ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

শ্রাবণ শেষে চলছে ভাদ্র মাস। এমন সময় ভারী বর্ষণ হচ্ছে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এতে বেড়েছে নদ-নদীর পানি। এমন অবস্থায় দুশ্চিন্তায় আমনচাষিরা।
আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তুহিন মিয়া।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যা থেকে ভারী বর্ষণের ফলে উপজেলার জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জেলার খেটে খাওয়া মানুষ ও দিনমজুরেরা।
এদিকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নিচু এলাকার আমনখেত তলিয়ে গেছে। বাড়ছে নদীর পানি। বন্যার আশঙ্কা করছেন নদী পাড়ের মানুষেরা। দুশ্চিন্তার আছেন আমনচাষিরা।
ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের কবিরমামুদ গ্রামের হুজুর আলী বলেন, ‘কিছুদিন আগে বৃষ্টির পানিতে আমার আমনখেত তলিয়ে ক্ষতি হয়েছিল। পরে পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর আবারও নতুন করে জমিতে ধান রোপণ করেছি। আবার যদি পানি বাড়ে তাহলে ধান নষ্ট হয়ে যাবে। তাহলে আমার কী হবে? আমার আর ক্ষমতা নাই যে আবারও নতুন করে ধান রোপণ করব।’
উপজেলার নাওডাঙ্গা গ্রামের কৃষক মাইদুল হক বলেন, ‘দুই বিঘা জমিতে আমন ধান রোপণ করেছি। গতকাল থেকে আকাশের অবস্থা ভালো না। বৃষ্টি রাত থেকে সমানে চলছে। এ রকম বৃষ্টি থাকলে তো বন্যা হবে। এবার ধান নষ্ট হয়ে গেলে বড় ক্ষতির মুখে পরব।’
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তুহিন মিয়া বলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আগামী ২৬ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি বাড়তে পারে। ফলে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এখনো সবগুলো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা অনেক কম।

শ্রাবণ শেষে চলছে ভাদ্র মাস। এমন সময় ভারী বর্ষণ হচ্ছে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এতে বেড়েছে নদ-নদীর পানি। এমন অবস্থায় দুশ্চিন্তায় আমনচাষিরা।
আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তুহিন মিয়া।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যা থেকে ভারী বর্ষণের ফলে উপজেলার জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জেলার খেটে খাওয়া মানুষ ও দিনমজুরেরা।
এদিকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নিচু এলাকার আমনখেত তলিয়ে গেছে। বাড়ছে নদীর পানি। বন্যার আশঙ্কা করছেন নদী পাড়ের মানুষেরা। দুশ্চিন্তার আছেন আমনচাষিরা।
ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের কবিরমামুদ গ্রামের হুজুর আলী বলেন, ‘কিছুদিন আগে বৃষ্টির পানিতে আমার আমনখেত তলিয়ে ক্ষতি হয়েছিল। পরে পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর আবারও নতুন করে জমিতে ধান রোপণ করেছি। আবার যদি পানি বাড়ে তাহলে ধান নষ্ট হয়ে যাবে। তাহলে আমার কী হবে? আমার আর ক্ষমতা নাই যে আবারও নতুন করে ধান রোপণ করব।’
উপজেলার নাওডাঙ্গা গ্রামের কৃষক মাইদুল হক বলেন, ‘দুই বিঘা জমিতে আমন ধান রোপণ করেছি। গতকাল থেকে আকাশের অবস্থা ভালো না। বৃষ্টি রাত থেকে সমানে চলছে। এ রকম বৃষ্টি থাকলে তো বন্যা হবে। এবার ধান নষ্ট হয়ে গেলে বড় ক্ষতির মুখে পরব।’
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তুহিন মিয়া বলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আগামী ২৬ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি বাড়তে পারে। ফলে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এখনো সবগুলো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা অনেক কম।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে