জুয়েল আহমদ, জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ)

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের আঞ্চলিক মহাসড়কের দুপাশের ফুটপাত দখল করে চলছে বেচাকেনা। বিভিন্ন পয়েন্টে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্ট্যান্ড, আবার যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং। প্রতিদিনই ছোট-বড় যানবাহন আটকে থাকছে দীর্ঘ লাইনে। কিন্তু কেউ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে না। দখলদার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দেখেও না দেখার ভান করছে। প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগে থাকে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে।
এ ছাড়া সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও রিকশা নিজেদের মতো করে রাস্তা দখল করে রাখছে। ফলে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র জগন্নাথপুর বাজারজুড়ে যান চলাচলের সুযোগ নেই। পথচারীরাও ফুটপাত ব্যবহার করতে পারছেন না, পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌর পয়েন্ট, টিঅ্যান্ডটি, মাদ্রাসা (চিলাউড়া) পয়েন্ট ও পুরোনো মাছের আড়তসহ প্রতিটি পয়েন্টের মূল সড়কে দোকান বসিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এর পাশেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে অটোরিকশা। যানজট নিরসনে ট্রাফিক-ব্যবস্থা থাকলেও সড়কে চলাচলের মতো জায়গা নেই। অন্যদিকে ফুটপাতের প্রায় পুরোটা দখল করে নিয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারা ফুটপাতে দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করছেন। সড়ক ও ফুটপাত দখল বাণিজ্যের কারণে চলাচলকারী মানুষকে পড়তে হচ্ছে দুর্ভোগে। দিনের বেলায় অবাধে সড়কে গাড়ি পার্কিং, মেরামত, লোড-আনলোডের কাজও চলছে।
পথচারীরা জানান, পৌর এলাকার মহাসড়কের দুপাশ অবৈধ দখলের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয়। সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বাজার বসে। জগন্নাথপুর বাজারের ব্যবসায়ী ওয়ালী উল্লাহ বলেন, ‘এই সড়ক দিয়ে নিয়মিত মালামাল আনতে হয়। কিন্তু দুপাশের ফুটপাত দখল হয়ে গেছে বাজার, অটো স্ট্যান্ড ও ভ্রাম্যমাণ দোকানে। এতে হেঁটে চলার কোনো উপায় নেই।’

পৌরসভার ইকড়ছই এলাকার বাসিন্দা শামিনুর রহমান বলেন, ‘ফুটপাতের যেটুকু ফাঁকা আছে, সেটাও লোকজনের চলাচলের জন্য নয়, বরং ক্রেতারা দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করেন সেখানে। রাস্তার ওপর দোকান, সড়কে দাঁড়িয়ে ইজিবাইক, রিকশা, সিএনজি অটো ও বাসে যাত্রী ওঠানামা—সব মিলিয়ে এক বিশৃঙ্খলা। একটু পরপরই যানজট লেগে যায়।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দোকানি জানান, টাকা দিয়ে তাঁরা ব্যবসা করছেন। প্রতি রবি ও বুধবার বাজার ইজারাদারদের ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দেন। কেউ কেউ আবার যে মার্কেট বা দোকানের সামনের ফুটপাত দখল করেছেন, তাঁদের প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দিচ্ছেন।
জানতে চাইলে জগন্নাথপুর বাজারের ইজারাদার মকবুল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘সড়কে দোকান বসাতে বলা হয়নি। বারবার সরাতে বলা হলেও শোনে না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।’ এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরকত উল্লাহ বলেন, ‘ইজারাদারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা এসব দোকান বসাননি। শিগগিরই অভিযান চালিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে।’

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের আঞ্চলিক মহাসড়কের দুপাশের ফুটপাত দখল করে চলছে বেচাকেনা। বিভিন্ন পয়েন্টে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্ট্যান্ড, আবার যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং। প্রতিদিনই ছোট-বড় যানবাহন আটকে থাকছে দীর্ঘ লাইনে। কিন্তু কেউ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে না। দখলদার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন দেখেও না দেখার ভান করছে। প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগে থাকে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে।
এ ছাড়া সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও রিকশা নিজেদের মতো করে রাস্তা দখল করে রাখছে। ফলে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র জগন্নাথপুর বাজারজুড়ে যান চলাচলের সুযোগ নেই। পথচারীরাও ফুটপাত ব্যবহার করতে পারছেন না, পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌর পয়েন্ট, টিঅ্যান্ডটি, মাদ্রাসা (চিলাউড়া) পয়েন্ট ও পুরোনো মাছের আড়তসহ প্রতিটি পয়েন্টের মূল সড়কে দোকান বসিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এর পাশেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে অটোরিকশা। যানজট নিরসনে ট্রাফিক-ব্যবস্থা থাকলেও সড়কে চলাচলের মতো জায়গা নেই। অন্যদিকে ফুটপাতের প্রায় পুরোটা দখল করে নিয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারা ফুটপাতে দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করছেন। সড়ক ও ফুটপাত দখল বাণিজ্যের কারণে চলাচলকারী মানুষকে পড়তে হচ্ছে দুর্ভোগে। দিনের বেলায় অবাধে সড়কে গাড়ি পার্কিং, মেরামত, লোড-আনলোডের কাজও চলছে।
পথচারীরা জানান, পৌর এলাকার মহাসড়কের দুপাশ অবৈধ দখলের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয়। সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বাজার বসে। জগন্নাথপুর বাজারের ব্যবসায়ী ওয়ালী উল্লাহ বলেন, ‘এই সড়ক দিয়ে নিয়মিত মালামাল আনতে হয়। কিন্তু দুপাশের ফুটপাত দখল হয়ে গেছে বাজার, অটো স্ট্যান্ড ও ভ্রাম্যমাণ দোকানে। এতে হেঁটে চলার কোনো উপায় নেই।’

পৌরসভার ইকড়ছই এলাকার বাসিন্দা শামিনুর রহমান বলেন, ‘ফুটপাতের যেটুকু ফাঁকা আছে, সেটাও লোকজনের চলাচলের জন্য নয়, বরং ক্রেতারা দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করেন সেখানে। রাস্তার ওপর দোকান, সড়কে দাঁড়িয়ে ইজিবাইক, রিকশা, সিএনজি অটো ও বাসে যাত্রী ওঠানামা—সব মিলিয়ে এক বিশৃঙ্খলা। একটু পরপরই যানজট লেগে যায়।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দোকানি জানান, টাকা দিয়ে তাঁরা ব্যবসা করছেন। প্রতি রবি ও বুধবার বাজার ইজারাদারদের ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দেন। কেউ কেউ আবার যে মার্কেট বা দোকানের সামনের ফুটপাত দখল করেছেন, তাঁদের প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দিচ্ছেন।
জানতে চাইলে জগন্নাথপুর বাজারের ইজারাদার মকবুল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘সড়কে দোকান বসাতে বলা হয়নি। বারবার সরাতে বলা হলেও শোনে না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।’ এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরকত উল্লাহ বলেন, ‘ইজারাদারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা এসব দোকান বসাননি। শিগগিরই অভিযান চালিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে।’

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে