শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার হওয়া সাতক্ষীরার রোজিনা খাতুন (৩৪) দেশে ফিরেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে সৌদির বন্দীদশা থেকে গতকাল বুধবার ওই নারীকে দেশে পাঠানো হয়। রোজিনা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট গ্রামের এবাদুল ইসলামের মেয়ে। সম্প্রতি স্বামীর সঙ্গে তালাক হয়ে যাওয়ার পর উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভনে তাঁকে সৌদি আরবে পাচার করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর ভাই সালাউদ্দীন জাহাঙ্গীর গত ২ মে শ্যামনগর থানায় মানব পাচারের মামলা করেছেন। মামলায় ঢাকার মতিঝিলস্থ সেভেন স্টারস ম্যানপাওয়ার সার্ভিসেস এর ম্যানেজার রাসেল আকন, স্থানীয় এজেন্ট তাসলিমা ও তাঁর ছেলে মোস্তাফিজুরসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।
সালাউদ্দীন জানান, তার বোনকে ভালো বেতনে চাকরির প্রলোভন দিয়ে সৌদিতে নিয়ে যায় মতিঝিলের সেভেন স্টারস ম্যানপাওয়ার সার্ভিসেস প্রতিষ্ঠান। তবে ১৭ মার্চ সেখানে পৌঁছানোর পর থেকে তার ওপর চরম নির্যাতন চালানো শুরু হয়। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে রোজিনার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে আটকে রেখে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
এ ছাড়া বিভিন্ন বাড়িতে দৈনিক পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কাজের জন্য পাঠানো হলেও তাঁকে পারিশ্রমিকের অর্থ দেওয়া হতো না। এমনকি অভুক্ত রেখে ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁকে অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করার পাশাপাশি আপত্তি জানালে বেপরোয়া মারধর করা হতো। এ ছাড়া শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় সঙ্গে নিয়ে যাওয়া ওষুধগুলো কেড়ে নিয়ে ফেলে দেওয়া হয়।
সালাউদ্দীন আরও জানান, গত ১৬ এপ্রিল অপর একজনের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে রোজিনা তাকে হোয়াটসঅ্যাপ ভয়েস রেকর্ড পাঠায়। সেখানে নিজের ওপর চরম অমানবিক আর শারীরিক ও পাশবিক নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ করে তাঁকে বাঁচানোর জন্য পরিবারের প্রতি আকুতি জানায়। এ সময় সংশ্লিষ্ট সেভেন স্টারস ম্যানপাওয়ার সার্ভিসেস নামীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা সহযোগিতা করেনি। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন এক পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় শ্যামনগর থানায় গত ২ মে তিনি বাদী হয়ে মামলা করেন।
মামলার পর পুলিশ পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িতদের একজনকে গ্রেপ্তারের পর সেভেন স্টারস ম্যানপাওয়ার সার্ভিসেস রোজিনাকে ফিরিয়ে দেয় বলে জানান তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরির্দশক মো. হানিফ জানান, গতকাল বুধবার দেশে ফেরার পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে শ্যামনগর থানায় নেওয়া হয়েছে। শারীরিকভাবে অসুস্থ রোজিনাকে থানার নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী সার্ভিস ডেস্কে রাখা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ভিকটিম ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার হওয়া সাতক্ষীরার রোজিনা খাতুন (৩৪) দেশে ফিরেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে সৌদির বন্দীদশা থেকে গতকাল বুধবার ওই নারীকে দেশে পাঠানো হয়। রোজিনা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট গ্রামের এবাদুল ইসলামের মেয়ে। সম্প্রতি স্বামীর সঙ্গে তালাক হয়ে যাওয়ার পর উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভনে তাঁকে সৌদি আরবে পাচার করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর ভাই সালাউদ্দীন জাহাঙ্গীর গত ২ মে শ্যামনগর থানায় মানব পাচারের মামলা করেছেন। মামলায় ঢাকার মতিঝিলস্থ সেভেন স্টারস ম্যানপাওয়ার সার্ভিসেস এর ম্যানেজার রাসেল আকন, স্থানীয় এজেন্ট তাসলিমা ও তাঁর ছেলে মোস্তাফিজুরসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।
সালাউদ্দীন জানান, তার বোনকে ভালো বেতনে চাকরির প্রলোভন দিয়ে সৌদিতে নিয়ে যায় মতিঝিলের সেভেন স্টারস ম্যানপাওয়ার সার্ভিসেস প্রতিষ্ঠান। তবে ১৭ মার্চ সেখানে পৌঁছানোর পর থেকে তার ওপর চরম নির্যাতন চালানো শুরু হয়। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে রোজিনার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে আটকে রেখে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
এ ছাড়া বিভিন্ন বাড়িতে দৈনিক পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কাজের জন্য পাঠানো হলেও তাঁকে পারিশ্রমিকের অর্থ দেওয়া হতো না। এমনকি অভুক্ত রেখে ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁকে অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করার পাশাপাশি আপত্তি জানালে বেপরোয়া মারধর করা হতো। এ ছাড়া শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় সঙ্গে নিয়ে যাওয়া ওষুধগুলো কেড়ে নিয়ে ফেলে দেওয়া হয়।
সালাউদ্দীন আরও জানান, গত ১৬ এপ্রিল অপর একজনের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে রোজিনা তাকে হোয়াটসঅ্যাপ ভয়েস রেকর্ড পাঠায়। সেখানে নিজের ওপর চরম অমানবিক আর শারীরিক ও পাশবিক নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ করে তাঁকে বাঁচানোর জন্য পরিবারের প্রতি আকুতি জানায়। এ সময় সংশ্লিষ্ট সেভেন স্টারস ম্যানপাওয়ার সার্ভিসেস নামীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা সহযোগিতা করেনি। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন এক পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় শ্যামনগর থানায় গত ২ মে তিনি বাদী হয়ে মামলা করেন।
মামলার পর পুলিশ পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িতদের একজনকে গ্রেপ্তারের পর সেভেন স্টারস ম্যানপাওয়ার সার্ভিসেস রোজিনাকে ফিরিয়ে দেয় বলে জানান তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরির্দশক মো. হানিফ জানান, গতকাল বুধবার দেশে ফেরার পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে শ্যামনগর থানায় নেওয়া হয়েছে। শারীরিকভাবে অসুস্থ রোজিনাকে থানার নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী সার্ভিস ডেস্কে রাখা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ভিকটিম ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
৪২ মিনিট আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে সৃষ্ট যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
১ ঘণ্টা আগে
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। আজ দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
১ ঘণ্টা আগে