ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

খরা আর প্রখর দাবদাহে পুড়ছিল ঠাকুরগাঁও। মাঠ-ঘাট, মানুষ-প্রাণী—সব যেন ক্লান্ত, শ্রান্ত। ঠিক এমন এক সময়ে স্বস্তির বার্তা নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে নেমে এলো বৃষ্টি। দুপুর ১২টার পর থেকেই আকাশ কালো হয়ে আসে, এরপরই নামে একটানা মুষলধারে বৃষ্টি। মুহূর্তেই বদলে যায় পরিবেশের চিত্র—প্রাণ জুড়ায় শহর থেকে গ্রামান্তর।
গত এক মাস ধরে তীব্র খরায় গাছ শুকিয়ে যাচ্ছিল, ফসলের মাঠে দেখা দিয়েছিল পানিশূন্যতা। কৃষকরা তাকিয়ে ছিলেন আকাশের দিকে। অবশেষে বহু প্রতীক্ষার সেই বৃষ্টি নামায় যেন হাসি ফুটেছে সবার মুখে।
সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা নসিরুল আলম বলেন, “এই বৃষ্টি আমন চাষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকরা আমন বীজতলা তৈরির জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন এখন। জমি চাষ উপযোগী হয়ে উঠবে, যা কৃষকদের স্বস্তি দিয়েছে। ”
শুধু কৃষিই নয়, স্বস্তি এসেছে স্বাস্থ্যখাতে। ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রকিবুল আলম চয়ন বলেন, “গরমজনিত কারণে হিট এক্সহশন, ডায়রিয়া, মাথা ঘোরা নিয়ে প্রতিদিন বহু রোগী আসছিলেন। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা কিছুটা কমবে, তবে সবাইকে এখনো সচেতন থাকতে হবে। ”
বালিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল কুদ্দুস জানান, “আসলে মনে হচ্ছিল আর সহ্য করা যাবে না। এই বৃষ্টি আল্লাহর রহমত ছাড়া আর কিছু নয়। ”
বালিয়াডাঙ্গীর কৃষক মনোয়ার হোসেন বলেন, “জমি চাষের উপযোগী সময় এখন। বৃষ্টি যদি কিছুদিন থাকে, তাহলে আমরা ঠিক সময়ে আমনের বীজ বপন করতে পারব। ”
শহরের রিকশাচালক মুকুল রানা জানান, “এই কয়দিন রোদে রিকশা চালানো মানে আগুনে পড়া। আজকের বৃষ্টিতে মনে হলো আবার বাঁচলাম। ”
দিনমজুর হাসিনা খাতুন বলেন, “বৃষ্টিতে ভিজে গেছি ঠিকই, কিন্তু শরীরটা যেন হালকা হয়ে গেল। এমন স্বস্তি অনেক দিন ধরে পাইনি।”
তবে ঠাকুরগাঁও আবহাওয়া অফিসে বৃষ্টিপাত মাপার উপকরণ না থাকায় নির্ভুল পরিমাণ জানানো সম্ভব হয়নি। তবু শহর থেকে গ্রাম—সবার মনে একটাই কামনা: এই বৃষ্টি যেন টিকে থাকে আরও কিছুদিন।

খরা আর প্রখর দাবদাহে পুড়ছিল ঠাকুরগাঁও। মাঠ-ঘাট, মানুষ-প্রাণী—সব যেন ক্লান্ত, শ্রান্ত। ঠিক এমন এক সময়ে স্বস্তির বার্তা নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে নেমে এলো বৃষ্টি। দুপুর ১২টার পর থেকেই আকাশ কালো হয়ে আসে, এরপরই নামে একটানা মুষলধারে বৃষ্টি। মুহূর্তেই বদলে যায় পরিবেশের চিত্র—প্রাণ জুড়ায় শহর থেকে গ্রামান্তর।
গত এক মাস ধরে তীব্র খরায় গাছ শুকিয়ে যাচ্ছিল, ফসলের মাঠে দেখা দিয়েছিল পানিশূন্যতা। কৃষকরা তাকিয়ে ছিলেন আকাশের দিকে। অবশেষে বহু প্রতীক্ষার সেই বৃষ্টি নামায় যেন হাসি ফুটেছে সবার মুখে।
সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা নসিরুল আলম বলেন, “এই বৃষ্টি আমন চাষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকরা আমন বীজতলা তৈরির জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন এখন। জমি চাষ উপযোগী হয়ে উঠবে, যা কৃষকদের স্বস্তি দিয়েছে। ”
শুধু কৃষিই নয়, স্বস্তি এসেছে স্বাস্থ্যখাতে। ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রকিবুল আলম চয়ন বলেন, “গরমজনিত কারণে হিট এক্সহশন, ডায়রিয়া, মাথা ঘোরা নিয়ে প্রতিদিন বহু রোগী আসছিলেন। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা কিছুটা কমবে, তবে সবাইকে এখনো সচেতন থাকতে হবে। ”
বালিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল কুদ্দুস জানান, “আসলে মনে হচ্ছিল আর সহ্য করা যাবে না। এই বৃষ্টি আল্লাহর রহমত ছাড়া আর কিছু নয়। ”
বালিয়াডাঙ্গীর কৃষক মনোয়ার হোসেন বলেন, “জমি চাষের উপযোগী সময় এখন। বৃষ্টি যদি কিছুদিন থাকে, তাহলে আমরা ঠিক সময়ে আমনের বীজ বপন করতে পারব। ”
শহরের রিকশাচালক মুকুল রানা জানান, “এই কয়দিন রোদে রিকশা চালানো মানে আগুনে পড়া। আজকের বৃষ্টিতে মনে হলো আবার বাঁচলাম। ”
দিনমজুর হাসিনা খাতুন বলেন, “বৃষ্টিতে ভিজে গেছি ঠিকই, কিন্তু শরীরটা যেন হালকা হয়ে গেল। এমন স্বস্তি অনেক দিন ধরে পাইনি।”
তবে ঠাকুরগাঁও আবহাওয়া অফিসে বৃষ্টিপাত মাপার উপকরণ না থাকায় নির্ভুল পরিমাণ জানানো সম্ভব হয়নি। তবু শহর থেকে গ্রাম—সবার মনে একটাই কামনা: এই বৃষ্টি যেন টিকে থাকে আরও কিছুদিন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে