Ajker Patrika

জ্বালানিসংকটের কারণ এবং আশু করণীয়

অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম
জ্বালানিসংকটের কারণ এবং আশু করণীয়
ছবি: এআই

দেশের বর্তমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ-সংকট শুধু ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং ইরানে আগ্রাসনের ফল নয়। বিশ্ববাজারের দোহাই দিয়ে বিগত শাসকগোষ্ঠী সংকটের যে বয়ান তৈরি করেছিল, তা সত্যকে আড়াল করার একটি অপচেষ্টামাত্র। প্রকৃত সত্য হলো, দেশের জ্বালানি খাতকে দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতা ব্যবহার করে একটি স্থায়ী লুণ্ঠনের ক্ষেত্রে পরিণত করা হয়েছে। কৌশলগত জায়গা থেকে এই খাতকে পরিকল্পিতভাবে বেসরকারীকরণ করা হয়েছে এবং ন্যায্য ও যৌক্তিক ব্যয়ের নীতি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে জনগণের ওপর দফায় দফায় ট্যারিফ বা মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানো হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় শত শত কোটি টাকা তছরুপ করে অসাধু ব্যবসায়ী ও সুবিধাপ্রাপ্ত একটি বিশেষ গোষ্ঠীর পকেটে ঢোকানো হয়েছে। আর এই লুণ্ঠনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে গিয়ে খাতের বড় বড় কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং বিগত সময়ের রাজনৈতিক নেতারা এক জোট হয়ে একটি শক্তিশালী ‘অলিগার্ক’ বা সুবিধাবাদী চক্র গড়ে তুলেছেন, যা এই খাতকে ভেতর থেকে চুষে খেয়েছে।

এই কাঠামোগত ধ্বংসযজ্ঞের পেছনে রয়েছে সরকারের তীব্র নীতিগত বিভ্রান্তি এবং স্বার্থের সংঘাত। ১৯৯৬ সালে দেশে একটি জ্বালানি নীতি প্রণয়ন করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হলেও তা পরবর্তী সময়ে খাত পরিচালনায় কোনো কাজেই আসেনি। এমনকি ২০০৮ সালের নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি সঠিকভাবে অনুসরণ করা হলে ২০২১ সালের মধ্যেই মোট বিদ্যুতের ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসার কথা ছিল, যা দৃশ্যমান হয়নি। দেশের পারস্পেকটিভ প্ল্যান, মাস্টারপ্ল্যান, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কিংবা উপখাতভিত্তিক নীতিমালাগুলোর মধ্যে কোনো পারস্পরিক সামঞ্জস্য নেই এবং এগুলো চূড়ান্তভাবে জনস্বার্থের পরিপন্থী। সবচেয়ে বড় গলদ হলো, এই পলিসিগুলো তৈরি করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগ এবং বাস্তবায়নের দায়িত্বও থাকে তাদেরই হাতে। ফলে নীতিপ্রণেতারাই যখন বাস্তবায়নকারী ও নিয়ন্ত্রক হয়ে বসেন, তখন সেখানে তীব্র স্বার্থের সংঘাত তৈরি হয় এবং বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ জবাবদিহিহীন ও নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থাকে (জাইকা) দিয়ে যে উন্নয়ন মহাপরিকল্পনাগুলো তৈরি করা হয়েছিল, সেগুলোও মূলত এমনভাবে সাজানো হয়, যেন বিদেশি ঠিকাদার ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানসমূহের ব্যবসা সম্প্রসারিত হয় এবং প্রতিযোগিতাহীন বিনিয়োগের মাধ্যমে বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ সুরক্ষিত হয়।

বাজারের এই প্রতিযোগিতাহীন পরিবেশ পুরো জ্বালানি খাতকে একটি সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি করে ফেলেছে। ২০১০ সালে প্রণীত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ (বিশেষ বিধান) আইন’-এর অপব্যবহার করে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ছাড়াই দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও লাইসেন্স দেওয়ার একচেটিয়া সুযোগ তৈরি করা হয়। ফলে ২০১২ সালের ‘প্রতিযোগিতা কমিশন আইন’ এই খাতে সম্পূর্ণ কার্যকারিতা হারায়। যখন বাজারে কোনো প্রতিযোগিতা থাকে না, তখন বাজারমূল্য নির্ধারণের স্বাভাবিক ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং তা একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর একক কর্তৃত্বে চলে যায়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আইন, ২০০৩ অনুযায়ী, স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে গণশুনানির মাধ্যমে মূল্য নির্ধারণের আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও ২০২৩ সালে আইন সংশোধন করে গণশুনানি ছাড়াই সরাসরি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়। ফলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং জ্বালানি বিভাগ নিজেদের ইচ্ছেমতো সরবরাহ ব্যয় বাড়িয়ে ভোক্তাদের ওপর অন্যায্য মূল্যের বোঝা চাপানোর সুযোগ পায়। হাইকোর্টের রায়েও বিইআরসির এই নিষ্ক্রিয়তাকে বেআইনি বলা হয়েছে। অথচ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে যাঁরা এই সংস্থা বা কোম্পানিগুলো পরিচালনা করেন, তাঁরা করপোরেট কালচারের নামে লভ্যাংশ ও প্রফিট বোনাস হাতিয়ে নিচ্ছেন, যা রাষ্ট্রমালিকানাধীন জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের দর্শনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

দুর্নীতির এই রূপরেখা লক্ষ করলে দেখা যায়, স্বাধীনতার পর চুরির ঘটনাগুলো মূলত মাঠপর্যায়ে বা সিস্টেম লসের (যেমন অবৈধ সংযোগ, তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ চুরি, বা ম্যানেজার ও এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার পর্যায়ে ঘুষের লেনদেন) মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, যা ছিল ক্ষুদ্র পর্যায়ের দুর্নীতি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রূপপুর ও রামপালের মতো বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মহাদুর্নীতির ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, রূপপুরে বিদ্যুতের দাম আগে যেখানে ছয় টাকা ধরা হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে তা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে হাজার হাজার কিলোমিটার বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও পিলার নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে আদতে সরবরাহ করার মতো বিদ্যুৎই উৎপাদিত হচ্ছিল না; এটি মূলত ঠিকাদার ও কমিশনভোগী প্রভাবশালী মহলের পকেট ভারী করার একটি বিশাল অপচয় ছিল।

পরিকল্পনাহীন ও লুণ্ঠনমুখী উন্নয়নের আরও বড় প্রমাণ হলো, সাতক্ষীরায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে গ্যাসলাইন নির্মাণ করার পর সেখানে কোনো গ্যাসই সরবরাহ করা হয়নি এবং সেই পাইপলাইন এখন আন্ডারগ্রাউন্ডে তলিয়ে গেছে। একইভাবে ভেড়ামারা থেকে খুলনায় যে গ্যাস ট্রান্সমিশন পাইপলাইন নেওয়া হয়েছে, সেখানেও কোনো দিন গ্যাস যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে, দেশীয় সক্ষম প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে সম্পূর্ণ অবমূল্যায়ন করে আড়াই থেকে তিন গুণ বেশি খরচে বিদেশি কোম্পানি দিয়ে গ্যাস তোলার চুক্তি করা হয়েছে। বাপেক্সের নিজস্ব বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীদের তীব্র আপত্তি ও সতর্কতা উপেক্ষা করে ‘মাগনামা-২’ কূপ খনন করে ২৬২ কোটি টাকা সম্পূর্ণ তছরুপ করা হয়েছে, যার সঙ্গে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং তৎকালীন সচিব সরাসরি জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকা শহরের বাসাবাড়িতে সরবরাহ করা গ্যাসের প্রায় ৪০ শতাংশ চুরি ও অপচয় হচ্ছে এবং তা বন্ধে প্রিপেইড মিটার দেওয়ার নামে ১০ ডলারের নিম্নমানের মিটার ২৫ ডলারে ভোক্তাদের গছিয়ে দিয়ে প্রতি মাসে ১০০ টাকা করে ভাড়া আদায়ের আরেকটি স্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এই সামগ্রিক সংকটের আসল কারণ হলো, আমদানিনির্ভরতা এবং ক্যাপাসিটি চার্জের ফাঁদ। নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের কোনো আন্তরিক চেষ্টাই বিগত সরকারগুলো করেনি। ২০১৬ সালের পর থেকে নীতিনির্ধারকেরা প্রচার করতে শুরু করেন যে দেশে আর গ্যাস নেই, যা ছিল সম্পূর্ণ অসত্য। দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে যে গ্যাস মাত্র ১ টাকা ৩ পয়সা ঘনমিটার দরে পাওয়া সম্ভব ছিল, তা না তুলে স্পট মার্কেট থেকে ৮৩ টাকা দরে এলএনজি আমদানি করা হয়েছে। এমনকি এলএনজি টার্মিনালে সেবা চার্জ বাবদ অতিরিক্ত ২ টাকা ১৫ পয়সা দেওয়া হচ্ছে। দেশীয় কোম্পানির গ্যাস উৎপাদনের জন্য তহবিলে প্রতি মাসে জনগণের দেওয়া দেড় হাজার কোটি টাকা জমা থাকা সত্ত্বেও, তার মাত্র ৩৫ শতাংশ খরচ করা হয়েছে এবং অব্যবহৃত ৩ হাজার কোটি টাকা উল্টো সরকারকে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রেও একই নাটকীয়তা দেখা গেছে। বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতে ৯২ টাকা লিটার উচ্চমূল্যের ফার্নেস অয়েল আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যেখানে সমুদয় তেল সরকারি প্রতিষ্ঠান বিপিসির মাধ্যমে আমদানি করলে বছরে অন্তত ৮ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হতো। দেশের নিজস্ব অত্যন্ত সাশ্রয়ী কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতার মাত্র ৩৬ থেকে ৩৮ শতাংশ ব্যবহার করা হচ্ছে। ভোলার কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালাতে সবচেয়ে কম খরচ হয়, কিন্তু রহস্যজনকভাবে গভীর রাতে ফোন করে সেই সরকারি সাশ্রয়ী ইউনিট বন্ধ রেখে চড়া মূল্যের বেসরকারি রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ কেনার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল সেই সময়। এভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেই বসিয়ে রাখা বেসরকারি কেন্দ্রগুলোকে বছরে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ বা কেন্দ্র ভাড়া হিসেবে জনগণের টাকা বিলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই দীর্ঘমেয়াদি এবং পদ্ধতিগত লুণ্ঠনের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে এবং সাধারণ জনগণের ভোগান্তি কমাতে জরুরি করণীয় হলো, ভোক্তাদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘ক্যাবের’ নিখুঁত হিসাব অনুযায়ী, বিদ্যুৎ খাতের অন্যায্য ব্যয় ও অনিয়ম বন্ধ করতে বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৪ টাকা কমানো সম্ভব, যা একধাক্কায় দেশের প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করবে। এরপর বেসরকারি খাতের চড়া মূল্যের এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর লাইসেন্স অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। দেশের নিজস্ব কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা যদি ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ব্যবহার করা যায়, তবে ভারতের আদানি থেকে চড়া মূল্যে বিদ্যুৎ আমদানির আর কোনো প্রয়োজনীয়তাই থাকবে না এবং উৎপাদন খরচ একলাফে কমে আসবে। তারপর দেশের নিজস্ব খনিজ সম্পদ ব্যবহারে অবিলম্বে জোর দিতে হবে। ছাতক ইস্ট গ্যাস কূপে সম্পূর্ণ খাঁটি গ্যাস মজুত রয়েছে, তাই সরকারকে এখনই বাপেক্সকে নির্দেশ দিতে হবে সেখান থেকে গ্যাস উত্তোলনের জন্য। যেহেতু গ্যাস উন্নয়ন তহবিলে বিপুল অর্থ অলস পড়ে আছে, তাই এর জন্য সরকারকে কোনো বাড়তি টাকাও খরচ করতে হবে না। একইভাবে ভোলার উদ্বৃত্ত গ্যাস ব্যবহার করে স্থানীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে হবে। এর ফলে ঢাকা, ঈশ্বরদী ও আশুগঞ্জ থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ কম নেওয়া লাগবে, সেই সাশ্রয় হওয়া উদ্বৃত্ত গ্যাস দিয়ে দেশের প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কলকারখানাগুলো সচল করা যাবে; এতে ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানির প্রয়োজনীয়তা পুরোপুরি ফুরিয়ে যাবে।

সবচেয়ে জরুরি হলো, নির্বাহী আদেশে বা আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্তে দাম বাড়ানোর অবৈধ প্রক্রিয়া বন্ধ করে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণের একক আইনি ক্ষমতা বিইআরসিকে ফিরিয়ে দিতে হবে এবং তা অবশ্যই গণশুনানির মাধ্যমে উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় করতে হবে। স্বার্থের সংঘাত দূর করতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কোনো কর্মকর্তা বা আমলা লাইসেন্সধারী কোনো কোম্পানির পরিচালনা বোর্ডে চেয়ারম্যান বা পরিচালক হিসেবে থাকতে পারবেন না।

সবচেয়ে জরুরি কর্তব্য হলো, জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে যারা এই জনকল্যাণমূলক খাতকে লুণ্ঠনের ক্ষেত্রে পরিণত করেছে, তাদের বিচার করতে হবে। ভবিষ্যতে দেশবিরোধী কোনো নীতি গ্রহণ করা হবে না। একটি জাতি যখন সম্মিলিতভাবে বড় কোনো দুর্যোগ বা বিপর্যয় মোকাবিলা করে, তখন তার চেতনায় ও সংস্কৃতিতে এক বিশাল ইতিবাচক রূপান্তর ঘটে। এই সংকটকে সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করে ধনী-দরিদ্রনির্বিশেষে ত্যাগের সমান বণ্টনের মাধ্যমে দেশকে একটি উন্নত ও আত্মনির্ভরশীল জাতিতে পরিণত করার ঐতিহাসিক সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত