বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা: প্রধান আসামিসহ ৩ জন লক্ষ্মীপুরে গ্রেপ্তার

রংপুরের কাউনিয়ায় ফখরুল আলম রতন হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ তিনজনকে লক্ষ্মীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও এসআরবি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার শাকতলা বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ শুক্রবার তাঁদের কাউনিয়া থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কাউনিয়া উপজেলার শিবু কুটিপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও মামলার প্রধান আসামি মজনু মিয়া (৩২), একই এলাকার বাসিন্দা ও দুই নম্বর আসামি লুৎফর রহমান (৪০) এবং তিন নম্বর আসামি রিজু মিয়া (৩০)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ অক্টোবর বিকেলে উপজেলার হরিচরণ লস্কর গ্রামে নিজ বাড়ির পাশে ফখরুল আলম রতনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহত ফখরুলের স্ত্রী শাম্মি আক্তার বাদী হয়ে মজনুকে প্রধান আসামি করে নয়জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও চারজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদল কুমার মণ্ডল জানান, পূর্বশত্রুতার জেরে ফখরুলকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর প্রধান আসামি মজনুসহ অন্যরা এলাকা ছেড়ে বিভিন্ন জেলায় আত্মগোপন করেন। তাঁদের অবস্থান শনাক্তে পুলিশ ও এসআরবি কাজ শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে গতকাল রাতে এসআরবির ১৩ ও ১১ ক্যাম্পের আভিযানিক দল ও থানা-পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। এ সময় রামগঞ্জের শাকতলা বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি আরও জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল গ্রেপ্তার তিন আসামিকে হেফাজতে নিয়ে কাউনিয়া থানায় নিয়ে আসছে। এর আগে এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি খলিলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। রিমান্ড শেষে তিনি বর্তমানে রংপুর কারাগারে রয়েছেন।
ওসি বাদল কুমার মণ্ডল বলেন, উপজেলার শিবু কুটিপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আগে নয়ন গ্রুপ ও কোহিনুর গ্রুপের মধ্যে হামলা ও পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা ঘটেছিল। দুই পক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে থানা ও আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের শিকার ফখরুল আলম রতন নয়ন গ্রুপের প্রধানের আপন বড় ভাই।










