সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় গ্রাহকের ৫০ কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নেওয়া বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ‘প্রগতি’র পরিচালক প্রাণনাথ দাসকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে শহরের পুরোনো সাতক্ষীরার মন্দির এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহিদুল ইসলাম এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অধিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে সাতক্ষীরার কয়েক শ লোকের কোটি কোটি টাকা আমানত হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল প্রাণনাথ দাসের বিরুদ্ধে। আজ শনিবার সকালে তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর প্রতারণার শিকার প্রশান্ত গাইন নামের একজন প্রাণনাথ দাসসহ চারজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেছেন।’
এদিকে টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় থানার সামনে ভিড় করতে দেখা গেছে বিক্ষুব্ধ আমানতকারীদের। শহরের কাটিয়া কর্মকারপাড়ার প্রশান্ত গাইন বলেন, ‘আমিসহ আমার ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকে ৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রাণনাথ দাস। দীর্ঘদিন ঘুরিয়ে একপর্যায়ে গা ঢাকা দেয় সে। আমরা সবাই থানায় এসেছি। দেখা যাক, একটা প্রতিকার হয় কিনা।’
প্রসঙ্গত, প্রাণনাথ দাস শহরের কামালনগর এলাকায় ‘প্রগতি’ নামের একটি সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটি গড়ে তোলেন। কয়েক শ গ্রাহকের কাছ থেকে অন্তত ৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। শহরের পুরোনো সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় মন্দিরের পাশে রয়েছে তাঁর আলিশান বাড়ি। গত বছরের শেষ দিকে গ্রাহকের চাপে ভারতে পালিয়ে যান তিনি। এরই মধ্যে পাসপোর্ট না থাকায় চলতি বছরের ১৯ মার্চ ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গোবরডাঙ্গা এলাকা থেকে তিনি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। এরপর কয়েক মাস কারাভোগের পর গত ৬ জুন দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে তাঁকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়।
এদিকে আটজনের কাছ থেকে ২৪ লাখের বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আশাশুনি উপজেলার পাইথলি গ্রামের অসিত দাসের ছেলে নীলমণি দাস গত ২৩ জানুয়ারি সাতক্ষীরার আমলি আদালতে প্রাণনাথ দাস, তাঁর স্ত্রী ইতি রানী বিশ্বাসসহ ১০ জনের নামে মামলা করেন। পিবিআইয়ের তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেওয়ার পর অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম জিয়ারুল ইসলাম প্রাণনাথ দাস ও তাঁর স্ত্রী ইতি বিশ্বাসের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার নির্দেশ দেন।

সাতক্ষীরায় গ্রাহকের ৫০ কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নেওয়া বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ‘প্রগতি’র পরিচালক প্রাণনাথ দাসকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে শহরের পুরোনো সাতক্ষীরার মন্দির এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহিদুল ইসলাম এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অধিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে সাতক্ষীরার কয়েক শ লোকের কোটি কোটি টাকা আমানত হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল প্রাণনাথ দাসের বিরুদ্ধে। আজ শনিবার সকালে তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর প্রতারণার শিকার প্রশান্ত গাইন নামের একজন প্রাণনাথ দাসসহ চারজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেছেন।’
এদিকে টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় থানার সামনে ভিড় করতে দেখা গেছে বিক্ষুব্ধ আমানতকারীদের। শহরের কাটিয়া কর্মকারপাড়ার প্রশান্ত গাইন বলেন, ‘আমিসহ আমার ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকে ৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রাণনাথ দাস। দীর্ঘদিন ঘুরিয়ে একপর্যায়ে গা ঢাকা দেয় সে। আমরা সবাই থানায় এসেছি। দেখা যাক, একটা প্রতিকার হয় কিনা।’
প্রসঙ্গত, প্রাণনাথ দাস শহরের কামালনগর এলাকায় ‘প্রগতি’ নামের একটি সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটি গড়ে তোলেন। কয়েক শ গ্রাহকের কাছ থেকে অন্তত ৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। শহরের পুরোনো সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় মন্দিরের পাশে রয়েছে তাঁর আলিশান বাড়ি। গত বছরের শেষ দিকে গ্রাহকের চাপে ভারতে পালিয়ে যান তিনি। এরই মধ্যে পাসপোর্ট না থাকায় চলতি বছরের ১৯ মার্চ ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গোবরডাঙ্গা এলাকা থেকে তিনি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। এরপর কয়েক মাস কারাভোগের পর গত ৬ জুন দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে তাঁকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়।
এদিকে আটজনের কাছ থেকে ২৪ লাখের বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আশাশুনি উপজেলার পাইথলি গ্রামের অসিত দাসের ছেলে নীলমণি দাস গত ২৩ জানুয়ারি সাতক্ষীরার আমলি আদালতে প্রাণনাথ দাস, তাঁর স্ত্রী ইতি রানী বিশ্বাসসহ ১০ জনের নামে মামলা করেন। পিবিআইয়ের তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেওয়ার পর অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম জিয়ারুল ইসলাম প্রাণনাথ দাস ও তাঁর স্ত্রী ইতি বিশ্বাসের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার নির্দেশ দেন।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১৯ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২৪ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৬ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২৯ মিনিট আগে