নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ ধ্বংস করে পর্যটন চলতে পারে না। আর হাওরের পরিবেশ যদি ভালো না থাকে, তাহলে পর্যটকেরাও আসবেন না। তাই পর্যটনকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করে টাঙ্গুয়ার হাওর পর্যটন গড়ে তুলতে হবে।
আজ শনিবার টাঙ্গুয়ার হাওর তীরবর্তী জয়পুর গ্রামে ‘টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থা এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
বক্তারা বলেন, মূল টাঙ্গুয়ার হাওরের ইঞ্জিনচালিত নৌকা প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। এতে শব্দদূষণ, পানিদূষণ এবং প্লাস্টিকদূষণ অনেকাংশে কমে যাবে। একই সঙ্গে হাতে চালিত নৌকায় মূল টাঙ্গুয়ার হাওরে যদি পর্যটকেরা ঘোরেন, তাহলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তাই অতি দ্রুত মূল টাঙ্গুয়ার হাওরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা প্রবেশ বন্ধ করার জন্য তাঁরা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পীযূষ পুরকায়স্থ টিটুর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় হাওরের ওয়াচ টাওয়ারের পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামের শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তাঁরা জানান, হাওরের পর্যটকবাহী নৌকার বাদ্যযন্ত্র ও মাইকের শব্দে তাঁদের অসুস্থ রোগী, ছাত্র-ছাত্রীসহ মানুষ অতিষ্ঠ। অন্যদিকে পর্যটকেরা যত্রতত্র প্লাস্টিক বোতল, গ্লাস ও কাচের বোতল ফেলার কারণে হাওরের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওর একটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা। এখানে সবার আগে পরিবেশকে গুরুত্ব দিতে হবে। টাঙ্গুয়ার হাওরের পর্যটনের কারণে স্থানীয় মানুষ কোনো সুবিধা পাচ্ছে না; কিন্তু তারা নানা ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। হাওরের সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে।
এভাবে পর্যটন চলতে পারে না। স্থানীয় মানুষের স্বার্থ অবশ্যই দেখতে হবে। এখানে নৌকাগুলোকে একটি নির্দিষ্ট রুটে চলাচল করতে হবে এবং ইঞ্জিনচালিত নৌকা মূল টাঙ্গুয়ার হাওরের ঢোকার আগেই থামিয়ে দিতে হবে। এটা যদি সম্ভব না হয়, তাহলে এখানে পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে এক সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্যটন বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা আশা করি, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
গ্রামবাসীর মধ্যে বক্তব্য দেন টাঙ্গুয়ার হাওর সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. নূরে আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খসরুল আলম, আহমদ কবির, আলী আহমদ, গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল হালিম, আল আমিন, নূর মিয়া, পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার গ্রিন ক্লাবের সদস্য মাহফুজ আহমেদ, ইয়াসিন আলী প্রমুখ।

টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ ধ্বংস করে পর্যটন চলতে পারে না। আর হাওরের পরিবেশ যদি ভালো না থাকে, তাহলে পর্যটকেরাও আসবেন না। তাই পর্যটনকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করে টাঙ্গুয়ার হাওর পর্যটন গড়ে তুলতে হবে।
আজ শনিবার টাঙ্গুয়ার হাওর তীরবর্তী জয়পুর গ্রামে ‘টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থা এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
বক্তারা বলেন, মূল টাঙ্গুয়ার হাওরের ইঞ্জিনচালিত নৌকা প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। এতে শব্দদূষণ, পানিদূষণ এবং প্লাস্টিকদূষণ অনেকাংশে কমে যাবে। একই সঙ্গে হাতে চালিত নৌকায় মূল টাঙ্গুয়ার হাওরে যদি পর্যটকেরা ঘোরেন, তাহলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তাই অতি দ্রুত মূল টাঙ্গুয়ার হাওরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা প্রবেশ বন্ধ করার জন্য তাঁরা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পীযূষ পুরকায়স্থ টিটুর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় হাওরের ওয়াচ টাওয়ারের পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামের শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তাঁরা জানান, হাওরের পর্যটকবাহী নৌকার বাদ্যযন্ত্র ও মাইকের শব্দে তাঁদের অসুস্থ রোগী, ছাত্র-ছাত্রীসহ মানুষ অতিষ্ঠ। অন্যদিকে পর্যটকেরা যত্রতত্র প্লাস্টিক বোতল, গ্লাস ও কাচের বোতল ফেলার কারণে হাওরের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওর একটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা। এখানে সবার আগে পরিবেশকে গুরুত্ব দিতে হবে। টাঙ্গুয়ার হাওরের পর্যটনের কারণে স্থানীয় মানুষ কোনো সুবিধা পাচ্ছে না; কিন্তু তারা নানা ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। হাওরের সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে।
এভাবে পর্যটন চলতে পারে না। স্থানীয় মানুষের স্বার্থ অবশ্যই দেখতে হবে। এখানে নৌকাগুলোকে একটি নির্দিষ্ট রুটে চলাচল করতে হবে এবং ইঞ্জিনচালিত নৌকা মূল টাঙ্গুয়ার হাওরের ঢোকার আগেই থামিয়ে দিতে হবে। এটা যদি সম্ভব না হয়, তাহলে এখানে পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে এক সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্যটন বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা আশা করি, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
গ্রামবাসীর মধ্যে বক্তব্য দেন টাঙ্গুয়ার হাওর সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. নূরে আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খসরুল আলম, আহমদ কবির, আলী আহমদ, গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল হালিম, আল আমিন, নূর মিয়া, পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার গ্রিন ক্লাবের সদস্য মাহফুজ আহমেদ, ইয়াসিন আলী প্রমুখ।

বিলম্বের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ প্রকল্প। ইতিমধ্যে চার দফা মেয়াদ বাড়ানো এই প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক যুগে প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৫৪ শতাংশ।
৩৭ মিনিট আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল এবং হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাইফ উদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন হত্যা-বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে জেলা কারাগারে রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
২ ঘণ্টা আগে
খুলনা জেলায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ মৌসুমে বস্তা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন বস্তার সঙ্গে পুরোনো বস্তাও সরবরাহ ও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরোনো নিম্নমানের বস্তা ক্রয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে খাদ্যগুদামের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে খাদ্য কর্মকর্তাদের দাবি...
২ ঘণ্টা আগে