নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগামী অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার। বিশাল এ বাজেটে আয় ও ব্যয়ের অঙ্কের বেশ বড় ফারাক রয়েছে। প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকার ঘাটতি পূরণে সরকারকে নির্ভর করতে হচ্ছে ব্যাংক ও বিদেশি ঋণের ওপর। এ জন্য মোটা অঙ্কের সুদও পরিশোধ করতে হবে। আসছে বাজেটে শুধু সুদ পরিশোধ খাতে ৮০ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিশ্ব অর্থনীতির অস্থির পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতির মতো চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেছেন। এ বাজেট দেশের ৫১ তম এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৩ তম।
প্রস্তাবিত বাজেটে সুদ পরিশোধ বাবদ খরচ হবে ৮০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এর মধ্যে ৭৩ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ, আর বিদেশি ঋণের সুদ ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা।
জাতীয় বাজেট সম্পর্কে জানতে: এখানে ক্লিক করুন
প্রস্তাবিত বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতি থাকছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। দেশি-বিদেশি ঋণ থেকে এ অর্থ নেওয়া হবে। ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারকে বেশি নির্ভর করতে হবে ব্যাংকিং খাতের ওপর। এই খাত থেকে নিট ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য দেওয়া হচ্ছে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ পরিমাণ ছিল ৮৭ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা। আর ব্যাংকবহির্ভূত ঋণের মধ্যে শুধু সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরে যা ছিল ৩২ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেওয়া হবে ৯৮ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা। এ জন্য গুনতে হবে বড় অঙ্কের সুদ।
এই সম্পর্কিত পড়ুন:

আগামী অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার। বিশাল এ বাজেটে আয় ও ব্যয়ের অঙ্কের বেশ বড় ফারাক রয়েছে। প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকার ঘাটতি পূরণে সরকারকে নির্ভর করতে হচ্ছে ব্যাংক ও বিদেশি ঋণের ওপর। এ জন্য মোটা অঙ্কের সুদও পরিশোধ করতে হবে। আসছে বাজেটে শুধু সুদ পরিশোধ খাতে ৮০ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিশ্ব অর্থনীতির অস্থির পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতির মতো চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেছেন। এ বাজেট দেশের ৫১ তম এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৩ তম।
প্রস্তাবিত বাজেটে সুদ পরিশোধ বাবদ খরচ হবে ৮০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এর মধ্যে ৭৩ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ, আর বিদেশি ঋণের সুদ ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা।
জাতীয় বাজেট সম্পর্কে জানতে: এখানে ক্লিক করুন
প্রস্তাবিত বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতি থাকছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। দেশি-বিদেশি ঋণ থেকে এ অর্থ নেওয়া হবে। ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারকে বেশি নির্ভর করতে হবে ব্যাংকিং খাতের ওপর। এই খাত থেকে নিট ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য দেওয়া হচ্ছে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ পরিমাণ ছিল ৮৭ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা। আর ব্যাংকবহির্ভূত ঋণের মধ্যে শুধু সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরে যা ছিল ৩২ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেওয়া হবে ৯৮ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা। এ জন্য গুনতে হবে বড় অঙ্কের সুদ।
এই সম্পর্কিত পড়ুন:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
৭ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
২১ ঘণ্টা আগে