ফুলছড়ি( গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মানিককোড় উচ্চবিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি বাধা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ বুধবার (২ জুলাই) সকালে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করে। এ সময় এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্কুলটির চারপাশে সীমানাপ্রাচীর না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সম্প্রতি বিদ্যালয়টির সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকাজ শুরু হয়। কিন্তু স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি তাতে বাধা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আজ সকালে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। বিক্ষোভ চলাকালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ফুলছড়ি থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মনিরুজ্জামান বাবু বলেন, ‘এই জমি কয়েক দশক আগে বিদ্যালয়ের নামে ক্রয় করা হয়। জমির সব বৈধ কাগজপত্র বিদ্যালয়ের কাছে রয়েছে। এমনকি দুই বছর আগে সরকারি বরাদ্দে পুকুর ভরাট করা হয়েছে। এত দিন কেউ কোনো দাবি করেনি। এখন সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের সময় হঠাৎ একটি পক্ষ জমির মালিকানা দাবি করছে। তবে তারা কোনো দলিলপত্র দেখাতে পারেনি। আমাদের ধারণা, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত করতে চায়।’
বাধা দেওয়া শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই মুহূর্তে জমির কাগজপত্র দেখাতে পারছি না। তবে আমরা দলিলপত্র সংগ্রহ করে নিজেদের দাবি প্রমাণ করব।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনীল কুমার বর্মন বলেন, ‘বিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজ বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা প্রয়োজন।’
ঘটনাস্থলে থাকা ফুলছড়ি থানার এসআই সাদিক উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে জমির কাগজপত্র যাচাই করে দ্রুত বিষয়টির সুরাহা করা হবে।’

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মানিককোড় উচ্চবিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি বাধা দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ বুধবার (২ জুলাই) সকালে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করে। এ সময় এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্কুলটির চারপাশে সীমানাপ্রাচীর না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সম্প্রতি বিদ্যালয়টির সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকাজ শুরু হয়। কিন্তু স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি তাতে বাধা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আজ সকালে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। বিক্ষোভ চলাকালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ফুলছড়ি থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মনিরুজ্জামান বাবু বলেন, ‘এই জমি কয়েক দশক আগে বিদ্যালয়ের নামে ক্রয় করা হয়। জমির সব বৈধ কাগজপত্র বিদ্যালয়ের কাছে রয়েছে। এমনকি দুই বছর আগে সরকারি বরাদ্দে পুকুর ভরাট করা হয়েছে। এত দিন কেউ কোনো দাবি করেনি। এখন সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের সময় হঠাৎ একটি পক্ষ জমির মালিকানা দাবি করছে। তবে তারা কোনো দলিলপত্র দেখাতে পারেনি। আমাদের ধারণা, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত করতে চায়।’
বাধা দেওয়া শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই মুহূর্তে জমির কাগজপত্র দেখাতে পারছি না। তবে আমরা দলিলপত্র সংগ্রহ করে নিজেদের দাবি প্রমাণ করব।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনীল কুমার বর্মন বলেন, ‘বিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজ বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা প্রয়োজন।’
ঘটনাস্থলে থাকা ফুলছড়ি থানার এসআই সাদিক উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে জমির কাগজপত্র যাচাই করে দ্রুত বিষয়টির সুরাহা করা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে