ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত দুলালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রায় এক শ’ শিক্ষার্থী রয়েছে বিদ্যালয়টিতে। তবে এ বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন মো. আবদুল লতিফ নামের মাত্র একজন শিক্ষক। বর্তমানে সেখানে তিনিই প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, কেরানি এমনকি দপ্তরির দায়িত্ব পালন করেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুলালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর অবসরে যান। তাঁর আগে আরও দুজন সহকারী শিক্ষক অবসরে যান। এরপর থেকেই একা হয়ে পড়েন লতিফ।
সরেজমিনে দেখা যায়, শিক্ষক আবদুল লতিফ তিন শ্রেণিতে একসঙ্গে ক্লাস নিচ্ছেন। এক ক্লাস থেকে অন্য ক্লাসে যাচ্ছেন। শিক্ষক যে ক্লাসে আছেন সেই ক্লাস নীরব থাকলেও অন্য ক্লাসের শিক্ষার্থীরা হইচই করছে। তিনি আবার গিয়ে সেই শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শান্ত করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে একমাত্র শিক্ষক আবদুল লতিফ বলেন, ‘শুক্রবার ও অন্যান্য বন্ধের দিন বাদে প্রতিদিন সকাল নয়টায় বিদ্যালয়ে এসে চারটি কক্ষের তালা খুলে ঝাড়ু দিই। প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছয়টি শ্রেণিতে সব ক্লাস নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। হাজিরা খাতায় নাম লিখতে হয়। আবার ঘণ্টাও বাজাতে হয়। পরীক্ষাও চালাতে হয়। মাসে কমপক্ষে চার-পাঁচবার উপজেলা শিক্ষা অফিসে নানা কাজে যেতে হয়। এ ছাড়া উপবৃত্তির তালিকার মতো সময় সাপেক্ষ কাজও করতে হয়। আমি আর পারছি না।’
দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজ্জাদ রায়হান ও মায়মুনা বলেন, ‘স্যারের খুব কষ্ট। একবার পড়ায় তারপর আবার নিজেই গিয়ে বেল (ঘণ্টা) বাজায়।’
এ বিষয়ে অভিভাবক মোর্শেদ আলী ও শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষকের অভাবে আমাদের ছেলেমেয়েদের কোনো লেখাপড়া হচ্ছে না।’
অভিভাবক ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা বলেন, একজন শিক্ষক দিয়ে কি কোনো স্কুল চলে? এই স্কুল থাকা না থাকা সমান কথা!
ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র মো. হাসান আলী বলছে, ‘২০১৫ সালে এই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল ৩ শতাধিক। বর্তমানে শিক্ষার্থী আছে মাত্র ৯২ জন। লতিফ স্যার বাদে আর সবাই অবসরে যাওয়ায় পর সরকার নতুন কোনো শিক্ষক নিয়োগ দেয়নি। ফলে ছাত্রসংখ্যা কমে যাচ্ছে। তারা আশপাশের মাদ্রাসাগুলোতে চলে গেছে।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘বদলি বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়টির শিক্ষক সংকট দূর করা যাচ্ছে না। বদলি প্রক্রিয়া শুরু হলে দ্রুত শিক্ষক দেওয়া হবে।’

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত দুলালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রায় এক শ’ শিক্ষার্থী রয়েছে বিদ্যালয়টিতে। তবে এ বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন মো. আবদুল লতিফ নামের মাত্র একজন শিক্ষক। বর্তমানে সেখানে তিনিই প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, কেরানি এমনকি দপ্তরির দায়িত্ব পালন করেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুলালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর অবসরে যান। তাঁর আগে আরও দুজন সহকারী শিক্ষক অবসরে যান। এরপর থেকেই একা হয়ে পড়েন লতিফ।
সরেজমিনে দেখা যায়, শিক্ষক আবদুল লতিফ তিন শ্রেণিতে একসঙ্গে ক্লাস নিচ্ছেন। এক ক্লাস থেকে অন্য ক্লাসে যাচ্ছেন। শিক্ষক যে ক্লাসে আছেন সেই ক্লাস নীরব থাকলেও অন্য ক্লাসের শিক্ষার্থীরা হইচই করছে। তিনি আবার গিয়ে সেই শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শান্ত করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে একমাত্র শিক্ষক আবদুল লতিফ বলেন, ‘শুক্রবার ও অন্যান্য বন্ধের দিন বাদে প্রতিদিন সকাল নয়টায় বিদ্যালয়ে এসে চারটি কক্ষের তালা খুলে ঝাড়ু দিই। প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছয়টি শ্রেণিতে সব ক্লাস নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। হাজিরা খাতায় নাম লিখতে হয়। আবার ঘণ্টাও বাজাতে হয়। পরীক্ষাও চালাতে হয়। মাসে কমপক্ষে চার-পাঁচবার উপজেলা শিক্ষা অফিসে নানা কাজে যেতে হয়। এ ছাড়া উপবৃত্তির তালিকার মতো সময় সাপেক্ষ কাজও করতে হয়। আমি আর পারছি না।’
দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজ্জাদ রায়হান ও মায়মুনা বলেন, ‘স্যারের খুব কষ্ট। একবার পড়ায় তারপর আবার নিজেই গিয়ে বেল (ঘণ্টা) বাজায়।’
এ বিষয়ে অভিভাবক মোর্শেদ আলী ও শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষকের অভাবে আমাদের ছেলেমেয়েদের কোনো লেখাপড়া হচ্ছে না।’
অভিভাবক ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা বলেন, একজন শিক্ষক দিয়ে কি কোনো স্কুল চলে? এই স্কুল থাকা না থাকা সমান কথা!
ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র মো. হাসান আলী বলছে, ‘২০১৫ সালে এই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল ৩ শতাধিক। বর্তমানে শিক্ষার্থী আছে মাত্র ৯২ জন। লতিফ স্যার বাদে আর সবাই অবসরে যাওয়ায় পর সরকার নতুন কোনো শিক্ষক নিয়োগ দেয়নি। ফলে ছাত্রসংখ্যা কমে যাচ্ছে। তারা আশপাশের মাদ্রাসাগুলোতে চলে গেছে।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘বদলি বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়টির শিক্ষক সংকট দূর করা যাচ্ছে না। বদলি প্রক্রিয়া শুরু হলে দ্রুত শিক্ষক দেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে