
টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার নিচু এলাকার আমন বীজতলা তলিয়ে গেছে। এতে আমনচাষিরা এই মৌসুমে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। বৃষ্টিতে বেশির ভাগ এলাকা জলমগ্ন হয়ে অনেক সবজির খেত ডুবে গেছে। ফলে সবজিচাষিরাও পড়েছেন বিপাকে।
গত বুধবার থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। আজ শুক্রবারও সূর্যের মুখ দেখা যায়নি; দিনভর বৃষ্টি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে পাটকেলঘাটার তৈলকুপি, শাকদহ, চোমরখালী, মিঠাবাড়ী, নগরঘাটা, সরুলিয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
পাটকেলঘাটার আমতলাডাঙ্গা গ্রামের আমনচাষি আমিনুর মোড়ল বলেন, ‘আমার আমন বীজতলা পানির নিচে। পানি দ্রুত না নামলে নতুন করে বীজতলা তৈরি করতে হবে।’ ধানচাষি হাবিবুর রহমানও তাঁর বীজতলা তলিয়ে যাওয়ার কথা জানান।
এ বিষয়ে উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কল্যাণ পাল বলেন, শাকসবজির বেশি ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত পানি নেমে গেলে বীজতলার তেমন ক্ষতি হবে না। তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা বেগম জানান, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে উপজেলার সবজিচাষিরা বিপাকে পড়েছেন। চাষিরা এখনো পুরোপুরি আমন বীজতলার কাজ শুরু করেননি।

মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে বাগিয়ে নেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রাফটসম্যান শাহিন আলম। এখন সেই প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।
১ ঘণ্টা আগে
পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে লিখে যাচ্ছেন খাতায়। তাঁদের পাশে বসে লিখছেন আরেক শিক্ষার্থী কলি রানী। তাঁকে দেওয়া হয়েছে ছোট বেঞ্চ। আর সেখানে বসেই মনোযোগসহকারে পা দিয়ে উত্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে তীব্র ওষুধসংকট, জনবল ঘাটতি, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। ফলে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ১১ লাখ মানুষ এসব ক্লিনিক থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধসহ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বয়স্ক, গর্ভবতী নারী ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী।
২ ঘণ্টা আগে
আড়াই বছর ধরে থমকে রয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) কৃষি যান্ত্রিকীকরণের প্রকল্প। গত ১১ মাস বেতন পাচ্ছেন না প্রকল্পটির ৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী। অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ প্রকল্পটির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতার কারণে টাকা থাকা সত্ত্বেও সারা দেশে এর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে