বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৬ জন কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. সামিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাঁদের বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) পরিচালক ডা. শরীফুল হাসান।
বদলি হওয়া এই কর্মচারীরা হলেন সিরাজুল ইসলাম, বিউটি আক্তার, দুলাল বসুনিয়া, জানুরাম সরকার, নুরুজ্জামান, রইস উদ্দিন, রহমত আলী, হাসিনা বেগম, মহিত আল রশিদ উদয়, আল আমিন ইসলাম, হামিদুল ইসলাম, মোর্শেদ হাবিব, আবুল হাসান, শাহজাদা মিয়া, আব্দুল আলিম, আবু জাফর। তাঁদের সবাইকে ঢাকাসহ দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ অঞ্চলে বদলি করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বদলি হওয়া কর্মচারীদের বিরুদ্ধে রোগী ও স্বজনদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়াসহ নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। ওই মেডিকেল কলেজের অর্থোসার্জারি বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট চিকিৎসক এ বি এম রাশেদুল আমীরও ভোগান্তির শিকার হন। তাঁর মা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হলে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ওই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে যান তাঁর স্বজনেরা। এ সময়ে স্বজনদের কাছ থেকে বকশিশের নামে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।
অভিযোগ উঠেছে, চিকিৎসকের মা পরিচয় দিয়েও রেহাই পাননি। এরপর চিকিৎসক এ বি এম রাশেদুল আমীর সেখানে উপস্থিত হলে তাঁর কাছ থেকেও চাঁদা দাবি করা হয়। মাকে নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে এসে হয়রানির শিকার এই চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালককে ১৮ সেপ্টেম্বর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত দুই কর্মচারী মাসুদ ও ঝর্ণা বেগমকে বরখাস্ত করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এদিকে রোগী ও স্বজনদের হয়রানিসহ হাসপাতাল দালালমুক্ত করার দাবি তুলেছেন খোদ হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা। এ ঘটনার পরই ১৬ জন কর্মচারীকে একযোগে বদলি করা হলো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. শরীফুল হাসান বলেন, ‘এগুলো নিয়মিত বদলি।’

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৬ জন কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. সামিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাঁদের বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) পরিচালক ডা. শরীফুল হাসান।
বদলি হওয়া এই কর্মচারীরা হলেন সিরাজুল ইসলাম, বিউটি আক্তার, দুলাল বসুনিয়া, জানুরাম সরকার, নুরুজ্জামান, রইস উদ্দিন, রহমত আলী, হাসিনা বেগম, মহিত আল রশিদ উদয়, আল আমিন ইসলাম, হামিদুল ইসলাম, মোর্শেদ হাবিব, আবুল হাসান, শাহজাদা মিয়া, আব্দুল আলিম, আবু জাফর। তাঁদের সবাইকে ঢাকাসহ দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ অঞ্চলে বদলি করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বদলি হওয়া কর্মচারীদের বিরুদ্ধে রোগী ও স্বজনদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়াসহ নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। ওই মেডিকেল কলেজের অর্থোসার্জারি বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট চিকিৎসক এ বি এম রাশেদুল আমীরও ভোগান্তির শিকার হন। তাঁর মা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হলে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ওই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে যান তাঁর স্বজনেরা। এ সময়ে স্বজনদের কাছ থেকে বকশিশের নামে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।
অভিযোগ উঠেছে, চিকিৎসকের মা পরিচয় দিয়েও রেহাই পাননি। এরপর চিকিৎসক এ বি এম রাশেদুল আমীর সেখানে উপস্থিত হলে তাঁর কাছ থেকেও চাঁদা দাবি করা হয়। মাকে নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে এসে হয়রানির শিকার এই চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালককে ১৮ সেপ্টেম্বর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত দুই কর্মচারী মাসুদ ও ঝর্ণা বেগমকে বরখাস্ত করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এদিকে রোগী ও স্বজনদের হয়রানিসহ হাসপাতাল দালালমুক্ত করার দাবি তুলেছেন খোদ হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা। এ ঘটনার পরই ১৬ জন কর্মচারীকে একযোগে বদলি করা হলো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. শরীফুল হাসান বলেন, ‘এগুলো নিয়মিত বদলি।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৩০ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে