
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মামা-ভাগনে নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে ডাবর-জগন্নাথপুর সড়কের সিচনী পয়েন্টসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন জেলার দিরাই উপজেলার নুরপুর গ্রামের মৃত সৈয়দ মখদ্দুস আলীর ছেলে আমিরুল ইসলাম (৫০) ও তাঁর ভাগনে রাজিন আহমেদ (২৬)। রাজিন শান্তিগঞ্জ উপজেলার আক্তারপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জগন্নাথপুর থেকে মোটরসাইকেলে দুজন শান্তিগঞ্জের পাগলা বাজারের উদ্দেশে রওনা হন। পথে উপজেলার সিচনী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থালেই মারা যান দুজন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা শান্তিগঞ্জ থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। দুই পাশে আটকে পড়ে শত শত যানবাহন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় এক ঘণ্টা পর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আকরাম আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অটোরিকশাটি জব্দ করা হলেও পলাতক রয়েছেন চালক। মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আগামী রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রার্থী হিসেবে ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
৬ মিনিট আগে
নওগাঁর মান্দায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আব্দুল জলিল নামে এক ব্যক্তির চার শতাধিক ফলন্ত কলার গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। জলিল বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে শরিকান জমি নিয়ে প্রতিপক্ষ আব্দুর রাজ্জাক গংদের সঙ্গে বিরোধ চলছে। আজ আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে ৩৫ থেকে ৪০ জন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার
২৪ মিনিট আগে
২০১৮ সালে সহকারী শিক্ষক এনামুল হকের সঙ্গে নাসিমা বেগমের বিবাহ হয়। এর পর থেকে এনামুল হক পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নাসিমাকে নির্যাতন শুরু করেন। পরে নাসিমা বেগম ২০২২ সালে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে আদালতে মামলা করেন। পরে এনামুল হক মামলাটি মীমাংসা করে নেন। এরপর আবারও ১০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে
২৭ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। গোডাউনে মূলত রং ও তারপিন টাইপের কেমিক্যাল ছিল। গোডাউনের মালিকপক্ষ বা কোনো কর্মকর্তার খোঁজ না পাওয়ায় কারখানার নাম জানা সম্ভব হয়নি।
৩২ মিনিট আগে