নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’–বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নগরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক্লিন সিটি’ বিনির্মাণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠান ও প্রবাসীদের সহযোগিতায় ডাস্টবিন প্রদানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক এই কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।
এ উপলক্ষে নগরের রসময় উচ্চবিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘ক্লিন সিটি’ বিনির্মাণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠানে মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, নগরের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের প্রবাসীদের সহযোগিতা নিয়ে ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি বাস্তবায়ন করা হবে। এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাধ্যমে। ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি বিনির্মাণে এই ওয়ার্ডের প্রবাসীদের সহযোগিতার জন্য তিনি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা বিদেশে থাকলেও তাঁদের মন পড়ে থাকে এই দেশে। তাঁরা দেশের জন্য কাজ করতে চান, তাঁদের সুযোগ দিতে হবে। আমরা চাই, এই সিলেটকে ক্লিন ও গ্রিন সিটি হিসেবে বিনির্মাণে তাঁরা এগিয়ে আসুন।’
মেয়র আরও বলেন, ‘সিলেটের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের উন্নয়নের জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছেন। কিন্তু আমাদের সচেতনতার অভাবে আমরা পিছিয়ে আছি।’
অনুষ্ঠানে মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী রসময় উচ্চবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, কাউন্সিলর বিক্রম কর সম্রাট, একে লায়েক, সিসিক প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কর্নেল অব. একলির আবেদিন, গোলাম মোস্তফা জিলানী, কয়েস আহমদ, শাহিন আহমদ, ড. মিসবাউর রহমান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিক আহমদ, স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আফসর আজিজসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’–বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নগরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক্লিন সিটি’ বিনির্মাণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠান ও প্রবাসীদের সহযোগিতায় ডাস্টবিন প্রদানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক এই কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।
এ উপলক্ষে নগরের রসময় উচ্চবিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘ক্লিন সিটি’ বিনির্মাণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠানে মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, নগরের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের প্রবাসীদের সহযোগিতা নিয়ে ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি বাস্তবায়ন করা হবে। এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাধ্যমে। ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি বিনির্মাণে এই ওয়ার্ডের প্রবাসীদের সহযোগিতার জন্য তিনি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা বিদেশে থাকলেও তাঁদের মন পড়ে থাকে এই দেশে। তাঁরা দেশের জন্য কাজ করতে চান, তাঁদের সুযোগ দিতে হবে। আমরা চাই, এই সিলেটকে ক্লিন ও গ্রিন সিটি হিসেবে বিনির্মাণে তাঁরা এগিয়ে আসুন।’
মেয়র আরও বলেন, ‘সিলেটের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের উন্নয়নের জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছেন। কিন্তু আমাদের সচেতনতার অভাবে আমরা পিছিয়ে আছি।’
অনুষ্ঠানে মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী রসময় উচ্চবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, কাউন্সিলর বিক্রম কর সম্রাট, একে লায়েক, সিসিক প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কর্নেল অব. একলির আবেদিন, গোলাম মোস্তফা জিলানী, কয়েস আহমদ, শাহিন আহমদ, ড. মিসবাউর রহমান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিক আহমদ, স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আফসর আজিজসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে