জসিম উদ্দিন, নীলফামারী

নিখোঁজের ১০ দিন পরও হদিস মেলেনি সৈয়দপুরের সেই তিন পরিবারের। পরিবার প্রধানদের নামে বিভিন্ন ব্যাংক, এনজিও এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে ঋণের পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা। দেনা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁরা বাড়ি-ঘর ফেলে উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। যমুনা ব্যাংক লিমিটেড সৈয়দপুর শাখা তাঁদের বাড়িতে নোটিশ বোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে।
নিখোঁজ তিন সহোদর নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের কমল চন্দ্র সূত্রধর, পরিমল চন্দ্র সূত্রধর ও নির্মল চন্দ্র সূত্রধর। ইউনিয়নের খোর্দ্দ বোতলাগাড়ী গ্রামের ভুজারিপাড়ায় তাঁদের বাড়ি।
এ বিষয়ে বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত বুধবার যমুনা ব্যাংক লিমিটেড সৈয়দপুর শাখা কর্তৃপক্ষ তাঁদের বাড়িতে নোটিশ দিয়েছে। এতে তাঁদের সম্পত্তি ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ থাকার বিষয়টি দৃশ্যমান। তবে যমুনা ব্যাংক ছাড়াও সৈয়দপুর শহরের আরও একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন তাঁরা।’ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান বলেন, ‘দুটি ব্যাংক থেকে মোট ঋণের পরিমাণ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন এনজিও ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা নিয়েছেন তাঁরা।’
যমুনা ব্যাংক লিমিটেড সৈয়দপুর শাখায় যোগাযোগ করা হলে নোটিশ টাঙানোর বিষয়টি তাঁরা নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে ব্র্যাকের নীলফামারী সদরের কাজীরহাট শাখার ব্যবস্থাপক আইয়ুব আলী বলেন, ‘নির্মল চন্দ্র সূত্রধর (ছোট ভাই) ব্যবসার জন্য ৪ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন, যার মাসিক কিস্তি ৩৮ হাজার টাকা। ঋণ আদায় করতে গিয়ে আত্মগোপনের বিষয়টি জানতে পারি।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড় ভাই কমল চন্দ্র পেশায় দিনমজুর। অন্য দুই ভাই পরিমল চন্দ্রের ইউনিয়ন কার্যালয়সংলগ্ন পোড়ারহাটে রয়েছে মিষ্টির দোকান এবং ছোট ভাই নির্মল চন্দ্রের ওই হাটেই রয়েছে ‘মেসার্স শুভ ট্রেডার্স’ নামে ধান, চাল, গম, ভুট্টার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া নির্মল চন্দ্র সূত্রধর স্থানীয় ব্র্যাক, আশা, গাক, পল্লি দারিদ্র্যবিমোচন, টিএমএসএস নামক এনজিওসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছ থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়েছেন। পাওনাদার এবং ওই সব প্রতিষ্ঠান ঋণের টাকা আদায়ে চাপ দিলে গত ২৩ আগস্ট রাতে তিন ভাই পরিবারসহ বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া ওই তিন পরিবারের সদস্যদের সন্ধান এখনো মেলেনি। তাঁদের অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ করছে।’ তবে কোনো পাওনাদার এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি বলে জানান ওসি।

নিখোঁজের ১০ দিন পরও হদিস মেলেনি সৈয়দপুরের সেই তিন পরিবারের। পরিবার প্রধানদের নামে বিভিন্ন ব্যাংক, এনজিও এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে ঋণের পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা। দেনা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁরা বাড়ি-ঘর ফেলে উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। যমুনা ব্যাংক লিমিটেড সৈয়দপুর শাখা তাঁদের বাড়িতে নোটিশ বোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে।
নিখোঁজ তিন সহোদর নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের কমল চন্দ্র সূত্রধর, পরিমল চন্দ্র সূত্রধর ও নির্মল চন্দ্র সূত্রধর। ইউনিয়নের খোর্দ্দ বোতলাগাড়ী গ্রামের ভুজারিপাড়ায় তাঁদের বাড়ি।
এ বিষয়ে বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত বুধবার যমুনা ব্যাংক লিমিটেড সৈয়দপুর শাখা কর্তৃপক্ষ তাঁদের বাড়িতে নোটিশ দিয়েছে। এতে তাঁদের সম্পত্তি ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ থাকার বিষয়টি দৃশ্যমান। তবে যমুনা ব্যাংক ছাড়াও সৈয়দপুর শহরের আরও একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন তাঁরা।’ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান বলেন, ‘দুটি ব্যাংক থেকে মোট ঋণের পরিমাণ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন এনজিও ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা নিয়েছেন তাঁরা।’
যমুনা ব্যাংক লিমিটেড সৈয়দপুর শাখায় যোগাযোগ করা হলে নোটিশ টাঙানোর বিষয়টি তাঁরা নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে ব্র্যাকের নীলফামারী সদরের কাজীরহাট শাখার ব্যবস্থাপক আইয়ুব আলী বলেন, ‘নির্মল চন্দ্র সূত্রধর (ছোট ভাই) ব্যবসার জন্য ৪ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন, যার মাসিক কিস্তি ৩৮ হাজার টাকা। ঋণ আদায় করতে গিয়ে আত্মগোপনের বিষয়টি জানতে পারি।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড় ভাই কমল চন্দ্র পেশায় দিনমজুর। অন্য দুই ভাই পরিমল চন্দ্রের ইউনিয়ন কার্যালয়সংলগ্ন পোড়ারহাটে রয়েছে মিষ্টির দোকান এবং ছোট ভাই নির্মল চন্দ্রের ওই হাটেই রয়েছে ‘মেসার্স শুভ ট্রেডার্স’ নামে ধান, চাল, গম, ভুট্টার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া নির্মল চন্দ্র সূত্রধর স্থানীয় ব্র্যাক, আশা, গাক, পল্লি দারিদ্র্যবিমোচন, টিএমএসএস নামক এনজিওসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছ থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়েছেন। পাওনাদার এবং ওই সব প্রতিষ্ঠান ঋণের টাকা আদায়ে চাপ দিলে গত ২৩ আগস্ট রাতে তিন ভাই পরিবারসহ বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া ওই তিন পরিবারের সদস্যদের সন্ধান এখনো মেলেনি। তাঁদের অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ করছে।’ তবে কোনো পাওনাদার এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি বলে জানান ওসি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে