সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার কাশেমপুরে জামায়াত কর্মী শহিদুল ইসলাম বন্দুকযুদ্ধে নিহতের ঘটনায় প্রায় ১০ বছর পর সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ মুজিবর রহমানসহ ৩২ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা হয়েছে। সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নয়ন বড়ালের আদালতে আজ বুধবার এই মামলা করেন নিহতের ভাই ইমাদুল হক।
মামলা হওয়ার সত্যতা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আকবার হোসেন। তিনি জানান, আদালত মামলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এজাহার হিসেবে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিদের মধ্যে অন্যতম হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও তালা-কলারোয়ার সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবর রহমান, সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, সদর থানার সাবেক ওসি এনামুল হক, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান প্রমুখ।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি আসামিরা কালো মাইক্রোবাসে এসে শহিদুল ইসলামকে শহর উপকণ্ঠের কাশেমপুর গ্রাম থেকে তুলে নিয়ে যান। পরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করে যশোর শহর উপকণ্ঠের পিকনিক কর্নারের সামনে মরদেহ রেখে বন্দুকযুদ্ধে নিহতের নাটক সাজানো হয়।
শহিদুল ইসলামের ভাই ইমাদুল হক বলেন, ‘আমার ভাই জামায়াতের কর্মী ছিলেন। তিনি দলটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে যেতেন। তাঁকে বন্দুকযুদ্ধে হত্যার নাটক সাজানো হয়।’

সাতক্ষীরার কাশেমপুরে জামায়াত কর্মী শহিদুল ইসলাম বন্দুকযুদ্ধে নিহতের ঘটনায় প্রায় ১০ বছর পর সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ মুজিবর রহমানসহ ৩২ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা হয়েছে। সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নয়ন বড়ালের আদালতে আজ বুধবার এই মামলা করেন নিহতের ভাই ইমাদুল হক।
মামলা হওয়ার সত্যতা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আকবার হোসেন। তিনি জানান, আদালত মামলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এজাহার হিসেবে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিদের মধ্যে অন্যতম হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও তালা-কলারোয়ার সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবর রহমান, সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, সদর থানার সাবেক ওসি এনামুল হক, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান প্রমুখ।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি আসামিরা কালো মাইক্রোবাসে এসে শহিদুল ইসলামকে শহর উপকণ্ঠের কাশেমপুর গ্রাম থেকে তুলে নিয়ে যান। পরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করে যশোর শহর উপকণ্ঠের পিকনিক কর্নারের সামনে মরদেহ রেখে বন্দুকযুদ্ধে নিহতের নাটক সাজানো হয়।
শহিদুল ইসলামের ভাই ইমাদুল হক বলেন, ‘আমার ভাই জামায়াতের কর্মী ছিলেন। তিনি দলটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে যেতেন। তাঁকে বন্দুকযুদ্ধে হত্যার নাটক সাজানো হয়।’

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৮ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪০ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে