Ajker Patrika

দারিদ্র্য বিমোচন ও প্রশিক্ষণ ভবন নির্মাণে ৪ কোটি ডলার অনুদান দেবে দ. কোরিয়া

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ৫৪
দারিদ্র্য বিমোচন ও প্রশিক্ষণ ভবন নির্মাণে ৪ কোটি ডলার অনুদান দেবে দ. কোরিয়া
ফাইল ছবি

দুটি উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলাদেশকে প্রায় ৪ কোটি ১৩ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া। এর মধ্যে পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে ৩ কোটি ৯২ লাখ ৮৬ হাজার ডলার এবং চট্টগ্রামে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণে ২০ লাখ ডলার দেওয়া হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সরকার ও দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সির (কোয়িকা) মধ্যে দুটি প্রকল্পের বাস্তবায়নসংক্রান্ত চুক্তি (রেকর্ড অব ডিসকাশন–আরওডি) ও কার্যপরিধি (টার্মস অব রেফারেন্স–টিওআর) সই হয়েছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, ‘এক্স-পোস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট ফর এনহ্যান্সিং দ্য ভকেশনাল ট্রেনিং প্রোগ্রাম অব টিটিসি, চট্টগ্রাম’ প্রকল্পে ২০ লাখ ডলার অনুদান দেবে কোয়িকা। ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)।

প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিকেটিটিসি) জরাজীর্ণ একাডেমিক ভবনের জায়গায় নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। ভবনটি হবে দুই তলা, তবে ছয়তলা ভবন নির্মাণের উপযোগী ভিত্তি রাখা হবে। এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করার পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের (টিভেট) মান উন্নয়নের লক্ষ্য রয়েছে।

অন্যদিকে, ‘সেমাউল প্লাস এন্ড পভার্টি প্রোগ্রাম (এসপিইপিপি) ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার ৩ কোটি ৯২৮ দশমিক ৬ লাখ ডলার অনুদান দেবে। ২০২৬ থেকে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত চলা এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)।

এই প্রকল্পে কোয়িকা দেবে ৩ কোটি ডলার। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার মিনিস্ট্রি অব দ্য ইন্টেরিয়র অ্যান্ড সেফটি (এমওআইএস) ৫৬ লাখ ৮৬ হাজার ডলার এবং রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আরডিএ) ৩৬ লাখ ডলার দেবে।

প্রকল্পটির আওতায় চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা ও ফেনী এবং রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার ১১৪টি নির্বাচিত গ্রামে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। টেকসই পল্লি সম্প্রদায় গড়ে তুলতে সরকার ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে কৃষি প্রযুক্তি ও প্রয়োজনীয় উপকরণের ব্যবহার বাড়ানো এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদনশীলতা ও সহনশীলতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ছাড়া কৃষিপণ্যের মূল্য শৃঙ্খল, বাজারে অংশগ্রহণ এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে পল্লি পরিবারের আয় বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে প্রকল্পটির।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের এশিয়া, জেইসি ও এফঅ্যান্ডএফ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও অনুবিভাগ প্রধান মাছুমা আকতার এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষে কোয়িকার কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম স্বাক্ষর করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত