দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে খেলতে খেলতে পুকুরের পানিতে ডুবে আব্দুর রহমান নামের সাত বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার সকালে উপজেলার পালশা ইউনিয়নের বেলওয়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আব্দুর রহমানের সঙ্গে আরও দুই শিশু ডুবে যায়। তাঁদের গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার প্রিয়াঙ্কা কণ্ডু। তিনি বলেন, ‘আজ সকালে একই বয়সী তিন শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আমরা একজনকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। বাকি দুজনকে রংপুরে স্থানান্তর করা হয়েছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
মারা যাওয়া শিশু আব্দুর রহমান বেলওয়া-নয়নদীঘি গ্রামের সোহান মিয়ার ছেলে। চিকিৎসাধীন শিশুরা হলো ঘোড়াঘাট উপজেলার শালগ্রামের হোসেন আলীর ছেলে জিহাদ (৭) এবং গাইবান্ধার সাদুল্ল্যাহপুর উপজেলার আব্দুল মমিন মিয়ার ছোবাহান (৭)। ছোবাহান নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছে।
শিশুদের পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, আজ সকালে কয়েকজন শিশু একত্রে খেলাধুলা করছিলেন। খেলতে খেলতে বাড়ির পেছনে থাকা একটি পুকুরে ওই তিন শিশু পড়ে যায়। কিছু সময় পর এক শিশুর চিৎকার শুনতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে পরিবারের সদস্যরা পুকুরের পানিতে হাবুডুবু খাওয়া অবস্থায় শিশু জিহাদ ও ছোবাহানকে উদ্ধার করে। শিশু রহমান নিখোঁজ ছিল। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তাকেও উদ্ধার করা হয়। পরে তিনজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু আব্দুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘোড়াঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দেবব্রত রায় বলেন, ‘পানিতে ডুবে শিশু নিহতের ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে খেলতে খেলতে পুকুরের পানিতে ডুবে আব্দুর রহমান নামের সাত বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার সকালে উপজেলার পালশা ইউনিয়নের বেলওয়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আব্দুর রহমানের সঙ্গে আরও দুই শিশু ডুবে যায়। তাঁদের গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার প্রিয়াঙ্কা কণ্ডু। তিনি বলেন, ‘আজ সকালে একই বয়সী তিন শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আমরা একজনকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। বাকি দুজনকে রংপুরে স্থানান্তর করা হয়েছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
মারা যাওয়া শিশু আব্দুর রহমান বেলওয়া-নয়নদীঘি গ্রামের সোহান মিয়ার ছেলে। চিকিৎসাধীন শিশুরা হলো ঘোড়াঘাট উপজেলার শালগ্রামের হোসেন আলীর ছেলে জিহাদ (৭) এবং গাইবান্ধার সাদুল্ল্যাহপুর উপজেলার আব্দুল মমিন মিয়ার ছোবাহান (৭)। ছোবাহান নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছে।
শিশুদের পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, আজ সকালে কয়েকজন শিশু একত্রে খেলাধুলা করছিলেন। খেলতে খেলতে বাড়ির পেছনে থাকা একটি পুকুরে ওই তিন শিশু পড়ে যায়। কিছু সময় পর এক শিশুর চিৎকার শুনতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে পরিবারের সদস্যরা পুকুরের পানিতে হাবুডুবু খাওয়া অবস্থায় শিশু জিহাদ ও ছোবাহানকে উদ্ধার করে। শিশু রহমান নিখোঁজ ছিল। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তাকেও উদ্ধার করা হয়। পরে তিনজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু আব্দুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘোড়াঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দেবব্রত রায় বলেন, ‘পানিতে ডুবে শিশু নিহতের ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাত সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুর রহিম (৫০) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।
৫ মিনিট আগে
বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আরাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
২৯ মিনিট আগে
টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
২ ঘণ্টা আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
২ ঘণ্টা আগে