ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে কালো সোনা নামে পরিচিত পেঁয়াজ বীজ চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা। গত কয়েক বছরে ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় এবার বীজ চাষে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে চাষিদের। উৎপাদিত এসব বীজ জেলার চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
জেলা কৃষি বিভাগ বলছে, কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় জেলায় প্রতি বছরই বাড়ছে পেঁয়াজ বীজের উৎপাদন। দাম বেশি হওয়ায় এ বীজকে কৃষকেরা তুলনা করছেন সোনার সঙ্গে।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) আলমগীর কবির বলেন, চলতি মৌসুমে ৭৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ বীজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ৪৬ হেক্টর বেশি। প্রতি হেক্টরে ৯০০ কেজি বীজ হলে এ বছর প্রায় ৬৮ দশমিক ৪ মেট্রিকটন বীজ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।
জেলার সদর উপজেলা ও হরিপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ফসলি মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠজুড়ে বাতাসে দোল খাচ্ছে সাদা রঙের পেঁয়াজ ফুল। আর কৃত্রিমভাবে পেঁয়াজের ফুলে পরাগায়ন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক।
সদর উপজেলার আখানগর বাজার এলাকায় প্রায় সাড়ে ৮ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে পেঁয়াজের চাষ করেছেন ওই গ্রামের আরশেদ আলী। কৃষক আরশেদ আলী বলেন, ‘এ বছর বিঘা প্রতি বীজ, সার, কীটনাশক, মজুরি ও চাষাবাদসহ খরচ হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। ৮ বিঘা জমি থেকে ৫০ মণ বীজ উৎপাদন করে প্রায় ১ কোটি টাকার ওপরে বিক্রি করতে পারব।’
উপজেলার ইয়াকুবপুর গ্রামের চাষি আব্দুল হাই বলেন, ‘এ বছর আমি ৩ একর জমিতে কালো সোনা পেঁয়াজের বীজ চাষ করেছি। সব মিলিয়ে ১০০ শতাংশ জমিতে আমার ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বিঘা প্রতি প্রায় ১০০ কেজি বীজ পাব বলে আশা করছি। গত বছর মানভেদে বিক্রি করেছি ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা কেজি দরে।’
হরিপুর উপজেলার কাঁঠালডাঙ্গী এলাকার পেঁয়াজ চাষি স্বপন কুমার বলেন, অন্য কোনো ফসলে এমন লাভ করা যায় না। পেঁয়াজের বীজের কালো দানা আমাদের এলাকার কালো সোনা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। বাজারে যে পরিমাণ দাম পাওয়া যাচ্ছে এতে এ পেঁয়াজ বীজ আমাদের কাছে সোনার মতোই মূল্যবান।
স্বপন কুমারের জমিতে বীজ পরিচর্যায় নিয়োজিত শ্রমিক হরপা রায়, বিশ্বনাথ ও সুশিল বলেন, পেঁয়াজ বীজ পরায়ণ থেকে শুরু করে সংগ্রহ পর্যন্ত প্রচুর কাজ থাকে। এ সময় ভালো আয় হয় তাঁদের।

ঠাকুরগাঁওয়ে কালো সোনা নামে পরিচিত পেঁয়াজ বীজ চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা। গত কয়েক বছরে ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় এবার বীজ চাষে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে চাষিদের। উৎপাদিত এসব বীজ জেলার চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
জেলা কৃষি বিভাগ বলছে, কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় জেলায় প্রতি বছরই বাড়ছে পেঁয়াজ বীজের উৎপাদন। দাম বেশি হওয়ায় এ বীজকে কৃষকেরা তুলনা করছেন সোনার সঙ্গে।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) আলমগীর কবির বলেন, চলতি মৌসুমে ৭৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ বীজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ৪৬ হেক্টর বেশি। প্রতি হেক্টরে ৯০০ কেজি বীজ হলে এ বছর প্রায় ৬৮ দশমিক ৪ মেট্রিকটন বীজ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।
জেলার সদর উপজেলা ও হরিপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ফসলি মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠজুড়ে বাতাসে দোল খাচ্ছে সাদা রঙের পেঁয়াজ ফুল। আর কৃত্রিমভাবে পেঁয়াজের ফুলে পরাগায়ন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক।
সদর উপজেলার আখানগর বাজার এলাকায় প্রায় সাড়ে ৮ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে পেঁয়াজের চাষ করেছেন ওই গ্রামের আরশেদ আলী। কৃষক আরশেদ আলী বলেন, ‘এ বছর বিঘা প্রতি বীজ, সার, কীটনাশক, মজুরি ও চাষাবাদসহ খরচ হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। ৮ বিঘা জমি থেকে ৫০ মণ বীজ উৎপাদন করে প্রায় ১ কোটি টাকার ওপরে বিক্রি করতে পারব।’
উপজেলার ইয়াকুবপুর গ্রামের চাষি আব্দুল হাই বলেন, ‘এ বছর আমি ৩ একর জমিতে কালো সোনা পেঁয়াজের বীজ চাষ করেছি। সব মিলিয়ে ১০০ শতাংশ জমিতে আমার ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বিঘা প্রতি প্রায় ১০০ কেজি বীজ পাব বলে আশা করছি। গত বছর মানভেদে বিক্রি করেছি ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা কেজি দরে।’
হরিপুর উপজেলার কাঁঠালডাঙ্গী এলাকার পেঁয়াজ চাষি স্বপন কুমার বলেন, অন্য কোনো ফসলে এমন লাভ করা যায় না। পেঁয়াজের বীজের কালো দানা আমাদের এলাকার কালো সোনা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। বাজারে যে পরিমাণ দাম পাওয়া যাচ্ছে এতে এ পেঁয়াজ বীজ আমাদের কাছে সোনার মতোই মূল্যবান।
স্বপন কুমারের জমিতে বীজ পরিচর্যায় নিয়োজিত শ্রমিক হরপা রায়, বিশ্বনাথ ও সুশিল বলেন, পেঁয়াজ বীজ পরায়ণ থেকে শুরু করে সংগ্রহ পর্যন্ত প্রচুর কাজ থাকে। এ সময় ভালো আয় হয় তাঁদের।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৭ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৭ ঘণ্টা আগে