ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বরদেশ্বরী এলাকায় একসময় শুধু ধানের আবাদ হতো। এতে লাভ তো দূরের কথা, খরচই ওঠাতে পারতেন না কৃষকেরা। এখন ধানের জমিতে চাষ হচ্ছে চালকুমড়া। ধানের চেয়ে এটি লাভজনক হওয়ায় চালকুমড়া চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। তবে কৃষকদের অভিযোগ, মধ্যস্বত্বভোগী ও ব্যাপারীদের দৌরাত্ম্যে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি ন্যায্যমূল্য দেওয়ার।
আজ শুক্রবার বরদেশ্বরী বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, আশপাশের বিভিন্ন এলাকার খেতের চালকুমড়া রপ্তানির উদ্দেশ্যে বাজারের এক কোণে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। পরে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ট্রাকে করে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।
বরদেশ্বরী গ্রামের ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ এলাকা থেকে প্রতিবছর চালকুমড়া কিনে ঢাকার সবজির আড়তে পাঠাই। গত এক মাস থেকে প্রায় ১০ থেকে ১৫টি ট্রাকে করে চালকুমড়া পাঠাচ্ছি। প্রতিটি চালকুমড়া ৩০ থেকে ৩২ টাকা দরে কৃষকদের কাছ থেকে কিনেছি।’
সদর উপজেলার গড়েয়ার লসকরা গ্রামের কৃষক আবদুল হামিদ বলেন, এলাকার কুমড়া ট্রাকে করে চলে যায় বরিশালে। সেখানে প্রতিটি কুমড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হয়। অথচ কৃষকেরা পাইকারি আড়তদার ও ব্যাপারীদের কাছে ৩০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। কৃষকের অনেক কষ্টে উৎপাদিত সবজির লাভের বড় অংশ চলে যাচ্ছে এ সিন্ডিকেটের পকেটে।
একই এলাকার কৃষক রশিদুল বলেন, ‘এ বছর কুমড়া চাষের ফলন ভালো হলেও কৃষকেরা হাড়ভাঙা খাটুনির পর উৎপাদিত ফসল বিক্রি করে প্রকৃত মুনাফা পান না। তাই ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রির দাবি জানাই সরকারের কাছে।’
সিংগিয়া গ্রামের কৃষক হাসিনুর ইসলাম জানান, কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তিনি ৫০ শতক জমিতে কুমড়া চাষ করেছেন। এতে তাঁর খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। ফলন পেয়েছেন ১ হাজারটি। খরচ বাদ দিয়ে ১ লাখ টাকা লাভ হয়েছে। এখন তিনি ওই জমিতে আমন ধান চাষ করবেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এ বছর জেলায় মোট ৩ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে করলা, চালকুমড়াসহ বিভিন্ন প্রকারের সবজি আবাদ হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ সিরাজুল ইসলাম জানান, ধান চাষের চেয়ে কুমড়া চাষে খরচ কম। তাই কৃষকদের কুমড়া চাষে আগ্রহ বেড়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে তাঁদের নিয়মিত বিভিন্ন পরামর্শ ও সহযোগিতা দেয়া হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বরদেশ্বরী এলাকায় একসময় শুধু ধানের আবাদ হতো। এতে লাভ তো দূরের কথা, খরচই ওঠাতে পারতেন না কৃষকেরা। এখন ধানের জমিতে চাষ হচ্ছে চালকুমড়া। ধানের চেয়ে এটি লাভজনক হওয়ায় চালকুমড়া চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। তবে কৃষকদের অভিযোগ, মধ্যস্বত্বভোগী ও ব্যাপারীদের দৌরাত্ম্যে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি ন্যায্যমূল্য দেওয়ার।
আজ শুক্রবার বরদেশ্বরী বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, আশপাশের বিভিন্ন এলাকার খেতের চালকুমড়া রপ্তানির উদ্দেশ্যে বাজারের এক কোণে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। পরে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ট্রাকে করে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।
বরদেশ্বরী গ্রামের ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ এলাকা থেকে প্রতিবছর চালকুমড়া কিনে ঢাকার সবজির আড়তে পাঠাই। গত এক মাস থেকে প্রায় ১০ থেকে ১৫টি ট্রাকে করে চালকুমড়া পাঠাচ্ছি। প্রতিটি চালকুমড়া ৩০ থেকে ৩২ টাকা দরে কৃষকদের কাছ থেকে কিনেছি।’
সদর উপজেলার গড়েয়ার লসকরা গ্রামের কৃষক আবদুল হামিদ বলেন, এলাকার কুমড়া ট্রাকে করে চলে যায় বরিশালে। সেখানে প্রতিটি কুমড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হয়। অথচ কৃষকেরা পাইকারি আড়তদার ও ব্যাপারীদের কাছে ৩০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। কৃষকের অনেক কষ্টে উৎপাদিত সবজির লাভের বড় অংশ চলে যাচ্ছে এ সিন্ডিকেটের পকেটে।
একই এলাকার কৃষক রশিদুল বলেন, ‘এ বছর কুমড়া চাষের ফলন ভালো হলেও কৃষকেরা হাড়ভাঙা খাটুনির পর উৎপাদিত ফসল বিক্রি করে প্রকৃত মুনাফা পান না। তাই ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রির দাবি জানাই সরকারের কাছে।’
সিংগিয়া গ্রামের কৃষক হাসিনুর ইসলাম জানান, কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তিনি ৫০ শতক জমিতে কুমড়া চাষ করেছেন। এতে তাঁর খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। ফলন পেয়েছেন ১ হাজারটি। খরচ বাদ দিয়ে ১ লাখ টাকা লাভ হয়েছে। এখন তিনি ওই জমিতে আমন ধান চাষ করবেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এ বছর জেলায় মোট ৩ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে করলা, চালকুমড়াসহ বিভিন্ন প্রকারের সবজি আবাদ হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ সিরাজুল ইসলাম জানান, ধান চাষের চেয়ে কুমড়া চাষে খরচ কম। তাই কৃষকদের কুমড়া চাষে আগ্রহ বেড়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে তাঁদের নিয়মিত বিভিন্ন পরামর্শ ও সহযোগিতা দেয়া হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে