লালমনিরহাট প্রতিনিধি

সার কেনার টোকেন দেওয়া বন্ধ করায় কৃষকদের তোপের মুখে পড়েছেন লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। সারের জন্য টোকেন দিতে গেলে উপস্থিত কৃষকেরা তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে কৌশলে সেখান থেকে সরে পড়েন ওই কর্মকর্তা।
কৃষকেরা বলেন, সারের সংকট নিরসনে কৃষকদের চাহিদা বিবেচনা করে বিশেষ টোকেন চালু করে কৃষি বিভাগ। কৃষি বিভাগের স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত টোকেন নিয়ে ডিলার পয়েন্টে গেলে সরকারি দামে সার মিলছে। অনিবন্ধিত বিক্রেতার কাছ থেকে বস্তাপ্রতি ৫০০ থেকে হাজার টাকা বেশি দামে কিনতে হয়। তাই ন্যায্যমূল্যে সার পেতে কৃষকেরা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পিছু ছুটছেন। তাঁরা ইউনিয়ন পরিষদে বসে কৃষকদের টোকেন দিচ্ছেন। সেই টোকেন দিয়ে সরকারি দামে সার কিনছেন চাষিরা।
আজ চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে কৃষকদের সারের টোকেন দিতে বসেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ। এ সময় শত শত কৃষক লাইনে দাঁড়িয়ে যান টোকেন নিতে। সেখানে ৩৫-৪০ কৃষককে টোকেন দিয়ে পরে তা বন্ধ করা হয় এবং সার শেষ বলে জানানো হয়। এতে ক্ষুব্ধ হন চাষিরা। তাঁরা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
কৃষক সুমন কুমার বলেন, ‘আজ কাজ ফেলে এসে কোনো লাভ হলো না। কৃষি বিভাগের লোকজন আর ডিলার মিলে সার অনিবন্ধিতদের কাছে বিক্রি করছেন। নিবন্ধিত ডিলাররা কৃষকদের সার না দিয়ে অনিবন্ধিত বিক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছেন। সার তো কেউ বাড়িতে উৎপাদন করে না। তাহলে অনিবন্ধিত বিক্রেতারা সার পেলেন কোথায়?’
চাপারহাটের কৃষক হাসান বলেন, ‘লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সার পাচ্ছি না। অথচ রাতের আঁধারে নিবন্ধিতরা বেশি দামে অনিবন্ধিত বিক্রেতাদের কাছে সার বিক্রি করছেন। তা না হলে গত রাতে দুই ট্রাক সার এল। সকালেই ৩০-৩৫ জনকে সার দিতেই সব শেষ হলো কী করে?’
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদকে তাঁর ব্যবহৃত নম্বরে একাধিকবার কল করেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি বলেন, কিছু কৃষক সংকটের আতঙ্কে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি করে কিনে মজুত করে রাখছে। ক্ষুদ্র কিছু চাষি সার পাচ্ছেন না বলে সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। আমরা যে পরিমাণ সার পেয়েছি, তা যাতে কৃষকদের মাঝে সমহারে পৌঁছে দেওয়া যায়; তার জন্য টোকেন সিস্টেম চালু করেছি। সারের বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত কৃষক লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাপারহাট পয়েন্টে বুধবার সার দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আবার দেওয়া হবে। এতে কৃষকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে আজাদকে অবরুদ্ধ করেছিলেন। পরে তিনি কৌশলে চলে এসেছেন।’
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, ‘চলতি মাসে চাহিদার অর্ধেক বরাদ্দ পেয়েছি। যার কারণে সার নিয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে বরাদ্দ করা সার পুরোটা আমরা পেয়েছি। কিছু কৃষক বর্তমান চাহিদার চেয়ে বেশি কিনে আগামী মৌসুমের জন্য মজুত করছেন। যার কারণে হয়তো কোনো কোনো চাষি বঞ্চিত হচ্ছেন।’ সার পর্যায়ক্রমে আসছে এবং আসবে। তাই মজুত না করে যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু ডিলার পয়েন্টে ক্রয় করতে কৃষকদের অনুরোধ জানান তিনি।

সার কেনার টোকেন দেওয়া বন্ধ করায় কৃষকদের তোপের মুখে পড়েছেন লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। সারের জন্য টোকেন দিতে গেলে উপস্থিত কৃষকেরা তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে কৌশলে সেখান থেকে সরে পড়েন ওই কর্মকর্তা।
কৃষকেরা বলেন, সারের সংকট নিরসনে কৃষকদের চাহিদা বিবেচনা করে বিশেষ টোকেন চালু করে কৃষি বিভাগ। কৃষি বিভাগের স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত টোকেন নিয়ে ডিলার পয়েন্টে গেলে সরকারি দামে সার মিলছে। অনিবন্ধিত বিক্রেতার কাছ থেকে বস্তাপ্রতি ৫০০ থেকে হাজার টাকা বেশি দামে কিনতে হয়। তাই ন্যায্যমূল্যে সার পেতে কৃষকেরা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পিছু ছুটছেন। তাঁরা ইউনিয়ন পরিষদে বসে কৃষকদের টোকেন দিচ্ছেন। সেই টোকেন দিয়ে সরকারি দামে সার কিনছেন চাষিরা।
আজ চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে কৃষকদের সারের টোকেন দিতে বসেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ। এ সময় শত শত কৃষক লাইনে দাঁড়িয়ে যান টোকেন নিতে। সেখানে ৩৫-৪০ কৃষককে টোকেন দিয়ে পরে তা বন্ধ করা হয় এবং সার শেষ বলে জানানো হয়। এতে ক্ষুব্ধ হন চাষিরা। তাঁরা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
কৃষক সুমন কুমার বলেন, ‘আজ কাজ ফেলে এসে কোনো লাভ হলো না। কৃষি বিভাগের লোকজন আর ডিলার মিলে সার অনিবন্ধিতদের কাছে বিক্রি করছেন। নিবন্ধিত ডিলাররা কৃষকদের সার না দিয়ে অনিবন্ধিত বিক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছেন। সার তো কেউ বাড়িতে উৎপাদন করে না। তাহলে অনিবন্ধিত বিক্রেতারা সার পেলেন কোথায়?’
চাপারহাটের কৃষক হাসান বলেন, ‘লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সার পাচ্ছি না। অথচ রাতের আঁধারে নিবন্ধিতরা বেশি দামে অনিবন্ধিত বিক্রেতাদের কাছে সার বিক্রি করছেন। তা না হলে গত রাতে দুই ট্রাক সার এল। সকালেই ৩০-৩৫ জনকে সার দিতেই সব শেষ হলো কী করে?’
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদকে তাঁর ব্যবহৃত নম্বরে একাধিকবার কল করেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি বলেন, কিছু কৃষক সংকটের আতঙ্কে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি করে কিনে মজুত করে রাখছে। ক্ষুদ্র কিছু চাষি সার পাচ্ছেন না বলে সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। আমরা যে পরিমাণ সার পেয়েছি, তা যাতে কৃষকদের মাঝে সমহারে পৌঁছে দেওয়া যায়; তার জন্য টোকেন সিস্টেম চালু করেছি। সারের বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত কৃষক লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাপারহাট পয়েন্টে বুধবার সার দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আবার দেওয়া হবে। এতে কৃষকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে আজাদকে অবরুদ্ধ করেছিলেন। পরে তিনি কৌশলে চলে এসেছেন।’
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, ‘চলতি মাসে চাহিদার অর্ধেক বরাদ্দ পেয়েছি। যার কারণে সার নিয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে বরাদ্দ করা সার পুরোটা আমরা পেয়েছি। কিছু কৃষক বর্তমান চাহিদার চেয়ে বেশি কিনে আগামী মৌসুমের জন্য মজুত করছেন। যার কারণে হয়তো কোনো কোনো চাষি বঞ্চিত হচ্ছেন।’ সার পর্যায়ক্রমে আসছে এবং আসবে। তাই মজুত না করে যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু ডিলার পয়েন্টে ক্রয় করতে কৃষকদের অনুরোধ জানান তিনি।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১৩ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১৮ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
৩১ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩৮ মিনিট আগে