চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

কেউ থালা দিয়ে জমির পানি সেচছেন, কেউ নালা তৈরি করে পানি অপসারণের ব্যবস্থা করছেন আবার কেউ পানিবন্দী জমিতে কাঁদার মধ্যেই রসুন তোলছেন। আজ সোমবার সকালে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চৈত্র মাসের হঠাৎ বৃষ্টিতে শঙ্কিত এই উপজেলার রসুন চাষিরা। বৃষ্টি বেশি হলে জমিতে পানি জমে রসুন নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
উপজেলার সাতনালা গ্রামে রসুন তুলছেন কৃষক মোজাহার হোসেন ও তার স্ত্রী। মোজাহার হোসেন বলেন, ‘টানা দু-দিনের ঝুম বৃষ্টির কারণে জমিতে পানি জমে গেছে। এখনো রসুন তোলার সময় হয়নি। কিন্তু বৃষ্টির পানি জমি থেকে বের করে দেওয়ার কোনো উপায় নেই। জমিতে পানি থাকলে রসুন পচে নষ্ট হয়ে যাবে। এ জন্য কাঁদার মধ্যেই রসুন তোলা হচ্ছে। পরে তা পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।
একই গ্রামের রসুন চাষি জাকির হোসেন, সাত্তার মিয়া বলেন, ‘এমনিতেই বাজারে রসুনের দাম কম। প্রতি বিঘায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। তার ওপর বৃষ্টির পানি। রসুন খেত পানি জমেছে। রসুনের জমিতে পানি জমে থাকলে পচন ধরবে। এতে রসুনের ব্যাপক ক্ষতি হবে।’
বিন্যাকুড়ি গ্রামের রসুন চাষি আবদুল খালেক বলেন, ‘নিজের ২ বিঘা এবং বর্গা নেওয়া ৩ বিঘা জমিতে রসুন চাষ করেছি। ইতিমধ্যে এক বিঘা জমির রসুন বিক্রি করে প্রায় ১৫ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। এখন বৃষ্টির কারণে রসুন নষ্ট হলে পথে বসতে হবে।’
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর এই উপজেলায় ৪ ’শ ১১ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ হয়েছে। তবে ফলন শতভাগ ভালো হলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়া ও বৃষ্টির কারণে রসুন নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।
এ বিষয়ে চিরিরবন্দর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ জোহরা সুলতানা বলেন, ‘এ বছর এই উপজেলায় ৪ ’শ ১১ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার রসুনের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় ও হঠাৎ চৈত্রের বৃষ্টির কারণে কৃষকের হতাশার শেষ নেই। কৃষকেরা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করছেন। আশা করছি জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করলে রসুনের তেমন ক্ষতি হবে না।’

কেউ থালা দিয়ে জমির পানি সেচছেন, কেউ নালা তৈরি করে পানি অপসারণের ব্যবস্থা করছেন আবার কেউ পানিবন্দী জমিতে কাঁদার মধ্যেই রসুন তোলছেন। আজ সোমবার সকালে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চৈত্র মাসের হঠাৎ বৃষ্টিতে শঙ্কিত এই উপজেলার রসুন চাষিরা। বৃষ্টি বেশি হলে জমিতে পানি জমে রসুন নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
উপজেলার সাতনালা গ্রামে রসুন তুলছেন কৃষক মোজাহার হোসেন ও তার স্ত্রী। মোজাহার হোসেন বলেন, ‘টানা দু-দিনের ঝুম বৃষ্টির কারণে জমিতে পানি জমে গেছে। এখনো রসুন তোলার সময় হয়নি। কিন্তু বৃষ্টির পানি জমি থেকে বের করে দেওয়ার কোনো উপায় নেই। জমিতে পানি থাকলে রসুন পচে নষ্ট হয়ে যাবে। এ জন্য কাঁদার মধ্যেই রসুন তোলা হচ্ছে। পরে তা পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।
একই গ্রামের রসুন চাষি জাকির হোসেন, সাত্তার মিয়া বলেন, ‘এমনিতেই বাজারে রসুনের দাম কম। প্রতি বিঘায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। তার ওপর বৃষ্টির পানি। রসুন খেত পানি জমেছে। রসুনের জমিতে পানি জমে থাকলে পচন ধরবে। এতে রসুনের ব্যাপক ক্ষতি হবে।’
বিন্যাকুড়ি গ্রামের রসুন চাষি আবদুল খালেক বলেন, ‘নিজের ২ বিঘা এবং বর্গা নেওয়া ৩ বিঘা জমিতে রসুন চাষ করেছি। ইতিমধ্যে এক বিঘা জমির রসুন বিক্রি করে প্রায় ১৫ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। এখন বৃষ্টির কারণে রসুন নষ্ট হলে পথে বসতে হবে।’
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর এই উপজেলায় ৪ ’শ ১১ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ হয়েছে। তবে ফলন শতভাগ ভালো হলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়া ও বৃষ্টির কারণে রসুন নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।
এ বিষয়ে চিরিরবন্দর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ জোহরা সুলতানা বলেন, ‘এ বছর এই উপজেলায় ৪ ’শ ১১ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার রসুনের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় ও হঠাৎ চৈত্রের বৃষ্টির কারণে কৃষকের হতাশার শেষ নেই। কৃষকেরা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করছেন। আশা করছি জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করলে রসুনের তেমন ক্ষতি হবে না।’

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১৮ মিনিট আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
১ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
২ ঘণ্টা আগে