সিলেট প্রতিনিধি

সিলেট নগরীর ৪২টি ওয়ার্ডের ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করতে প্রতিবাদ সভা ও শোওয়া কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিলেট সিটি করপোরেশন প্রাঙ্গণে সিলেট কল্যাণ সংস্থা, সিলেট বিভাগ যুবকল্যাণ সংস্থা (সিবিযুকস) ও সিলেট প্রবাসীকল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সিলেট সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগ এনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, সিলেট নগরীর ফুটপাত ও রাস্তা দখলদারি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিনিয়ত ফুটপাত ও রাস্তা দখল চলছেই। নগরবাসীর অব্যাহত আপত্তিতেও বন্ধ হচ্ছে না দখলদারদের দৌরাত্ম্য। নগরীর ব্যস্ততম এলাকাগুলোর অনেক জায়গায় সড়কের দুই পাশের ফুটপাত দখল করে বসানো হয়েছে দোকানপাট।
কোথাও কোথাও ফুটপাত ছাড়িয়ে মূল সড়কের ওপর বসে গেছে পণ্যের পসরা। দখল করা ফুটপাত ও রাস্তায় পথ চলতে পথচারীর নাভিশ্বাস যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। যে যার ইচ্ছেমতো ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে ব্যবহার করছে। কেউ আবার অনেক এলাকায় নির্মাণসামগ্রী মাসের পর মাস ফেলে রেখে সমস্যার সৃষ্টি করছে। শহরে যানজটের একটা বড় কারণ, এই যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং আর ফুটপাত দখল করে স্থায়ী-অস্থায়ী দোকান নির্মাণ। অবৈধভাবে ফুটপাত দখলে থাকায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন সর্বস্তরের ছাত্রছাত্রী ও পথচারীরা।
সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে ও সিবিযুকসর বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় এই কর্মসূচি পালিত হয়।
ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করার দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও ১০ মিনিট শোওয়া কর্মসূচিতে একাত্মতা পোষণ করে বক্তব্য দেন বাংলাদেশি প্রবাসী কমিউনিটি নেতা ও সিলেটি সচেতন নাগরিক সমাজের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম ডিনেস, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা মো. ইব্রাহিম মিয়া প্রমুখ।

সিলেট নগরীর ৪২টি ওয়ার্ডের ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করতে প্রতিবাদ সভা ও শোওয়া কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিলেট সিটি করপোরেশন প্রাঙ্গণে সিলেট কল্যাণ সংস্থা, সিলেট বিভাগ যুবকল্যাণ সংস্থা (সিবিযুকস) ও সিলেট প্রবাসীকল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সিলেট সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগ এনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, সিলেট নগরীর ফুটপাত ও রাস্তা দখলদারি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিনিয়ত ফুটপাত ও রাস্তা দখল চলছেই। নগরবাসীর অব্যাহত আপত্তিতেও বন্ধ হচ্ছে না দখলদারদের দৌরাত্ম্য। নগরীর ব্যস্ততম এলাকাগুলোর অনেক জায়গায় সড়কের দুই পাশের ফুটপাত দখল করে বসানো হয়েছে দোকানপাট।
কোথাও কোথাও ফুটপাত ছাড়িয়ে মূল সড়কের ওপর বসে গেছে পণ্যের পসরা। দখল করা ফুটপাত ও রাস্তায় পথ চলতে পথচারীর নাভিশ্বাস যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। যে যার ইচ্ছেমতো ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে ব্যবহার করছে। কেউ আবার অনেক এলাকায় নির্মাণসামগ্রী মাসের পর মাস ফেলে রেখে সমস্যার সৃষ্টি করছে। শহরে যানজটের একটা বড় কারণ, এই যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং আর ফুটপাত দখল করে স্থায়ী-অস্থায়ী দোকান নির্মাণ। অবৈধভাবে ফুটপাত দখলে থাকায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন সর্বস্তরের ছাত্রছাত্রী ও পথচারীরা।
সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে ও সিবিযুকসর বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় এই কর্মসূচি পালিত হয়।
ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করার দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও ১০ মিনিট শোওয়া কর্মসূচিতে একাত্মতা পোষণ করে বক্তব্য দেন বাংলাদেশি প্রবাসী কমিউনিটি নেতা ও সিলেটি সচেতন নাগরিক সমাজের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম ডিনেস, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা মো. ইব্রাহিম মিয়া প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে