কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ইউনিয়ন কমিটির সভাপতিসহ সাত নেতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
থানা সূত্র জানায়, যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর চালান মামলার আসামি আওলাদ হোসেন। তিনি নিজেকে রাজধানী টিভির সাংবাদিক বলে পরিচয় দেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁকে রোববার গভীর রাতে ও সোমবার দুপুরে উপজেলা শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি। তিনি গদা গ্রামের নজরুল ইসলামের পুত্র।
অপর দিকে একই মামলার আসামি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক চয়ন মিয়াকে রোববার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের গণেশ গ্রামের সুজা মিয়ার পুত্র। এদিকে বড়ভিটা ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর ঘটনার মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের উপজেলা শাখার সহসভাপতি জামিনুর রহমান চৌধুরীকে রোববার রাতে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাগুরা ইউনিয়নের দক্ষিণ সিঙ্গেরগাড়ী গ্রামের মৃত্যু জিল্লুর রহমানের পুত্র।
উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আশুতোষ সিংহ রায় লক্ষণ সদর ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের জ্যোতি কৃষ্ণ রায়ের পুত্র, নীলফামারী জেলা যুবলীগের সদস্য ফিরোজ হোসেন গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন হাজিপাড়া গ্রামের মোজাফফর হোসেনের পুত্র, বড়ভিটা ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলার আসামি সিরাজুল ইসলাম সদর ইউনিয়নের বাজেডুমরিয়া গ্রামের সাহাদার আলীর পুত্র, আওয়ামী সমর্থক তাপস রায় পুঁটিমারী ইউনিয়নের ভেরভেরি গ্রামের মৃত বিনোদ চন্দ্র রায়ের পুত্র।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলার আসামি। গ্রেপ্তার আসামিদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ইউনিয়ন কমিটির সভাপতিসহ সাত নেতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
থানা সূত্র জানায়, যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর চালান মামলার আসামি আওলাদ হোসেন। তিনি নিজেকে রাজধানী টিভির সাংবাদিক বলে পরিচয় দেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁকে রোববার গভীর রাতে ও সোমবার দুপুরে উপজেলা শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি। তিনি গদা গ্রামের নজরুল ইসলামের পুত্র।
অপর দিকে একই মামলার আসামি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক চয়ন মিয়াকে রোববার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের গণেশ গ্রামের সুজা মিয়ার পুত্র। এদিকে বড়ভিটা ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর ঘটনার মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের উপজেলা শাখার সহসভাপতি জামিনুর রহমান চৌধুরীকে রোববার রাতে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাগুরা ইউনিয়নের দক্ষিণ সিঙ্গেরগাড়ী গ্রামের মৃত্যু জিল্লুর রহমানের পুত্র।
উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আশুতোষ সিংহ রায় লক্ষণ সদর ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের জ্যোতি কৃষ্ণ রায়ের পুত্র, নীলফামারী জেলা যুবলীগের সদস্য ফিরোজ হোসেন গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন হাজিপাড়া গ্রামের মোজাফফর হোসেনের পুত্র, বড়ভিটা ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলার আসামি সিরাজুল ইসলাম সদর ইউনিয়নের বাজেডুমরিয়া গ্রামের সাহাদার আলীর পুত্র, আওয়ামী সমর্থক তাপস রায় পুঁটিমারী ইউনিয়নের ভেরভেরি গ্রামের মৃত বিনোদ চন্দ্র রায়ের পুত্র।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলার আসামি। গ্রেপ্তার আসামিদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
৫ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
২৮ মিনিট আগে
নওগাঁয় ৪২ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ আব্দুস সালাম ওরফে শামিম নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার কীর্তিপুর বাজারে একটি পিকআপে তল্লাশি চালিয়ে এসব গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’
২ ঘণ্টা আগে