সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের পাঁচটি নির্বাচনী আসনের বেসরকারি ফলাফলে চারটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। আর একটিতে জয়ী হয়েছেন কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী। জেলার পাঁচ আসনে মোট ৪১ দশমিক ৯৮ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে। মোট ভোট দিয়েছেন ৮ লাখ ৬ হাজার ৯০৭ জন।
সুনামগঞ্জ-১: (ধর্মপাশা, মধ্যনগর, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট রনজিত চন্দ্র সরকার (নৌকা প্রতীক) বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। গতকাল রোববার রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
নৌকা প্রতীকে রনজিত সরকার মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৭১। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (কেটলী প্রতীক) পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৩১১ ভোট এবং ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিম আহমদ ৪৬ হাজার ৭৪৭ ভোট পেয়েছেন। অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নবাব সালেহ পেয়েছেন ১৪৬ ভোট, আব্দুল মান্নান তালুকদার পেয়েছেন ৩১২ ভোট, আশরাফ আলী ৩৭৯ ভোট, মো. জাহানূর রশিদ ৮১ ভোট ও হারিছ মিয়া ৭৩২ ভোট পেয়েছেন।
সুনামগঞ্জ-২: (দিরাই-শাল্লা) আসনে কাঁচি প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তা। তিনি পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭৫ ভোট। তাঁর নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (আল-আমিন চৌধুরী) নৌকা প্রতীকে ৫৮ হাজার ৬৭২ ভোট পেয়েছেন।
এ আসনটি থেকে অন্যান্য দলের প্রার্থীদের মধ্যে কবুতর প্রতীক নিয়ে গণতন্ত্রী পার্টির মিহির রঞ্জন দাস পেয়েছেন ২৪৯ ভোট এবং আওয়ামী লীগের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ হাজার ৯৬৮ ভোট। এ আসনটিতে ভোট কাস্ট হয়েছে ৪১ দশমিক ৩২ শতাংশ।
সুনামগঞ্জ-৩: (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর) আসনে ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তাঁর নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহীনুর পাশা চৌধুরী পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৯৫ ভোট।
সুনামগঞ্জ-৪: জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের কেন্দ্রের ফলাফলের ভিত্তিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে ড. মোহাম্মদ সাদিক পেয়েছেন ৯০ হাজার ৩৫২ ভোট এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ পেয়েছেন ৩১ হাজার ৭১৮ ভোট।
এ আসন থেকে অন্যান্য দলের প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঈগল প্রতীক নিয়ে এনামুল কবির ইমন ১২৬ ভোট, বিএনএম পার্টির দেওয়ান শামছুল আবেদীন পেয়েছেন ১৮৭ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. দিলোয়ার পেয়েছেন ৪০০ ভোট, আওয়ামী লীগের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মোবারক হোসেন পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭৭ ভোট। এ আসনটিতে ভোট কাস্ট হয়েছে ৩৬.৩৫ শতাংশ।
সুনামগঞ্জ-৫: (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে মহিবুর রহমান মানিক ১ লাখ ১৯ হাজার ৪০৩ ভোট নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থীর শামীম চৌধুরীর পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৮৮ ভোট। এ ছাড়া নির্বাচনে অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আইয়ুব করম আলী ৫৬৯ ভোট, আবু সালেহ ৩০৭ ভোট, মনির উদ্দিন ২০৪ ভোট, আজিজুল হক ৩৬১ ভোট, আশরাফ হোসেন ৫৯ ভোট, নাজমুল হুদা হিমেল ৮২২ ভোট, আব্দুল জলিল ১৬৪ ভোট পেয়েছেন।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি নির্বাচনী আসনের বেসরকারি ফলাফলে চারটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। আর একটিতে জয়ী হয়েছেন কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী। জেলার পাঁচ আসনে মোট ৪১ দশমিক ৯৮ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে। মোট ভোট দিয়েছেন ৮ লাখ ৬ হাজার ৯০৭ জন।
সুনামগঞ্জ-১: (ধর্মপাশা, মধ্যনগর, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট রনজিত চন্দ্র সরকার (নৌকা প্রতীক) বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। গতকাল রোববার রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
নৌকা প্রতীকে রনজিত সরকার মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৭১। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (কেটলী প্রতীক) পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৩১১ ভোট এবং ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিম আহমদ ৪৬ হাজার ৭৪৭ ভোট পেয়েছেন। অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নবাব সালেহ পেয়েছেন ১৪৬ ভোট, আব্দুল মান্নান তালুকদার পেয়েছেন ৩১২ ভোট, আশরাফ আলী ৩৭৯ ভোট, মো. জাহানূর রশিদ ৮১ ভোট ও হারিছ মিয়া ৭৩২ ভোট পেয়েছেন।
সুনামগঞ্জ-২: (দিরাই-শাল্লা) আসনে কাঁচি প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তা। তিনি পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭৫ ভোট। তাঁর নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (আল-আমিন চৌধুরী) নৌকা প্রতীকে ৫৮ হাজার ৬৭২ ভোট পেয়েছেন।
এ আসনটি থেকে অন্যান্য দলের প্রার্থীদের মধ্যে কবুতর প্রতীক নিয়ে গণতন্ত্রী পার্টির মিহির রঞ্জন দাস পেয়েছেন ২৪৯ ভোট এবং আওয়ামী লীগের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ হাজার ৯৬৮ ভোট। এ আসনটিতে ভোট কাস্ট হয়েছে ৪১ দশমিক ৩২ শতাংশ।
সুনামগঞ্জ-৩: (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর) আসনে ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তাঁর নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহীনুর পাশা চৌধুরী পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৯৫ ভোট।
সুনামগঞ্জ-৪: জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের কেন্দ্রের ফলাফলের ভিত্তিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে ড. মোহাম্মদ সাদিক পেয়েছেন ৯০ হাজার ৩৫২ ভোট এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ পেয়েছেন ৩১ হাজার ৭১৮ ভোট।
এ আসন থেকে অন্যান্য দলের প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঈগল প্রতীক নিয়ে এনামুল কবির ইমন ১২৬ ভোট, বিএনএম পার্টির দেওয়ান শামছুল আবেদীন পেয়েছেন ১৮৭ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. দিলোয়ার পেয়েছেন ৪০০ ভোট, আওয়ামী লীগের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মোবারক হোসেন পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭৭ ভোট। এ আসনটিতে ভোট কাস্ট হয়েছে ৩৬.৩৫ শতাংশ।
সুনামগঞ্জ-৫: (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে মহিবুর রহমান মানিক ১ লাখ ১৯ হাজার ৪০৩ ভোট নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থীর শামীম চৌধুরীর পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৮৮ ভোট। এ ছাড়া নির্বাচনে অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আইয়ুব করম আলী ৫৬৯ ভোট, আবু সালেহ ৩০৭ ভোট, মনির উদ্দিন ২০৪ ভোট, আজিজুল হক ৩৬১ ভোট, আশরাফ হোসেন ৫৯ ভোট, নাজমুল হুদা হিমেল ৮২২ ভোট, আব্দুল জলিল ১৬৪ ভোট পেয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
৬ মিনিট আগে
পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করে স্ত্রীর নামে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত এক পাকিস্তানি নাগরিক। পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন।
৯ মিনিট আগে
কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে