শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে তুচ্ছ ঘটনার জেরে একই গ্রামের দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের শাহজাদপুর এবং পাবনার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের চরাচিথুলিয়া গ্রামে ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। উভয় পক্ষ হাঁসুয়া, দা, ফালা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। সংঘর্ষের সময় পুরো গ্রাম রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে শাহজাদপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় দুপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন জিয়ারুল ফকির এবং মাহফুজ সরকার। গতকাল শনিবার রাতে গ্রামের একটি ইসলামি জালসায় ওয়াজ শুনতে গিয়ে মঞ্জু সরকারের ১৩ বছর বয়সী ছেলে নিরবের সঙ্গে ইউসুফ ফকিরের ১৫ বছর বয়সী শিমুলের ঝগড়া হয়। এ নিয়ে রাতেই নিরব এবং শিমুলের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি দুপক্ষের অভিভাবকেরা জানার পর উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
গ্রামের সরকার গ্রুপ এবং ফকির গ্রুপের পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। বেলা ১১টা পর্যন্ত চলা এ সংঘর্ষে সরকার গ্রুপের আব্দুল মতিন সরকার, রিপন সরকার, শিশির সরকার, টেক্কা সরকার, মিলন সরকার, আরিফ সরকার এবং ফকির গ্রুপের আলতাফ ফকির, সাগর ফকির, জেলহক ফকির, জিহাদ ফকির, শিমুল ফকির, জিয়ারুল ফকির, সাজেদা খাতুন, রাকিব ফকিরসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। উভয় পক্ষের ১০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘রোববার সকালে তুচ্ছ ঘটনায় দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়ালে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। পরে উভয় পক্ষের নেতাদের কাছ থেকে মারামারি করবে না মর্মে মুচলেকা নিয়ে শান্ত করা হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্তরা আইনি সহযোগিতা চাইলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে তুচ্ছ ঘটনার জেরে একই গ্রামের দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের শাহজাদপুর এবং পাবনার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের চরাচিথুলিয়া গ্রামে ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। উভয় পক্ষ হাঁসুয়া, দা, ফালা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। সংঘর্ষের সময় পুরো গ্রাম রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে শাহজাদপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় দুপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন জিয়ারুল ফকির এবং মাহফুজ সরকার। গতকাল শনিবার রাতে গ্রামের একটি ইসলামি জালসায় ওয়াজ শুনতে গিয়ে মঞ্জু সরকারের ১৩ বছর বয়সী ছেলে নিরবের সঙ্গে ইউসুফ ফকিরের ১৫ বছর বয়সী শিমুলের ঝগড়া হয়। এ নিয়ে রাতেই নিরব এবং শিমুলের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি দুপক্ষের অভিভাবকেরা জানার পর উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
গ্রামের সরকার গ্রুপ এবং ফকির গ্রুপের পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। বেলা ১১টা পর্যন্ত চলা এ সংঘর্ষে সরকার গ্রুপের আব্দুল মতিন সরকার, রিপন সরকার, শিশির সরকার, টেক্কা সরকার, মিলন সরকার, আরিফ সরকার এবং ফকির গ্রুপের আলতাফ ফকির, সাগর ফকির, জেলহক ফকির, জিহাদ ফকির, শিমুল ফকির, জিয়ারুল ফকির, সাজেদা খাতুন, রাকিব ফকিরসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। উভয় পক্ষের ১০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘রোববার সকালে তুচ্ছ ঘটনায় দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়ালে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। পরে উভয় পক্ষের নেতাদের কাছ থেকে মারামারি করবে না মর্মে মুচলেকা নিয়ে শান্ত করা হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্তরা আইনি সহযোগিতা চাইলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৭ ঘণ্টা আগে