শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদী থেকে পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটারযুক্ত একটি বিশাল আকৃতির কচ্ছপ ধরা পড়েছে। স্থানীয় জেলেদের জালে এটি ধরা পড়ে। গতকাল রোববার সকালে কচ্ছপটি আটকের পর বনকর্মীরা উদ্ধার করে। পরে তা সুন্দরবনে অবমুক্ত করার জন্য নিয়ে যান।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালের দিকে স্থানীয় জেলেদের মাধ্যমে তারা খোলপেটুয়া নদী থেকে পিঠে ট্রান্সমিটারযুক্ত ওই কচ্ছপটি আটকের বিষয়ে জানতে পারেন। এরপর বেলা ১১টার দিকে পশ্চিম সুন্দরবনের কোবাদক স্টেশন অফিসার ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে বনকর্মীরা সেখানে পৌঁছে কচ্ছপটিকে নিজেদের জিম্মায় নেন।
শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের নাপিতখালী গ্রামের হারুন নামের এক জেলের জালে কচ্ছপটি ধরা পড়ে। প্রায় ৩০ কেজি ওজনের কচ্ছপটির পরবর্তীতে উদ্ধার করে নিয়ে সুন্দরবনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জেলে আবুল হোসেন জানান, বড় আকৃতির কচ্ছপটি তাদের সহযোগী জেলের জালে উঠতেই তারা বন বিভাগকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরবর্তীতে সুন্দরবনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বনকর্মীরা সে কচ্ছপ নিয়ে যান। কচ্ছপের পিঠে ট্রান্সমিটার থাকায় কিছুটা ভীত হন তাঁরা। পরে সহযোগীদের মাধ্যমে বন বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়।
নাপিতকালী গ্রামের ওই তরুণ জেলে বলেন, সকালে জাল তুলতেই বিশাল ওজনের কচ্ছপ আটকে থাকতে দেখে তিনি বিস্মিত হন। পরবর্তীতে পিঠে ট্রান্সমিটার থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হলে কিছুটা ভড়কে যান। বিশেষ কাজে ব্যবহৃত কচ্ছপটিকে বন বিভাগের হাতে তুলে দিতে পারায় খুশি বলে জানান তিনি।
পশ্চিম সুন্দরবনের সহকারী বন সংরক্ষক এম এ হাসান জানান, পিঠে ট্রান্সমিটারযুক্ত কচ্ছপের সহায়তায় বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের কাজ করা হতো কিছুদিন আগেও। তবে আটকের পর অবমুক্ত কচ্ছপের পিঠে স্থাপনকৃত ট্রান্সমিটার কার্যকর রয়েছে কিনা সে বিষয়ে তারা অবগত নন।

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদী থেকে পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটারযুক্ত একটি বিশাল আকৃতির কচ্ছপ ধরা পড়েছে। স্থানীয় জেলেদের জালে এটি ধরা পড়ে। গতকাল রোববার সকালে কচ্ছপটি আটকের পর বনকর্মীরা উদ্ধার করে। পরে তা সুন্দরবনে অবমুক্ত করার জন্য নিয়ে যান।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালের দিকে স্থানীয় জেলেদের মাধ্যমে তারা খোলপেটুয়া নদী থেকে পিঠে ট্রান্সমিটারযুক্ত ওই কচ্ছপটি আটকের বিষয়ে জানতে পারেন। এরপর বেলা ১১টার দিকে পশ্চিম সুন্দরবনের কোবাদক স্টেশন অফিসার ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে বনকর্মীরা সেখানে পৌঁছে কচ্ছপটিকে নিজেদের জিম্মায় নেন।
শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের নাপিতখালী গ্রামের হারুন নামের এক জেলের জালে কচ্ছপটি ধরা পড়ে। প্রায় ৩০ কেজি ওজনের কচ্ছপটির পরবর্তীতে উদ্ধার করে নিয়ে সুন্দরবনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জেলে আবুল হোসেন জানান, বড় আকৃতির কচ্ছপটি তাদের সহযোগী জেলের জালে উঠতেই তারা বন বিভাগকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরবর্তীতে সুন্দরবনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বনকর্মীরা সে কচ্ছপ নিয়ে যান। কচ্ছপের পিঠে ট্রান্সমিটার থাকায় কিছুটা ভীত হন তাঁরা। পরে সহযোগীদের মাধ্যমে বন বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়।
নাপিতকালী গ্রামের ওই তরুণ জেলে বলেন, সকালে জাল তুলতেই বিশাল ওজনের কচ্ছপ আটকে থাকতে দেখে তিনি বিস্মিত হন। পরবর্তীতে পিঠে ট্রান্সমিটার থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হলে কিছুটা ভড়কে যান। বিশেষ কাজে ব্যবহৃত কচ্ছপটিকে বন বিভাগের হাতে তুলে দিতে পারায় খুশি বলে জানান তিনি।
পশ্চিম সুন্দরবনের সহকারী বন সংরক্ষক এম এ হাসান জানান, পিঠে ট্রান্সমিটারযুক্ত কচ্ছপের সহায়তায় বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের কাজ করা হতো কিছুদিন আগেও। তবে আটকের পর অবমুক্ত কচ্ছপের পিঠে স্থাপনকৃত ট্রান্সমিটার কার্যকর রয়েছে কিনা সে বিষয়ে তারা অবগত নন।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২৯ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
৩৩ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
৩৫ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
৩৮ মিনিট আগে