জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তাঁরা হলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতাউর রহমান ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর হারুন রাশীদ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার।
মুরাদ উদ্দিন বলেন, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী নির্বাচনে মোট প্রাপ্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ৮ ভাগের ১ ভাগের কম ভোট যদি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পান, তাহলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। উপনির্বাচনের মোট ৪৫ হাজার ৬২০ ভোট প্রদান করা হয়েছে। ফলে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যদি ৫ হাজার ৭০২ ভোটের চেয়ে কম ভোট পান, তাহলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
মুরাদ উদ্দিন আরও বলেন, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে পাঁচ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. নুরুল ইসলাম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২২ হাজার ২১২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম পান ১১ হাজার ২০৩ ভোট ও জমিয়ত উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী আব্দুল কাইয়ুম কামালি সিতু পেয়েছেন ৬ হাজার ১৪৪ ভোট। সুতরাং মোট ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগের বেশি ভোট পেয়েছেন। ফলে তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে না। তবে অপর ২ প্রার্থী নির্বাচনী আইন অনুযায়ী মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম অর্থাৎ ৫ হাজার ৭০২ ভোটের কম পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
উল্লেখ্য, গেল বছরের ২৬ ডিসেম্বর জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন মারা যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তাঁরা হলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতাউর রহমান ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর হারুন রাশীদ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার।
মুরাদ উদ্দিন বলেন, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী নির্বাচনে মোট প্রাপ্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ৮ ভাগের ১ ভাগের কম ভোট যদি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পান, তাহলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। উপনির্বাচনের মোট ৪৫ হাজার ৬২০ ভোট প্রদান করা হয়েছে। ফলে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যদি ৫ হাজার ৭০২ ভোটের চেয়ে কম ভোট পান, তাহলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
মুরাদ উদ্দিন আরও বলেন, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে পাঁচ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. নুরুল ইসলাম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২২ হাজার ২১২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম পান ১১ হাজার ২০৩ ভোট ও জমিয়ত উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী আব্দুল কাইয়ুম কামালি সিতু পেয়েছেন ৬ হাজার ১৪৪ ভোট। সুতরাং মোট ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগের বেশি ভোট পেয়েছেন। ফলে তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে না। তবে অপর ২ প্রার্থী নির্বাচনী আইন অনুযায়ী মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম অর্থাৎ ৫ হাজার ৭০২ ভোটের কম পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
উল্লেখ্য, গেল বছরের ২৬ ডিসেম্বর জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন মারা যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে