বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে নিজেকে বিদ্রোহী প্রার্থী ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম। গতকাল শুক্রবার রাত ১১টায় বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তা মোড়ে তিনি এ ঘোষণা দেন। ঘোষণার পর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং মিষ্টি বিতরণ করেন।
জানা গেছে, ঢাকা থেকে শুক্রবার রাত ১১টায় ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তায় পৌঁছান বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। সেখানে আগে থেকেই শতাধিক কর্মী-সমর্থক তাঁকে বরণ করার জন্য উপস্থিত ছিলেন। গাড়ি থেকে নেমেই তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে নিজেকে বিদ্রোহী প্রার্থী ঘোষণা করেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম। কেন্দ্রে পাঠানো তালিকায় আমার নাম ছিল। দলীয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মনোনয়ন না পেলেও স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের সমর্থন রয়েছে। তাঁদের আস্থা ও ভালোবাসার কথা চিন্তা করে আমি নির্বাচনে অংশ নেব। নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করে সবাইকে মিষ্টি মুখ করালাম।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ৬নং ভানোর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন ৮ জন। তাঁরা হলেন-ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলওয়ার হোসেন সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অপূর্ব কুমার রায়, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহাব সরকার, ভানোর টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন, হলদিবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা মনিরুজ্জামান পুতুল। এর মধ্যে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহাব দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তৃতীয় ধাপে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আট ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে গতকাল শুক্রবার।

দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে নিজেকে বিদ্রোহী প্রার্থী ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম। গতকাল শুক্রবার রাত ১১টায় বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তা মোড়ে তিনি এ ঘোষণা দেন। ঘোষণার পর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং মিষ্টি বিতরণ করেন।
জানা গেছে, ঢাকা থেকে শুক্রবার রাত ১১টায় ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তায় পৌঁছান বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। সেখানে আগে থেকেই শতাধিক কর্মী-সমর্থক তাঁকে বরণ করার জন্য উপস্থিত ছিলেন। গাড়ি থেকে নেমেই তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে নিজেকে বিদ্রোহী প্রার্থী ঘোষণা করেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম। কেন্দ্রে পাঠানো তালিকায় আমার নাম ছিল। দলীয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মনোনয়ন না পেলেও স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের সমর্থন রয়েছে। তাঁদের আস্থা ও ভালোবাসার কথা চিন্তা করে আমি নির্বাচনে অংশ নেব। নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করে সবাইকে মিষ্টি মুখ করালাম।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ৬নং ভানোর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন ৮ জন। তাঁরা হলেন-ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলওয়ার হোসেন সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অপূর্ব কুমার রায়, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহাব সরকার, ভানোর টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন, হলদিবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা মনিরুজ্জামান পুতুল। এর মধ্যে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহাব দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তৃতীয় ধাপে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আট ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে গতকাল শুক্রবার।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে