সিলেট প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অর্থের অভাব নেই বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। আজ শনিবার সিলেটের ইলাশআলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ সুরমার রাখালগঞ্জ, ইনাতআলীপুর, মির্জানগর, মানিকপুর রাস্তার কাজ আগামী বর্ষা মৌসুমে পূর্বে শুরু করা হবে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও এ রাস্তাটির জন্য জনগণের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অর্থের অভাব নেই। এ রাস্তা নির্মাণ করতে যত কোটি টাকা লাগে বরাদ্দ দেওয়া হবে। আমি ঢাকায় গিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে রাস্তা নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু করব।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি সানর মিয়া এবং পরিচালনা করেন ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুল হক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট-৩ আসনের এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা তালুকদার, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল আলম।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আহমদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম, জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, লালাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান তোয়াজিদুল হক তুহিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আতিকুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা খিজির খান, পংকি মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল কাদির সাদেক, সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার আলম মিতুন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মঞ্জুর আহমদ, সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা শাহীন আলী, যুবলীগ নেতা মনসুর আহমদ।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের রাখালগঞ্জ থেকে ইনাতআলীপুর, মির্জানগর, মানিকপুর রাস্তা পরিদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অর্থের অভাব নেই বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। আজ শনিবার সিলেটের ইলাশআলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ সুরমার রাখালগঞ্জ, ইনাতআলীপুর, মির্জানগর, মানিকপুর রাস্তার কাজ আগামী বর্ষা মৌসুমে পূর্বে শুরু করা হবে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও এ রাস্তাটির জন্য জনগণের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অর্থের অভাব নেই। এ রাস্তা নির্মাণ করতে যত কোটি টাকা লাগে বরাদ্দ দেওয়া হবে। আমি ঢাকায় গিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে রাস্তা নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু করব।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি সানর মিয়া এবং পরিচালনা করেন ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুল হক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সিলেট-৩ আসনের এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা তালুকদার, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল আলম।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আহমদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম, জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, লালাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান তোয়াজিদুল হক তুহিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আতিকুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা খিজির খান, পংকি মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল কাদির সাদেক, সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার আলম মিতুন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মঞ্জুর আহমদ, সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা শাহীন আলী, যুবলীগ নেতা মনসুর আহমদ।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের রাখালগঞ্জ থেকে ইনাতআলীপুর, মির্জানগর, মানিকপুর রাস্তা পরিদর্শন করেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে