বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি

সিলেটের বিশ্বনাথ সদর উপজেলায় বন্যার পানিতে সাতটি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যায় ফের প্লাবিত হয়েছে লামাকাজী, রামপাশা, খাজাঞ্চি, দৌলতপুর দশঘর ও অলংকারি ইউনিয়নের অধিকাংশই। খাজাঞ্চি-কামালবাজার সড়কসহ খাজাঞ্চি রেলওয়ে স্টেশন, হাটবাজার ও সব কটি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। বন্ধ রয়েছে খাজাঞ্চি-সিলেটের রেলযোগাযোগ।
লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়া বলেছেন, ‘ইউনিয়নের সব কটি গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। মানুষের বাড়ি-ঘরে পানি। এই ভয়াবহ অবস্থায় মানুষ দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। পানিবন্দী মানুষের আশ্রয়ের জন্য চারটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে ইতিমধ্যে অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন।’
খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরশ আলী বলেন, ‘৫০ বছরের মধ্যে এত বড় বন্যা কখনো দেখিনি। রেলস্টেশনে পানি দেখা দূরের কথা, আজ রেল স্টেশনটিও পানিতে তলিয়ে গেছে। আমার এখানে প্রাইমারি স্কুলগুলো নিচু, তার পরও পানিবন্দী মানুষকে উঁচু বিদ্যালয়গুলোতে আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলে রেখেছি।’
এই চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘ইউনিয়ন অফিসের দোতলায় গরু-ছাগল রাখার জন্য বিভিন্ন গ্রামের মানুষকে বলে রেখেছি।
এদিকে অলংকারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম রুহেল বলেন, ‘ইউনিয়নের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টি ছাড়াও পানি বেড়েই চলেছে। মানুষকে নিরাপদ স্থানে, আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য বলেছি।’
এ বিষয়ে বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক নুসরাত জাহান বলেন, ‘আমি বন্যাকবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছি। লামাকাজী ইউনিয়নের অবস্থা ভয়াবহ। পানিবন্দী মানুষকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আশ্রয় নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
ইউএনও আরও বলেন, ‘খাজাঞ্চি, রামপাশা দৌলতপুর ও অলংকারি, সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী মানুষকে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।’

সিলেটের বিশ্বনাথ সদর উপজেলায় বন্যার পানিতে সাতটি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যায় ফের প্লাবিত হয়েছে লামাকাজী, রামপাশা, খাজাঞ্চি, দৌলতপুর দশঘর ও অলংকারি ইউনিয়নের অধিকাংশই। খাজাঞ্চি-কামালবাজার সড়কসহ খাজাঞ্চি রেলওয়ে স্টেশন, হাটবাজার ও সব কটি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। বন্ধ রয়েছে খাজাঞ্চি-সিলেটের রেলযোগাযোগ।
লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়া বলেছেন, ‘ইউনিয়নের সব কটি গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। মানুষের বাড়ি-ঘরে পানি। এই ভয়াবহ অবস্থায় মানুষ দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। পানিবন্দী মানুষের আশ্রয়ের জন্য চারটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে ইতিমধ্যে অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন।’
খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরশ আলী বলেন, ‘৫০ বছরের মধ্যে এত বড় বন্যা কখনো দেখিনি। রেলস্টেশনে পানি দেখা দূরের কথা, আজ রেল স্টেশনটিও পানিতে তলিয়ে গেছে। আমার এখানে প্রাইমারি স্কুলগুলো নিচু, তার পরও পানিবন্দী মানুষকে উঁচু বিদ্যালয়গুলোতে আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলে রেখেছি।’
এই চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘ইউনিয়ন অফিসের দোতলায় গরু-ছাগল রাখার জন্য বিভিন্ন গ্রামের মানুষকে বলে রেখেছি।
এদিকে অলংকারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম রুহেল বলেন, ‘ইউনিয়নের শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টি ছাড়াও পানি বেড়েই চলেছে। মানুষকে নিরাপদ স্থানে, আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য বলেছি।’
এ বিষয়ে বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক নুসরাত জাহান বলেন, ‘আমি বন্যাকবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছি। লামাকাজী ইউনিয়নের অবস্থা ভয়াবহ। পানিবন্দী মানুষকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আশ্রয় নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
ইউএনও আরও বলেন, ‘খাজাঞ্চি, রামপাশা দৌলতপুর ও অলংকারি, সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী মানুষকে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের নির্বাচন আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচনের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
২৪ মিনিট আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামের এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৮ ঘণ্টা আগে