জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়েছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। আজ সোমবার কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়ে রানীগঞ্জ বাজারে হাঁটুপানি জমে যায়। এ ছাড়া পাইলগাঁও ইউনিয়নের অলইতলী গ্রামের রাস্তা ভেঙে কুশিয়ারা নদীর পানি গ্রামে প্রবেশ করায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের বেচাকেনার সময় বাজারে পানি ঢুকায় তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
জানা গেছে, গত তিন দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়ে উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর, খানপুর, আলীপুর, নতুন কসবা, কাতিয়া, পাইলগাঁও, আলাগদি, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রানীগঞ্জ বাজার, কদরপাড়াসহ প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। কুশিয়ারার তীরবর্তী এলাকায় গ্রামীণ সড়ক ডুবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ লক্ষাধিক মানুষ।
কদরপাড়া গ্রামের আশরাফুল আলম বলেন, কুশিয়ারার পানি বাড়ায় রাস্তাঘাট ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। সড়ক পানি উঠে গেছে। যাতায়াতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্নাঞ্চলের বসতিরা। রানীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন বলেন, নদীর পানিতে বাজারে এখন হাঁটুপানি। অনেকের দোকানেও পানি ঢুকতে শুরু করেছে। ঈদের সময় নদীর পানি বাড়ায় ব্যবসায়ীদের প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) নজমুদ্দিন বলেন, কুশিয়ারার পানি বেড়ে জগন্নাথপুর-বেগমপুর সড়কের বিভিন্ন অংশ ডুবে যাওয়ায় সরাসরি যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া গ্রামীণ সড়কসহ অনেক বাড়িতে হাঁটুসমান পানি রয়েছে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরকত উল্লাহ বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি রয়েছে। তবে এখনও কোনো পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে যায়নি।’

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়েছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। আজ সোমবার কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়ে রানীগঞ্জ বাজারে হাঁটুপানি জমে যায়। এ ছাড়া পাইলগাঁও ইউনিয়নের অলইতলী গ্রামের রাস্তা ভেঙে কুশিয়ারা নদীর পানি গ্রামে প্রবেশ করায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের বেচাকেনার সময় বাজারে পানি ঢুকায় তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
জানা গেছে, গত তিন দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়ে উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর, খানপুর, আলীপুর, নতুন কসবা, কাতিয়া, পাইলগাঁও, আলাগদি, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রানীগঞ্জ বাজার, কদরপাড়াসহ প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। কুশিয়ারার তীরবর্তী এলাকায় গ্রামীণ সড়ক ডুবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ লক্ষাধিক মানুষ।
কদরপাড়া গ্রামের আশরাফুল আলম বলেন, কুশিয়ারার পানি বাড়ায় রাস্তাঘাট ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। সড়ক পানি উঠে গেছে। যাতায়াতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্নাঞ্চলের বসতিরা। রানীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন বলেন, নদীর পানিতে বাজারে এখন হাঁটুপানি। অনেকের দোকানেও পানি ঢুকতে শুরু করেছে। ঈদের সময় নদীর পানি বাড়ায় ব্যবসায়ীদের প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) নজমুদ্দিন বলেন, কুশিয়ারার পানি বেড়ে জগন্নাথপুর-বেগমপুর সড়কের বিভিন্ন অংশ ডুবে যাওয়ায় সরাসরি যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া গ্রামীণ সড়কসহ অনেক বাড়িতে হাঁটুসমান পানি রয়েছে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরকত উল্লাহ বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি রয়েছে। তবে এখনও কোনো পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে যায়নি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে