ, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতা রয়েছে, বয়স্ক এবং যাঁরা টিকা নেননি, তাঁরাই বেশি ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন।
এই মুহূর্তে ওমিক্রন সংক্রমণের প্রধান উৎস জানিয়ে তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও দাপট ছিল ডেলটার, এখন নতুন এই ধরন জায়গা করে নিয়েছে। ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীর দুই ডোজ ভ্যাকসিনও দেওয়া ছিল। এতে প্রমাণিত হলো যে, ধরন নয়, টিকা নেওয়ার জন্য রোগের প্রখরতা কম হয়েছে। এ ছাড়া ওমিক্রনে ডেলটা থেকে কম মাথাব্যথা এবং সর্দির মতো উপসর্গ হয়। হাসপাতালে ভর্তির সম্ভাবনা কম, তবে এখন বাড়ছে।
শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনার প্রত্যেক ধরন বিপজ্জনক এবং তা মারাত্মক অসুস্থতা এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। পাশাপাশি ভাইরাসের নিয়মিত মিউটেশন আমাদের প্রচলিত স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ঝুঁকিপূর্ণ করতে পারে। তাই করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং টিকা নিতে হবে বলেও জানান তিনি।

দেশে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রকোপ আরও বেড়েছে। এক মাস আগে যেখানে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের শতভাগই ছিলেন ডেলটা ধরনের, বর্তমানে ভর্তি ৬৫ ভাগ রোগী নতুন ধরন ওমিক্রনের শিকার। বাকি ৩৫ ভাগ ডেলটার।
তবে ভর্তি ও বহির্বিভাগে সেবা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত ছিলেন ৮৮ ভাগ। এক মাস আগেও যা ছিল ২০ শতাংশ। আর শুধু বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেওয়াদের মধ্যে ওমিক্রন পাওয়া গেছে ৮২ ভাগের। আক্রান্তদের মধ্যে নারী ও পুরুষ প্রায় সমান। একই সঙ্গে এবারও দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন এমন ব্যক্তিও রয়েছেন। গত ৯ জানুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশের ৯৩৭ জন করোনা রোগীর জিনোম সিকোয়েন্স করে এমন তথ্য পেয়েছেন রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) গবেষকেরা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার তথ্য তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ। গবেষণার নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়টির জেনেটিকস অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. লায়লা আঞ্জুমান বানু।
এই গবেষণার উদ্দেশ্য, ১৮টি জিনোমের গঠন উন্মোচন ও পরিবর্তনের ধরন এবং বৈশ্বিক কোভিড-১৯ ভাইরাসের জিনোমের সঙ্গে এর সম্পর্ক বের করা, ভাইরাসের বিবর্তনীয় সম্পর্ক, রোগের উপসর্গ, প্রখরতা, অবস্থানের মেয়াদকাল এবং বাংলাদেশি কোভিড-১৯ জিনোম ডেটাবেইস তৈরি করা।
গবেষণায় ৯ মাস থেকে শুরু করে ৯০ বছর বয়সী পর্যন্ত রোগীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ৩০ থেকে ২৯ বছর বয়সের রোগীদের সংখ্যা বেশি। শিশুদের মধ্যেও করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পুরুষের মধ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত ছিল ৪৯ শতাংশ ও নারী ৫১ শতাংশ।
এ সময় বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, যাঁদের ক্যানসার, উচ্চরক্তচাপ, শ্বাসতন্ত্রের রোগ, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতা রয়েছে, বয়স্ক এবং যাঁরা টিকা নেননি, তাঁরাই বেশি ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন।
এই মুহূর্তে ওমিক্রন সংক্রমণের প্রধান উৎস জানিয়ে তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও দাপট ছিল ডেলটার, এখন নতুন এই ধরন জায়গা করে নিয়েছে। ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীর দুই ডোজ ভ্যাকসিনও দেওয়া ছিল। এতে প্রমাণিত হলো যে, ধরন নয়, টিকা নেওয়ার জন্য রোগের প্রখরতা কম হয়েছে। এ ছাড়া ওমিক্রনে ডেলটা থেকে কম মাথাব্যথা এবং সর্দির মতো উপসর্গ হয়। হাসপাতালে ভর্তির সম্ভাবনা কম, তবে এখন বাড়ছে।
শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনার প্রত্যেক ধরন বিপজ্জনক এবং তা মারাত্মক অসুস্থতা এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। পাশাপাশি ভাইরাসের নিয়মিত মিউটেশন আমাদের প্রচলিত স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ঝুঁকিপূর্ণ করতে পারে। তাই করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং টিকা নিতে হবে বলেও জানান তিনি।

কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
গত বছর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা পাল্টা শুল্কের বাড়তি বোঝা শুধু মার্কিন অর্থনীতির ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যেও বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। শুল্কের চাপে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তৈরি পোশাকের ব্র্যান্ড ক্রেতারা আমদানি কমিয়েছেন ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে ভালো মানের সোনার দাম বেড়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকায় উঠেছে। এটি দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম। এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর দেশের বাজারে সোনার...
১৭ ঘণ্টা আগে