হোসাইন ময়নুল, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ)

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার মহাসড়কে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত অবৈধ ইজিবাইক, শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নসিমন, করিমন, ট্রলি, সিএনজি ও অটো ভ্যান। এতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা, অকালেই হারাচ্ছে হাজারো প্রাণ। বিশেষ করে পাবনা-বগুড়া মহাসড়কের বোয়ালিয়া বাজার, শ্রীকোলা মোড়, শ্যামলীপাড়া বাসস্ট্যান্ড, বালসাবাড়ী বাজার এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ। এসব জায়গায় ইজিবাইক, সিএনজি ও অটো ভ্যান স্ট্যান্ড করে দাঁড়িয়ে থাকে। এতে মহাসড়কের অর্ধেকই চালকদের দখলে থাকে। কোনোভাবেই যেন মহাসড়কে এই অবৈধ যানবাহন চলাচল থামানো যাচ্ছে না। ফলে প্রতিনিয়ত মহাসড়কে ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। এতে পথচারী, যাত্রী, চালক ও শ্রমিক অকালেই প্রাণ হারাচ্ছে।
এ বিষয়ে পথচারী আনোয়ার ইসলাম বলেন, অবৈধ এসব যানবাহন মহাসড়কে দুর্ঘটনার মূল কারণ। ওদের নেই কোনো কাগজপত্র, ড্রাইভার সিটে বসে আছে শিশু-কিশোরেরা। অদক্ষ ড্রাইভার দিয়ে এসব যানবাহন পরিচালিত হয়ে থাকে। প্রশিক্ষণ ছাড়া এসব ড্রাইভার দিয়ে গাড়ি চালানোর জন্য প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। এসব ছোট গাড়ি যেখানে-সেখানেই পার্কিং করে রাখা হয়, যার কারণে বড় গাড়িগুলো চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। তাই এগুলোর ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
দূরপাল্লার বাসচলক সাব্বির হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রশিক্ষণ নিয়ে মহাসড়কে যানবাহন চালাচ্ছি। অথচ আমরা কোনো দুর্ঘটনার শিকার হলে সরকারি আইনে আমাদের পাঁচ বছরের সাজা দেওয়া হয়। কিন্তু ওই সব অবৈধ যানবাহনচালকের নেই কোনো ধরনের কাগজপত্র এবং তাদের কোনো প্রকার জরিমানাও করা হয় না। অথচ পুলিশকে ম্যানেজ করেই এসব অবৈধ যানবাহন মহাসড়কে চলাচল করছে।
এ বিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিনিয়তই অবৈধ এসব যানবাহন আটক করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার মহাসড়কে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত অবৈধ ইজিবাইক, শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নসিমন, করিমন, ট্রলি, সিএনজি ও অটো ভ্যান। এতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা, অকালেই হারাচ্ছে হাজারো প্রাণ। বিশেষ করে পাবনা-বগুড়া মহাসড়কের বোয়ালিয়া বাজার, শ্রীকোলা মোড়, শ্যামলীপাড়া বাসস্ট্যান্ড, বালসাবাড়ী বাজার এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ। এসব জায়গায় ইজিবাইক, সিএনজি ও অটো ভ্যান স্ট্যান্ড করে দাঁড়িয়ে থাকে। এতে মহাসড়কের অর্ধেকই চালকদের দখলে থাকে। কোনোভাবেই যেন মহাসড়কে এই অবৈধ যানবাহন চলাচল থামানো যাচ্ছে না। ফলে প্রতিনিয়ত মহাসড়কে ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। এতে পথচারী, যাত্রী, চালক ও শ্রমিক অকালেই প্রাণ হারাচ্ছে।
এ বিষয়ে পথচারী আনোয়ার ইসলাম বলেন, অবৈধ এসব যানবাহন মহাসড়কে দুর্ঘটনার মূল কারণ। ওদের নেই কোনো কাগজপত্র, ড্রাইভার সিটে বসে আছে শিশু-কিশোরেরা। অদক্ষ ড্রাইভার দিয়ে এসব যানবাহন পরিচালিত হয়ে থাকে। প্রশিক্ষণ ছাড়া এসব ড্রাইভার দিয়ে গাড়ি চালানোর জন্য প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। এসব ছোট গাড়ি যেখানে-সেখানেই পার্কিং করে রাখা হয়, যার কারণে বড় গাড়িগুলো চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। তাই এগুলোর ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
দূরপাল্লার বাসচলক সাব্বির হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রশিক্ষণ নিয়ে মহাসড়কে যানবাহন চালাচ্ছি। অথচ আমরা কোনো দুর্ঘটনার শিকার হলে সরকারি আইনে আমাদের পাঁচ বছরের সাজা দেওয়া হয়। কিন্তু ওই সব অবৈধ যানবাহনচালকের নেই কোনো ধরনের কাগজপত্র এবং তাদের কোনো প্রকার জরিমানাও করা হয় না। অথচ পুলিশকে ম্যানেজ করেই এসব অবৈধ যানবাহন মহাসড়কে চলাচল করছে।
এ বিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিনিয়তই অবৈধ এসব যানবাহন আটক করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে