বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

এক পা নেই বৃদ্ধ হিসাব উদ্দীনের (৬০)। তারপরও ২ হাজার টাকা বেতনে একটি চাতাল পাহারা এবং ছেলেকে নিয়ে অন্যের জমি বর্গায় চাষাবাদ করে দিন যাচ্ছিল তাঁর। কিন্তু আগুনে নিমেষে ধ্বংস হয়ে গেল তাঁর তিলে তিলে গড়া ঘরবাড়ি। সবকিছু হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে পরিবারটি।
ঘটনার বিহ্বলতায় হিসাব উদ্দীনের স্ত্রী মাসুদা বেগম অজ্ঞান হয়ে যান। পরে তাঁকে ভর্তি করা হয় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের লালাপুর শুকানিপাড়া গ্রামে বাড়ি হিসাব উদ্দীনের।
আজ সোমবার সকালে আগুনে পুড়েছে তাঁর বাড়ির সবকিছু। তিনিসহ ৯টি পরিবারের আসবাব, ধান, ভুট্টা, চাল, নগদ টাকাসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
হিসাব উদ্দীন বলেন, ‘মোর সব শেষ হই গেইছে, কিছু বাঁচাবা পারুনি, মোর তো একখান পা নাই। মোর স্ত্রী আগিন দেখে অজ্ঞান, ওয়াক হাসপাতালত ভর্তি করিবা হইছে। রোজাডা কেংকরে খুলিম সানকে (সন্ধ্যায়), ওইডারও কোনো বুদ্ধি নাই।’
ক্ষতিগ্রস্ত এক পরিবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী রুপালি আক্তার বলেন, ‘আমার পড়ার বইটা পর্যন্ত বাঁচাতে পারিনি। সব পুড়ে গেছে। ঈদের পরে পরীক্ষা। বাবা দিনমজুর। বই কিনে দিবে, নাকি বাড়ি ঘর ঠিক করবে।’
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার শফিউল্লাহ বসুনিয়া জানান, রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত। প্রচণ্ড রোদ ও বাতাস থাকায় দ্রুত ছড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পাওয়ামাত্র ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। বাতাস না হলে আগুন এত দূর পর্যন্ত ছড়াত না।’

দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি পরিদর্শন করেছেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পলাশ কুমার দেবনাথ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সামিয়েল মার্ডি প্রমুখ।
ইউএনও পলাশ কুমার দেবনাথ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল, কম্বল ও নগদ টাকা প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসককে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরে আরও সহযোগিতা করা হবে।
এদিকে বড়বাড়ী ইউনিয়নের রূপগঞ্জে একই সময় আগুনে গমখেত পুড়েছে কয়েকজন কৃষকের।

এক পা নেই বৃদ্ধ হিসাব উদ্দীনের (৬০)। তারপরও ২ হাজার টাকা বেতনে একটি চাতাল পাহারা এবং ছেলেকে নিয়ে অন্যের জমি বর্গায় চাষাবাদ করে দিন যাচ্ছিল তাঁর। কিন্তু আগুনে নিমেষে ধ্বংস হয়ে গেল তাঁর তিলে তিলে গড়া ঘরবাড়ি। সবকিছু হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে পরিবারটি।
ঘটনার বিহ্বলতায় হিসাব উদ্দীনের স্ত্রী মাসুদা বেগম অজ্ঞান হয়ে যান। পরে তাঁকে ভর্তি করা হয় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের লালাপুর শুকানিপাড়া গ্রামে বাড়ি হিসাব উদ্দীনের।
আজ সোমবার সকালে আগুনে পুড়েছে তাঁর বাড়ির সবকিছু। তিনিসহ ৯টি পরিবারের আসবাব, ধান, ভুট্টা, চাল, নগদ টাকাসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
হিসাব উদ্দীন বলেন, ‘মোর সব শেষ হই গেইছে, কিছু বাঁচাবা পারুনি, মোর তো একখান পা নাই। মোর স্ত্রী আগিন দেখে অজ্ঞান, ওয়াক হাসপাতালত ভর্তি করিবা হইছে। রোজাডা কেংকরে খুলিম সানকে (সন্ধ্যায়), ওইডারও কোনো বুদ্ধি নাই।’
ক্ষতিগ্রস্ত এক পরিবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী রুপালি আক্তার বলেন, ‘আমার পড়ার বইটা পর্যন্ত বাঁচাতে পারিনি। সব পুড়ে গেছে। ঈদের পরে পরীক্ষা। বাবা দিনমজুর। বই কিনে দিবে, নাকি বাড়ি ঘর ঠিক করবে।’
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার শফিউল্লাহ বসুনিয়া জানান, রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত। প্রচণ্ড রোদ ও বাতাস থাকায় দ্রুত ছড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পাওয়ামাত্র ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। বাতাস না হলে আগুন এত দূর পর্যন্ত ছড়াত না।’

দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি পরিদর্শন করেছেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পলাশ কুমার দেবনাথ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সামিয়েল মার্ডি প্রমুখ।
ইউএনও পলাশ কুমার দেবনাথ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল, কম্বল ও নগদ টাকা প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসককে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরে আরও সহযোগিতা করা হবে।
এদিকে বড়বাড়ী ইউনিয়নের রূপগঞ্জে একই সময় আগুনে গমখেত পুড়েছে কয়েকজন কৃষকের।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে