সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে মাদক কারবারি হিসেবে আটকের পর চাঁদা আদায়ের চেষ্টাকালে দুই কারারক্ষীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত সোয়া ৯টার দিকে সদর উপজেলার রাজনগর এলাকায় বেত্রাবতী খালের ব্রিজ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে দুটি হাতকড়া ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
আজ শনিবার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজামুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার কারারক্ষীরা হলেন—ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার বালাপাড়া গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে সাতক্ষীরা কারাগারের কারারক্ষী মামুন হোসেন (২৭) ও একই উপজেলার ভাউটিয়া গ্রামের ডব্লিউ বিশ্বাসের ছেলে কারারক্ষী রাজন বিশ্বাস (২৯)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে রাজনগর গ্রামের বেত্রাবর্তী খালের ব্রিজের ওপর গতকাল শুক্রবার রাত ৮টা থেকে অবস্থান করছিলেন দুই কারারক্ষীসহ আরেক ব্যক্তি। এ সময় তাঁরা এক ব্যক্তিকে মাদক কারবারি বলে তাঁর কাছ থেকে ১ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে আটক করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।
এদিকে স্থানীয়রা দুই কারারক্ষীর একজনকে চিনতে পারায় বিষয়টি তারা দ্রুত জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে অবহিত করে। রাত সোয়া ৯টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক রুবেল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মামুন ও রাজনকে দুটি হাতকড়াসহ গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যেই কারারক্ষীদের সঙ্গে থাকা অপরজন এবং মাদক কারবারি হিসেবে দাবি ওই ব্যক্তিও পালিয়ে যায়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. শামীমুল হক জানান, গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রুবেল আহম্মেদ বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় সাতক্ষীরা জেলা কারাগারে কর্মরত কারারক্ষী মামুন হোসেন ও রাজন বিশ্বাসের নাম উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা একজনকে আসামি রয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সাতক্ষীরায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে মাদক কারবারি হিসেবে আটকের পর চাঁদা আদায়ের চেষ্টাকালে দুই কারারক্ষীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত সোয়া ৯টার দিকে সদর উপজেলার রাজনগর এলাকায় বেত্রাবতী খালের ব্রিজ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে দুটি হাতকড়া ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
আজ শনিবার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজামুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার কারারক্ষীরা হলেন—ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার বালাপাড়া গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে সাতক্ষীরা কারাগারের কারারক্ষী মামুন হোসেন (২৭) ও একই উপজেলার ভাউটিয়া গ্রামের ডব্লিউ বিশ্বাসের ছেলে কারারক্ষী রাজন বিশ্বাস (২৯)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে রাজনগর গ্রামের বেত্রাবর্তী খালের ব্রিজের ওপর গতকাল শুক্রবার রাত ৮টা থেকে অবস্থান করছিলেন দুই কারারক্ষীসহ আরেক ব্যক্তি। এ সময় তাঁরা এক ব্যক্তিকে মাদক কারবারি বলে তাঁর কাছ থেকে ১ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে আটক করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।
এদিকে স্থানীয়রা দুই কারারক্ষীর একজনকে চিনতে পারায় বিষয়টি তারা দ্রুত জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে অবহিত করে। রাত সোয়া ৯টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক রুবেল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মামুন ও রাজনকে দুটি হাতকড়াসহ গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যেই কারারক্ষীদের সঙ্গে থাকা অপরজন এবং মাদক কারবারি হিসেবে দাবি ওই ব্যক্তিও পালিয়ে যায়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. শামীমুল হক জানান, গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রুবেল আহম্মেদ বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় সাতক্ষীরা জেলা কারাগারে কর্মরত কারারক্ষী মামুন হোসেন ও রাজন বিশ্বাসের নাম উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা একজনকে আসামি রয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামমুখী লেনে চলন্ত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এ সময় দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুর রহমান ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
২ মিনিট আগে
বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
৭ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
৩১ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে