প্রতিনিধি, কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ)

রেজাউল করিম মান্নানের আড়াই বছরের মেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন করোনা আক্রান্ত হয়ে। মেয়ের চিকিৎসার খরচের জন্য নিজের বসত ঘরটিও বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি। সহায় সম্বলহীন রেজাউল করিমের ঘরে খাবার নেই। প্রচণ্ড ক্ষুধায় প্রতিবেশীদের কাছে খাবার চাইলেও মেলেনি খাবার।
ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ঝঐল ইউনিয়নের চালা গ্রামে।
রেজাউল করিম মান্নান আজকের পত্রিকাকে বলেন, আড়াই বছরের মেয়ে সাইমুন অসুস্থ থাকায় তাকে সিরাজগঞ্জের সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে নিয়ে গেলে শিশুটিকে দেখে ডাক্তার ভেন্টিলেটর দিতে বলে কিন্তু সেখানে শিশুদের ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ না থাকায় গত শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটার দিকে শিশুটি মারা যায়। পরে ঢাকা থেকে নিজ এলাকায় এনে দাফন করা হয়।
এরপর থেকেই গ্রামের লোকজন আমাদের কাছে থেকে দূরে দূরে থাকে। ঘরে খাবার না থাকায় তাদের কাছে খাবার চাইলেও কেউ খাবার দেয়নি। কোন উপায় না পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেওয়া হয়। ৯৯৯ ফোন দিলে তারা কামারখন্দের ইউএনও এবং থানার ডিউটি অফিসারের নম্বর দেন। ইউএনওকে পুরো ঘটনা বলে তাঁর কাছে থেকে খাবার আর নিজের পরিবারের সুচিকিৎসা জন্য তাঁকে অনুরোধ করেছি।
রেজাউল করিম আরও বলেন, রবিবার (২৫ জুলাই) হামিদ ডাক্তারের কাছে পরামর্শ অনুযায়ী কামারখন্দ উপজেলা কমপ্লেক্সে থেকে আমার পরিবারকে করোনা টেস্ট করাতে বলেন। এ জন্য সকাল থেকে একটি পাউরুটি খেয়ে হাসপাতালে বসে আছি।
ঝাঐল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. তারা বলেন, শুনেছিলাম মেয়েটি চিকিৎসা অবস্থায় ঢাকায় একটি হাসপাতালে মারা গেছে। ঘরে খাবার নেই এ বিষয় আমাকে সে কিছু বলেনি।
কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেরিনা সুলতানা বলেন, আপনার মাধ্যমেই খাবারের বিষয়টি জানলাম। খুব দ্রুত সময়ের ভেতরে তাঁকে খাবার পৌঁছিয়ে দেওয়া হবে।

রেজাউল করিম মান্নানের আড়াই বছরের মেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন করোনা আক্রান্ত হয়ে। মেয়ের চিকিৎসার খরচের জন্য নিজের বসত ঘরটিও বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি। সহায় সম্বলহীন রেজাউল করিমের ঘরে খাবার নেই। প্রচণ্ড ক্ষুধায় প্রতিবেশীদের কাছে খাবার চাইলেও মেলেনি খাবার।
ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ঝঐল ইউনিয়নের চালা গ্রামে।
রেজাউল করিম মান্নান আজকের পত্রিকাকে বলেন, আড়াই বছরের মেয়ে সাইমুন অসুস্থ থাকায় তাকে সিরাজগঞ্জের সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে নিয়ে গেলে শিশুটিকে দেখে ডাক্তার ভেন্টিলেটর দিতে বলে কিন্তু সেখানে শিশুদের ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ না থাকায় গত শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটার দিকে শিশুটি মারা যায়। পরে ঢাকা থেকে নিজ এলাকায় এনে দাফন করা হয়।
এরপর থেকেই গ্রামের লোকজন আমাদের কাছে থেকে দূরে দূরে থাকে। ঘরে খাবার না থাকায় তাদের কাছে খাবার চাইলেও কেউ খাবার দেয়নি। কোন উপায় না পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেওয়া হয়। ৯৯৯ ফোন দিলে তারা কামারখন্দের ইউএনও এবং থানার ডিউটি অফিসারের নম্বর দেন। ইউএনওকে পুরো ঘটনা বলে তাঁর কাছে থেকে খাবার আর নিজের পরিবারের সুচিকিৎসা জন্য তাঁকে অনুরোধ করেছি।
রেজাউল করিম আরও বলেন, রবিবার (২৫ জুলাই) হামিদ ডাক্তারের কাছে পরামর্শ অনুযায়ী কামারখন্দ উপজেলা কমপ্লেক্সে থেকে আমার পরিবারকে করোনা টেস্ট করাতে বলেন। এ জন্য সকাল থেকে একটি পাউরুটি খেয়ে হাসপাতালে বসে আছি।
ঝাঐল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. তারা বলেন, শুনেছিলাম মেয়েটি চিকিৎসা অবস্থায় ঢাকায় একটি হাসপাতালে মারা গেছে। ঘরে খাবার নেই এ বিষয় আমাকে সে কিছু বলেনি।
কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেরিনা সুলতানা বলেন, আপনার মাধ্যমেই খাবারের বিষয়টি জানলাম। খুব দ্রুত সময়ের ভেতরে তাঁকে খাবার পৌঁছিয়ে দেওয়া হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে