নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি গঠনে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। আজ রোববার সকাল থেকে সিলেটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন কিছু নেতা-কর্মী। পরে বেলা ২টার দিকে সিনিয়র নেতা–কর্মীরা খবর পেয়ে অনশনস্থলে গিয়ে তাঁদের দাবি পূরণে আশ্বাস দেন। তখন অনশনকারীদের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙান।
অনশন কর্মসূচিতে অংশ নেন—যুবদল নেতা কৃষ্ণ কুমার ঘোষ, শিহাব খান, রেজাউল ইসলাম সুমন, জাবের হোসেন, এনামুল কবির সোহেল, জাবেদ আহমদ, মোস্তাফিজুর রহমান, ফাহিম আহমদ, হাবিবুর রহমান হাবিব, এনামুল হক, কায়েস আহমেদ, মুহিব খান, সাদ্দাম আহমেদ, নয়ন শেখ, মারুফ আহমদ, তামিম আহমদ, সুয়েল আহমদ, রাশেদ আহমদ ও মারুফ আহমদ অনিক প্রমুখ।
অনশনকারী নেতারা বলেন, অবিলম্বে সিলেটে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে। পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাদের দাবি, নবগঠিত সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি গঠনে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা দিয়ে কমিটি গঠন করে ত্যাগী নেতা–কর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।
এ ছাড়া কমিটিতে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এতে করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। তৃতীয় শক্তি দলের ভেতরে সুযোগ নিচ্ছে। এই কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান তাঁরা। তা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন নেতা–কর্মীরা।
এ সময় পদবঞ্চিতরা বলেন, ‘সিনিয়র নেতারা আশ্বাস দিয়েছেন সমন্বয়ের মাধ্যমে নতুন করে কমিটি করা হবে। আমরা শুধু আমরণ অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছি।
‘এই কমিটি বাতিলে আমাদের অন্যান্য কর্মসূচি চলমান থাকবে। সোমবার আমরা সংবাদ সম্মেলন করব। এর পরের দিন আমরা সিলেটের পদবঞ্চিত নেতা–কর্মীদের নিয়ে মিছিল করব। সিনিয়র নেতারা আশ্বাস দিয়েছেন তারাও আমাদের সঙ্গে থাকবেন।’

সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি গঠনে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। আজ রোববার সকাল থেকে সিলেটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন কিছু নেতা-কর্মী। পরে বেলা ২টার দিকে সিনিয়র নেতা–কর্মীরা খবর পেয়ে অনশনস্থলে গিয়ে তাঁদের দাবি পূরণে আশ্বাস দেন। তখন অনশনকারীদের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙান।
অনশন কর্মসূচিতে অংশ নেন—যুবদল নেতা কৃষ্ণ কুমার ঘোষ, শিহাব খান, রেজাউল ইসলাম সুমন, জাবের হোসেন, এনামুল কবির সোহেল, জাবেদ আহমদ, মোস্তাফিজুর রহমান, ফাহিম আহমদ, হাবিবুর রহমান হাবিব, এনামুল হক, কায়েস আহমেদ, মুহিব খান, সাদ্দাম আহমেদ, নয়ন শেখ, মারুফ আহমদ, তামিম আহমদ, সুয়েল আহমদ, রাশেদ আহমদ ও মারুফ আহমদ অনিক প্রমুখ।
অনশনকারী নেতারা বলেন, অবিলম্বে সিলেটে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে। পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাদের দাবি, নবগঠিত সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি গঠনে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা দিয়ে কমিটি গঠন করে ত্যাগী নেতা–কর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।
এ ছাড়া কমিটিতে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এতে করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। তৃতীয় শক্তি দলের ভেতরে সুযোগ নিচ্ছে। এই কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান তাঁরা। তা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন নেতা–কর্মীরা।
এ সময় পদবঞ্চিতরা বলেন, ‘সিনিয়র নেতারা আশ্বাস দিয়েছেন সমন্বয়ের মাধ্যমে নতুন করে কমিটি করা হবে। আমরা শুধু আমরণ অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছি।
‘এই কমিটি বাতিলে আমাদের অন্যান্য কর্মসূচি চলমান থাকবে। সোমবার আমরা সংবাদ সম্মেলন করব। এর পরের দিন আমরা সিলেটের পদবঞ্চিত নেতা–কর্মীদের নিয়ে মিছিল করব। সিনিয়র নেতারা আশ্বাস দিয়েছেন তারাও আমাদের সঙ্গে থাকবেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে