টাঙ্গাইল ও ভূঞাপুর প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলে যমুনাসহ সব কটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, ঝিনাই নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১০০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে ও ধলেশ্বরীর পানি ১৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ব্যাপকভাবে পানি বৃদ্ধির ফলে টাঙ্গাইল সদর, গোপালপুর, ভূঞাপুর, কালিহাতী, নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। সড়ক ভেঙে ও বাঁধ উপচে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পানির তীব্র স্রোতে ভূঞাপুর উপজেলার কয়েড়া এলাকায় সড়ক ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে। দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষের।
যমুনার প্রবল স্রোতে ভূঞাপুরের কয়েড়ায় নতুন ব্লক ইটের রাস্তাটি ভেঙে গেছে। তাতে কয়েকটি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
গতকাল শনিবার বিকেলে কয়েড়ার রাস্তাটির দুটি স্থানে ভেঙে যাওয়ায় চর কয়েড়া, কয়েড়া, আকালু, নলুয়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকেছে। গতকাল সকালে যমুনা নদীর পানির প্রবল স্রোতে উপজেলার একই ইউনিয়নের গোবিন্দাসী-ভালকুটিয়া-চিতুলিয়াপাড়ার সংযোগ রাস্তার প্রায় ৩০ মিটার অংশ ভেঙে যায়। তাতে ওই এলাকার হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে।
টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বন্যায় জেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে আউশ ধান, পাট, তিল ও সবজি। পানি দীর্ঘস্থায়ী হলে কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, টাঙ্গাইলে সব কটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যমুনা, ঝিনাই ও ধলেশ্বরীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আরও দুই দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

টাঙ্গাইলে যমুনাসহ সব কটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, ঝিনাই নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১০০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে ও ধলেশ্বরীর পানি ১৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ব্যাপকভাবে পানি বৃদ্ধির ফলে টাঙ্গাইল সদর, গোপালপুর, ভূঞাপুর, কালিহাতী, নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। সড়ক ভেঙে ও বাঁধ উপচে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পানির তীব্র স্রোতে ভূঞাপুর উপজেলার কয়েড়া এলাকায় সড়ক ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে। দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষের।
যমুনার প্রবল স্রোতে ভূঞাপুরের কয়েড়ায় নতুন ব্লক ইটের রাস্তাটি ভেঙে গেছে। তাতে কয়েকটি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
গতকাল শনিবার বিকেলে কয়েড়ার রাস্তাটির দুটি স্থানে ভেঙে যাওয়ায় চর কয়েড়া, কয়েড়া, আকালু, নলুয়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকেছে। গতকাল সকালে যমুনা নদীর পানির প্রবল স্রোতে উপজেলার একই ইউনিয়নের গোবিন্দাসী-ভালকুটিয়া-চিতুলিয়াপাড়ার সংযোগ রাস্তার প্রায় ৩০ মিটার অংশ ভেঙে যায়। তাতে ওই এলাকার হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে।
টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বন্যায় জেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে আউশ ধান, পাট, তিল ও সবজি। পানি দীর্ঘস্থায়ী হলে কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, টাঙ্গাইলে সব কটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যমুনা, ঝিনাই ও ধলেশ্বরীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আরও দুই দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৮ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২ ঘণ্টা আগে