নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যয় সাশ্রয়ে সরকারের গৃহীত নীতির আলোকে এবার ব্যাংক খাতে খরচ কমানোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং নীতি ও প্রবিধি বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের ২৫ শতাংশ সাশ্রয় করতে বলা হয়েছে। ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে চলতি বছরের শেষ ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এবং আগামী বছরের প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন) আনুপাতিক হারে ব্যয় কমাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে জ্বালানি (পেট্রল, ডিজেল, গ্যাস প্রভৃতি), তেল ও লুব্রিকেন্ট এর জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ হতে কমপক্ষে ২০ শতাংশ ব্যয় কামাতে বলা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে ১০ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয় করতে হবে। আর বাকি ১০ শতাংশ ২০২৩ সালের প্রথম ৬ মাসে কমাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যয় সাশ্রয় সংক্রান্ত যাবতীয় নির্দেশনা সকল তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের প্রদান করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে সকল ব্যাংকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। জ্বালানি খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ হতে যে পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হবে তা কোন অবস্থাতে অন্য খাতে ব্যয় করা যাবে না। এ ছাড়া ব্যয় হ্রাস সংক্রান্ত তথ্য ও কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ব্যাংকসমূহ তাদের প্রধান কার্যালয়ে সংরক্ষণ করবে। ব্যাংকগুলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় সংক্রান্ত সকল তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল পরিচালিত নিরীক্ষাকালে প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ করতে বলা হয়েছে। উল্লেখিত নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করার জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যয় সাশ্রয়ে সরকারের গৃহীত নীতির আলোকে এবার ব্যাংক খাতে খরচ কমানোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং নীতি ও প্রবিধি বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের ২৫ শতাংশ সাশ্রয় করতে বলা হয়েছে। ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে চলতি বছরের শেষ ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এবং আগামী বছরের প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন) আনুপাতিক হারে ব্যয় কমাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে জ্বালানি (পেট্রল, ডিজেল, গ্যাস প্রভৃতি), তেল ও লুব্রিকেন্ট এর জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ হতে কমপক্ষে ২০ শতাংশ ব্যয় কামাতে বলা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে ১০ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয় করতে হবে। আর বাকি ১০ শতাংশ ২০২৩ সালের প্রথম ৬ মাসে কমাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যয় সাশ্রয় সংক্রান্ত যাবতীয় নির্দেশনা সকল তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের প্রদান করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে সকল ব্যাংকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। জ্বালানি খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ হতে যে পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হবে তা কোন অবস্থাতে অন্য খাতে ব্যয় করা যাবে না। এ ছাড়া ব্যয় হ্রাস সংক্রান্ত তথ্য ও কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ব্যাংকসমূহ তাদের প্রধান কার্যালয়ে সংরক্ষণ করবে। ব্যাংকগুলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় সংক্রান্ত সকল তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল পরিচালিত নিরীক্ষাকালে প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ করতে বলা হয়েছে। উল্লেখিত নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করার জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে