পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়কে দেশের সর্বপ্রথম গৃহহীন মুক্ত জেলা ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। আগামী জুনের মধ্যে পাঁচ হাজার গৃহহীনদের জন্য ঘর হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে পঞ্চগড় জেলাকে দেশের প্রথম গৃহহীন মুক্ত জেলা ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার মাড়েয়া নতুন বস্তি ও দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের কালোপীর ভাঙ্গারপাড় এলাকায় গৃহনির্মাণ কাজের পরিদর্শন শেষে সুবিধাভোগীদের মাঝে জমির দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন রেলপথমন্ত্রী।
নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল গরিব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। আর কোনো মানুষ যাতে গৃহহীন না থাকে, বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহহীনদের জমিসহ গৃহ প্রদান করে জাতির জনকের স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলছেন। ৭৫ এ বঙ্গবন্ধুসহ গোটা পরিবারকে হত্যার পর দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখা ভুলে গিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মানুষ আবারও স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।’
রেলপথ মন্ত্রী জানান, এরই মধ্যে সাড়ে তিন হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে মুজিব বর্ষে ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মিথ্যার রাজনীতি করে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছে। তাদের সময়ে মানুষ সার ও বিদ্যুৎ পায়নি। এখন আর মানুষকে সার ও বিদ্যুতের পেছনে ছুটতে হয় না। সরকারের সুষ্ঠু ও সম উন্নয়ন পরিকল্পনায় সকল মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ফলে দেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উপনীত হয়েছে।’
গৃহনির্মাণ পরিদর্শনের সময় পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দীপঙ্কর রায়, বোদা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আলম টবি, বোদা পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান সুজা, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা কৌশিক নাহিয়ান নাবিদ, মাড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু আনসার মো. রেজাউল করিম শামীমসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম জানান, পঞ্চগড় জেলায় প্রায় ৫ হাজার ভূমিহীন গৃহহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সাড়ে তিন হাজার ভূমিহীন গৃহহীন পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। অবশিষ্ট দেড় হাজার ঘর নির্মাণকাজ চলছে। আগামী জুনের মধ্যে এসব ঘর ভূমিহীন গৃহহীনদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে।

পঞ্চগড়কে দেশের সর্বপ্রথম গৃহহীন মুক্ত জেলা ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। আগামী জুনের মধ্যে পাঁচ হাজার গৃহহীনদের জন্য ঘর হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে পঞ্চগড় জেলাকে দেশের প্রথম গৃহহীন মুক্ত জেলা ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার মাড়েয়া নতুন বস্তি ও দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের কালোপীর ভাঙ্গারপাড় এলাকায় গৃহনির্মাণ কাজের পরিদর্শন শেষে সুবিধাভোগীদের মাঝে জমির দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন রেলপথমন্ত্রী।
নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল গরিব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। আর কোনো মানুষ যাতে গৃহহীন না থাকে, বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহহীনদের জমিসহ গৃহ প্রদান করে জাতির জনকের স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলছেন। ৭৫ এ বঙ্গবন্ধুসহ গোটা পরিবারকে হত্যার পর দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখা ভুলে গিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মানুষ আবারও স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।’
রেলপথ মন্ত্রী জানান, এরই মধ্যে সাড়ে তিন হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে মুজিব বর্ষে ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মিথ্যার রাজনীতি করে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছে। তাদের সময়ে মানুষ সার ও বিদ্যুৎ পায়নি। এখন আর মানুষকে সার ও বিদ্যুতের পেছনে ছুটতে হয় না। সরকারের সুষ্ঠু ও সম উন্নয়ন পরিকল্পনায় সকল মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ফলে দেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উপনীত হয়েছে।’
গৃহনির্মাণ পরিদর্শনের সময় পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দীপঙ্কর রায়, বোদা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আলম টবি, বোদা পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান সুজা, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা কৌশিক নাহিয়ান নাবিদ, মাড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু আনসার মো. রেজাউল করিম শামীমসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম জানান, পঞ্চগড় জেলায় প্রায় ৫ হাজার ভূমিহীন গৃহহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সাড়ে তিন হাজার ভূমিহীন গৃহহীন পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। অবশিষ্ট দেড় হাজার ঘর নির্মাণকাজ চলছে। আগামী জুনের মধ্যে এসব ঘর ভূমিহীন গৃহহীনদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে